
প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০

নির্বাচন ও নির্বাচনপরবর্তী রাজনৈতিক অবস্থান, নারীর ক্ষমতায়ন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক এবং গুম-খুনের বিচারসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ডয়চে ভেলেকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের পর বিএনপি এককভাবে সরকার গঠনে সক্ষম হবে বলে তিনি আশাবাদী। জনগণের প্রত্যাশা ও দলের প্রস্তুতি তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে নির্বাচনি প্রস্তুতির পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন সময় পার করতে হয়েছে বলে জানান তারেক রহমান। দেশে ফেরার কয়েক দিনের মধ্যেই মায়ের মৃত্যু তার জন্য বড় মানসিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল বলে বলেন তিনি।
নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, মানুষ যেমন আশা করছে, তারাও তেমনি প্রত্যাশা করছেন নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত হওয়াই তাদের প্রধান লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
তরুণদের আকৃষ্ট করার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, বিএনপির ইশতেহারে শুধু তরুণ নয়, নারী, বয়স্ক এবং প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর জন্যও বিশেষ পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। দেশের উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেন তিনি।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থি কোনো চুক্তি হলে বিএনপি তা মেনে নেবে না। জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি তিনি স্পষ্ট করেন।
নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে তারেক রহমান বলেন, অতীতে বেগম খালেদা জিয়া নারী শিক্ষার জন্য বড় পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে নারী শিক্ষার সুযোগ আরও উচ্চ পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানান তিনি।
গুম-খুনের বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি সভ্য দেশে মানুষের গুম বা হত্যার বিচার না হওয়া অসম্ভব। দেশের আইন অনুযায়ী প্রত্যেক ভুক্তভোগী বিচার পাওয়ার অধিকার রাখে এবং বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এসব ঘটনার বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।