
প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২০, ৩:৪৬
সবারই স্বপ্ন থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার।নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার।শিক্ষাজীবনের ১২ বছর স্কুলে-কলেজে কাটানোর পর শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য প্রস্তুতি।স্বপ্ন পূরণের জন্য নির্ঘুম কাটানো কিছু রাত বা কফির কাপে ধোয়া উঠা সকালের পরিশ্রম শেষে,মেধাবীরা ভর্তি যুদ্ধের মাধ্যমে জায়গা করে নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ে।আর সেটি যদি হয় বাংলাদেশের অন্যতম বিদ্যাপিঠ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) তাহলে আর চাওয়ার বা কি থাকে।প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে যারা এসেছেন কিংবা শহর হতে সকলেই চোখে মুখে জীবনকে সুন্দর করার স্বপ্ন আর ঠোটো হাসি।
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সকলেই নিজেকে মেলে ধরতে চায়, হাসতে চায় বিজয়ের হাসি, হতে চাই মানুষের মত মানুষ। নিজের চোখে থাকে আকাশ ছোয়ার স্বপ্ন আর বুকে থাকে আশা।নিজেকে অনন্য উচ্চতায় যেতে চায় সকলেই। কেউবা হতে চায় বিসিএস ক্যাডার,আবার অনেকেই হতে চায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, অর্থনীতিবীদ, এক একজনের এক এক রকম স্বপ্ন।
ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনদের শুরু হয়ে গিয়েছে ক্লাস। ক্যাম্পাসের শান্ত চত্বর কিংবা কাঠাঁল তলায় আড্ডায় মেতেছে নবীনরা।টিএসসির চা-সিঙাড়ার সাথে সখ্য গড়ে উঠেছে তাদের। নবীনদের পদচারনায় মুখর হচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাস। দলবেধে আহসান মঞ্জিল, সদরঘাট, বিউটি বোর্ডিং ও বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাসের আশেপাশের বিভিন্ন রকমের বাহারি খাবারের স্বাদ নিচ্ছে নবীনরা।
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের দিনগুলো নিয়ে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী তুষার মাহমুদ বলেনবিশ্ববিদ্যালয়ে খুবই ভালো লাগছে।সকলের সাথে পরিচিত হচ্ছি।বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছি,নতুন পরিবেশ তবে ভালো লাগছে।আমি বড় হয়ে বিসিএস ক্যাডার হতে চাই। নিজের স্বপ্ন পূরন করতে চেষ্টা করব এবং দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত করব।

মুক্তা আক্তার নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, জীবনের সেরা সময়গুলো হয়তো পার করছি। পুরান ঢাকার নানা ঐতিহ্য সম্পর্কে জানছি দেখছি। দিনগুলা খুব সুন্দর যাচ্ছে। আমি বড় হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে চায়। বাংলাদেশকে দেখতে চায় অনন্য উচ্চতায়।
শিক্ষাজীবন শেষে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের এইসব স্মৃতি আপনাকে নিয়ে দাড় করাবে ক্যাম্পাস জীবনে। ভাসাবে স্মৃতির ভেলায়।তবে সবারই স্বপ্ন সকল কিছুর পাশাপাশি তারা তাদের স্বপ্ন পূরন করবে।নিজেকে মানুষের মত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে।তারুণ্য জাগলেই বাংলাদেশ হবে সোনার বাংলা।