
প্রকাশ: ১ এপ্রিল ২০২০, ১৮:২

“মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না, ও বন্ধু”। যে কোন দেশের প্রাকৃতিক ও সামাজিক দূর্যোগে কিছু মানুষ সব সময়ই অসহায় নীপিড়িত মানুষের পাশে দাড়ায়। তেমনি বর্তমানে বিশ্ব মহামাড়ি আকার ধারণ করা করোনা ভাইরাসে যখন অসহায় দিনমজুর ও গরীব মানুষগুলো কর্মহীন হয়ে পড়েছে ঠিক সে সময়ই নিজস্ব উদ্যোগে সাধারণ খেটে খাওয়া কিছু মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন (ওজোপাডিকো) ডিভিশন-২ এর নতুন বাজার ফিডার ইনচার্জ ইঞ্জিনিয়ার সেলিম হাসান চৌধুরী।
যার মধ্যে রয়েছে ৬ কেজি চাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি পেঁয়াজ, ১ কেজি মুশুরী ডাল, ১ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি লবন, ১টি হুইল সাবান, ১ প্যাকেট আটা, ১টি লাক্স ও ১টি স্যাভলন সাবান এবং নগদ ২০ হাজার টাকা।
সাহায্য নিতে আসা দিনমজুর মোঃ ফারুক বলেন, তার পরিবারে উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তিনি একা। অথচ পরিবারের মোট সদস্য ৫জন। বর্তমানে কাজ কর্ম না থাকায় ছেলে মেয়ে নিয়ে কস্টে দিনযাপন করছেন। বিদ্যুৎ অফিসের ইঞ্জিনিয়ার সাহেব চাল ডাল দিচ্ছে শুনে তিনি এসেছেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যা সহায়তা দেয়া হয়েছে তাতে তার দু/চার দিন চলবে। শেফালী নামের ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তি বলেন, “যে রোগ আইছে, হেইয়ার মধ্যেও ওনার (ইঞ্জিনিয়ারের) মতো লোক মোগো লইগ্যা সাহায্য দেছে। আল্লায় (আল্লাহ) তার ভাল করুক।”

নতুন বাজার ফিডার ইনচার্জ ইঞ্জিনিয়ার সেলিম হাসান চৌধুরী বলেন, চীনের উহান প্রদেশ থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস বিশ^ব্যাপী মহামারি আকার ধারণ করেছে। আমাদের দেশের সরকার এ মহামারি থেকে রক্ষায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছেন। বিভিন্ন গণপরিবহন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খেটে খাওয়া মানুষগুলো অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে বলে নিজস্ব উদ্যোগে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগতভাবে সীমিত আকারে কিছু লোকের জন্য সাহায্য করেছি মাত্র। তবে সমাজের বিত্তবান লোকগুলো যদি যে যার সাধ্যমতো এ ধরণের উদ্যোগ নেয় তাহলে আমাদের দরিদ্র মানুষগুলো বেঁচে যাবে।