প্রকাশ: ৬ অক্টোবর ২০২০, ১৮:৮
সারাদেশের প্রায় ১৮ কোটি মানুষের কাছে নিরাপদ ও সুপেয় পানি পৌঁছে দিতে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার একটি সমন্বিত প্রকল্পের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ইউনিসেফের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, দূষিত ও জীবাণুযুক্ত পানি মানুষের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই
নয়াদিল্লিতে আজ বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের ১৬তম বৈঠক। দুই দিনের এ বৈঠক চলবে শুক্রবার পর্যন্ত। এতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দুই দেশের বাণিজ্যসংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা, পাটপণ্যে ভারতের অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক, স্থলবন্দরের জটিলতা এবং বাণিজ্য বাধার বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার ঢাকা ছেড়েছে। প্রতিনিধিদলের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে আজ বৃহস্পতিবার সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিকেল ৫টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এ তথ্য জানিয়েছেন। রাকিবুল ইসলাম রাকিব জানান, সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তাদের সার্বিক বিষয় শুনবেন। বিশেষ করে আবরার হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়া
বাগেরহাটের রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণের জন্য প্রস্তুত করা জমিতে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে সরকার। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৪৯৮ কোটি ৮ লাখ টাকা। বর্তমান রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। পরিকল্পিত দ্বিতীয় ইউনিটের কাজ এগোয়নি। ফলে উন্নয়নের জন্য প্রস্তুত করা
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর বিষয়ে নিজেদের অবস্থান আবারও স্পষ্ট করেছে ভারত। বুধবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, শেখ হাসিনার প্রত্যাবাসন সম্পূর্ণ একটি আইনি বিষয়। এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আইনগত প্রক্রিয়াই অনুসরণ করা হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখতে ভারত আগ্রহী। সেই লক্ষ্যেই দুই দেশের মধ্যে আলোচনা