
প্রকাশ: ৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ২১:৭

শীতের আগমনে সরাইল উপজেলায় লেপ, তোশক ও জাজিমের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। এতে লেপ-তোশক তৈরির কাজ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন এলাকার কারিগররা। সরাইল সদর, কালিকচ্ছ বাজার, অরুয়াইল বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে লেপ-তোশকের দোকানে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। কেউ আগেই তৈরি করা লেপ কিনছেন, আবার কেউ নিজেদের আকারে অর্ডার দিচ্ছেন।
এ অঞ্চলে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লেপ-তোশকের বিক্রি বেড়েছে। কারিগররা এখন তাদের নিপুণ হাতে লেপ, তোশক ও জাজিম তৈরি করতে সময় কাটাচ্ছেন। তবে গত বছরের তুলনায় তুলা ও কাপড়ের দাম বেড়েছে, যার কারণে দোকানিরা জানাচ্ছেন, এবার বিক্রি কম হলেও খরচ বেড়েছে।
বাজারে লেপ-তোশক তৈরির উপকরণের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি তৈরির খরচও বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এবছর প্রতি গজ লেপ তৈরির কাপড়ের দাম ৪০-৫৫ টাকা, তোশকের কাপড়ের দাম ৪০-৫০ টাকা এবং জাজিমের কাপড়ের দাম ১৫০-২০০ টাকা। তুলার দাম প্রতি কেজিতে ১৬০-২২০ টাকা, পোলি তুলা ১২০-১৩০ টাকা, উলের দাম ৫০-৬০ টাকা এবং জুটের দাম ৩০-৪৫ টাকা।

বাবুল মিয়া, একজন কারিগর, বলেন, "কয়েক দিন আগেও তেমন কাজ ছিল না, তবে ঠান্ডা বাড়ার সঙ্গে কাজের চাপ বেড়েছে। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে আমাদের কাজ কম থাকে, কিন্তু এবার গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে।"

ক্রেতারা জানান, এই শীতে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে, তাই তারা আগেই লেপ অর্ডার করছেন। এক ক্রেতা বলেন, "আমরা গরিব মানুষ, কম্বল কিনতে পারি না। তাই অল্প টাকায় লেপ বানিয়ে নিচ্ছি। শীতে লেপ অনেক আরামদায়ক।"
এদিকে, লেপ-তোশকের দামও বাড়তে শুরু করেছে। রেডিমেট লেপের দাম ১৫০০ থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে, তোশক ১৪০০ থেকে ২৫০০ টাকা এবং জাজিম ৩৫০০ থেকে ৪২০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।