
প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৭:৩৩

সম্প্রতি ব্যাংকের বুথ থেকে টাকা তোলার একটি দৃশ্য- যা ডিবিসি নিউজে সংবাদের প্রচারের পর ভাইরাল হয়। দুবাই থেকে ডেবিট কার্ড চুরির পর দেশে পাঠানো হয় কুরিয়ারে। গোপন পিন নম্বর পাঠানো হয় হোয়াটসঅ্যাপে। তা দিয়ে তোলা হয় টাকা। যা আবার যায় দুবাইতে। টাকা তুলতে গিয়ে ধরা পড়েন ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায়। সে ছবি হয় ভাইরাল। পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে পরিবর্তন করা হয় চেহারাও। তার পরেও শেষ রক্ষা হয়নি চক্রটির। ধরা পড়তে হয় গোয়েন্দা জালে।
ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলাম, "এই নিউজ টা যখন ২১ তারিখ প্রচার হয় ২২ তারিখ থেকে রাজু বার বার ফোন দিচ্ছে। ২৩ তারিখে আমাকে একটি নিরিবিলি জায়গায় নিয়ে যায় এবং পা ধরে আমাকে বলে আমাকে মারেন আপনি। এই ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে সে আমার বউ। মামুন কার্ড টা নিয়েছে, সে আমাকে বলে...রাজু...আমার একটা কার্ড আছে বাংলাদেশে , ৪/৫ লাখ টাকা আছে। এই টাকা আমি ব্যবসার কাজে দুবাই আনবো। তুই আমাকে সহযোগীতা কর। কেউ যেন না জানে।"

তবে গ্রেপ্তার এড়াতে তানিয়ার চেষ্টার কমতি ছিল না। তার ছবি গণমাধ্যমে আসার পর পরই তা বুঝতে পেরে চেষ্টা করেন নিজেকে আড়াল করতে। আট হাজার টাকায় পরিবর্তন করেছিলেন তার নিজের চেহারাটিও। পুলিশ বলছে, ঘটনাস্থল বাংলাদেশ ছাড়াও ছিল দুবাই। ফলে পুরো তদন্তে নিতে হয় প্রযুক্তির সহায়তা।