
প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৪, ২১:৫৫

আওয়ামীলীগের রাজনীতি প্রতিহিংসার রাজনীতি। বিগত ৪৫ বছর ধরে শেখ হাসিনা প্রতিশোধের রাজনীতি করেছে বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। বুধবার (১৪ আগষ্ট) বিকালে জেলা শহরের আব্দুল কুদ্দুস মাখন মুক্ত মঞ্চে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা হেফাজত ইসলাম আয়োজিত মহাসমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হেফাজত ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান ও সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা হেফাজত ইসলামের সভাপতি মুফতি মুবারকউল্লাহ।
মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ১৯৭৫ সালে সাড়ে তিন বছরের অপসাশনের যুগে শেখ মুজিবুর রহমান সাহেব ৩০ হাজার যুবককে হত্যা করেছে। এদেশের মানুষের অধিকার হরণ করেছিলেন। তখন অধিকার হারা মানুষ ক্ষুব্দ হয়ে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে গণঅভ্যুত্থান করেছিলো। তখন শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছিলো যেই জাতি তার বাবাকে হত্যা করেছে সেই জাতির উপর তিনি প্রতিশোধ নিবেন।
বিগত ৪৫ বছর ধরে শেখ হাসিনা প্রতিশোধের রাজনীতি করেছিলো। প্রতিশোধ নিয়েছে তৌহিদি জনতা, স্বাধীনতাগামী জনতা, ছাত্র জনতা ও হেফাজত ইসলামের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, ছাত্র সমাজ ও হেফাজতি ইসলামের সকল নেতৃবৃন্দের সতর্ক করে বলতে চাই আওয়ামীলীগের রাজনীতি প্রতিহিংসার রাজনীতি৷মাওলানা মামুনুল হক আরো বলেন, তিনি একজন খুনীর নেশায় মাতাল৷ খুনী শেখ হাসিনাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর আহবান জানাই। পূর্বের ন্যায় আগামীতেও দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য আবারও রক্ত দিবো৷

মাওঃ মামুনুল হক বলেন, শেখ হাসিনা নরেদ্র মোদির ঘরে বসে ১৫ আগষ্টকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য তিনি উস্কানি দিচ্ছেন। আওয়ামীলীসহ অঙ্গসংগঠনের দ্বারা হাতুরিলীগের ভূমিকা পকরন করেছেন। এখন বাংলাদেশ ফেসিবাদী পরাধীন দেশ নয়।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
বৈষম্য ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন করা বাংলাদেশে ১৫ আগষ্টে বিশৃঙ্খলা করার পায়তারা করা হয় সারা দেশে তাদেরকে প্রতিরোধ করা হবে।অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবী, কেন্দ্রীয় হেফাজত ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবী, কেন্দ্রীয় হেফাজত ইসলামের অর্থ সম্পাদক মাওলানা মনির কাসেমী, হেফাজত ইসলামের নায়েবে আমির মাওলানা মহিউদ্দিন রাব্বানী, হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় সম্পাদক মাওলানা কেফাতুল্লাহ আজহারী প্রমুখ৷