
প্রকাশ: ১ জুলাই ২০১৯, ৩:২

ইসরায়েলে গিয়ে ইয়াহুদী হয়েছেন ঢাকায় রেল ভবনের একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) মাে. শামসুজ্জামানের প্রবাসী ছেলে, এতে তাকে নিয়ে রাষ্ট্রীয় তথ্য পাচারের শঙ্কায় কানাঘুষা শুরু হয়েছে। অনলাইনে বিভিন্ন ভিডিওতে তাকে বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণার পাশাপাশি ইসরাইলের ভূয়সী প্রশংসাও করতে দেখা গেছে। ওই ভিডিওতে নিজেকে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে ইসরাইল সফরকারী ও দেশটির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার কথাও বলেছেন তিনি। কুলাউড়া দুর্ঘটনার পর ওই এডিজির ছেলে ইসরাইল কানেশনের বিষয়টি সামনে আসে। এরপর থেকেই এটি নিছক শোনাে ঘটনা নাকি নাশকতা তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।
সূত্র জানায়, সাদমান জামান এরই মধ্যে ধর্ম ত্যাগ করে ইহুদীবাদে অনুরক্ত হয়েছেন। সে ঘােষণাও তিনি নিজের ভিওিতে দিয়েছেন। এমনকি নিজের সঙ্গে ইসরাইলীয় কতৃপক্ষের বড় কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্পর্কে কথাও বলেছেন। ভটি বে এসব বিষয় জানাজানি হলে বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তারাও জানতে পারেন। তবে তার বাবা এডিজি শামসুজ্জামান বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে ছেলের সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই বলে বিভিন্ন সময়ে দাবি করে আসছেন। শামসুজ্জামান ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক তাগের কথা বললেও বরাবরই তিনি ছেলের সঙ্গে যােগাযােগ রেখে চলেন। এমনকি নিজের অর্থ-সম্পদও লন্ডনে ছেলের নামে করেছেন।
অবশ্য রেলওয়ের ডিজি ( রেলিং স্টোকস) মো. শামসুজ্জামান এই প্রতিবেদকে বলেন, তার ছেলে সাদমান জামান একজন চিকিৎসক। ছেলে যেহেতু তার, যােগাযােগ তো থাকবেই। প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে কি করলো-সে দায় তার নয়। তবে তিনি সাদমানের ইসরাইলের সঙ্গে যােগাযােগকে সমর্থন করেন না। তবে নিজের অর্থ সম্পদ ছেলের নামে করার বিষয়টি অস্বীকার করেন। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, শামসুজ্জামান প্রায় বছর লন্ডন গিয়ে ছেলের কাছে থাকেন। সেখানে তার ছেলের একটি বিলাশবহুল একটি বাড়ি রয়েছে এবং দুটি দামী গাড়িও রয়েছে। শামসুজ্জামান রেলের এডিজি পদে থাকলেও গোপনে তিনি দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসা করেন। এই দুটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই রেলের বগিসহ বিভিন্ন কেনাকাটাও করা হয়। সর্বশেষ ২০১৬ সালে নিজের পরিচিত একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রেলের বগিও আমদানী করেন তিনি। এ খাত থেকে তার মতাংশ লন্ডনে ছেলের মাকাউন্টে পাঠানাে হয়। এ ছাড়াও দুই ঠিকাদারকে রেলের কেনাকাটায় সুযােগ করে দেওয়ায় তিনি অর্থনৈতিক সুবিধাও পেয়ে আসছেন। তার অংশের টাকা ইন্দোনেশিয়া, হংকং, দুবাই ও চীনের বিভিঃ আকাউন্টে পাচার করা হয়।



ইনিউজ ৭১/টি.টি. রাকিব