
২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাংলাদেশে আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেদ্র মোদীর মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক এ কথা জানান মোদী। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেলে লোতে নিউইয়র্ক প্যালেস হোটেলে দ্বিপক্ষীয় সভাকক্ষে দুই নেতার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বরাত দিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক বজায় রয়েছে। তাই এই ধরনের ইস্যু নিয়ে উদ্বেগের কিছুই নেই। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উভয় নেতা তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনের বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন।
ড. মোমেন বলেন, দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে এই বৈঠক খুবই সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এতে এনআরসি, অভিন্ন নদীর পানি বন্টনসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এনআরসি ইস্যুর কথা উল্লেখ করে বলেন, এটি বাংলাদেশের জন্য খুবই উদ্বেগের বিষয়।
জবাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এনআরসি ও পানি বন্টনের মতো ইস্যুগুলোকে আমরা সহজভাবে নিতে পারি। কারণ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে।’ এ প্রসঙ্গে নরেন্দ্র মোদি শেখ হাসিনাকে আশ্বস্ত করে বলেন, ‘ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিষয়টি নির্ধারণে কাজ করবেন। এ ব্যাপারে বাংলাদেশের শঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বৈঠকে কোনো বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। আগামী ৫ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে দুই নেতার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ ফারুক খান, পররাষ্ট্রসচিব মো. শহিদুল হক এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও তিনি আসামের নাগরিকত্ব তালিকা নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বিগ্ন হবার কিছু নেই বলেও আশ্বস্ত করেন।
ইনিউজ ৭১/টি.টি. রাকিব