
প্রকাশ: ১ এপ্রিল ২০২৪, ১:৪২

রমজানের ২১'সরাইলে শুরু হয়েছে ঈদের কেনাকাটা। প্রথম কয়েকটি রোজায় ক্রেতাদের দেখা না মিললেও ২১ রোজা থেকে জমে উঠতে শুরু করেছে পোশাকের দোকানগুলো। ঈদের আগে ব্যস্ততা বাড়ার আশঙ্কা ও সবার আগে পছন্দের পোশাকটি কিনতে ক্রেতারা এক বিপনিবিতান থেকে আরেক বিপনিবিতানে ছুটছেন।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, রোজার একটি মাস সারা বছরের সব থেকে বেশি বেচাবিক্রি হয়, যে কারণে রোজার আগেই ঈদের জন্য দোকানে নতুন নতুন পোশাক সাজিয়েছেন তাঁরা।রোববার (৩১ মার্চ) সরেজমিনে সরাইলের বকুল তলা, মুন্সী গলি, জনতা ব্যাংকে নিচের মার্কেট, রুমা স্টোর মার্কেটসহ বেশকিছু শো-রুম ঘুরে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের বেচাকিনিতে ব্যস্ততা চোখে পড়ে।
বকুল তলার ফুটপাত ব্যবসায়ী এলোন মিয়া বলেন, প্রথম রোজা থেকেই এ গলির দোকানগুলোতে ক্রেতাদের আনাগোনা শুরু হলেও গত শুক্রবার থেকে ভিড় বাড়ছে। সারাদিনের মধ্যে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এবং ইফতারের পরে ক্রেতারা বেশি আসছেন। আমাদের কাছে গরিবদের মাল বেশী। তবে গত বছরের ঈদের চাইতে এবারের বেচাকেনা বেশি।ব্যবসায়ী আছমত বলেন,এবার পবিত্র ঈদুল ফিতর গরমে হওয়ায় চাহিদা থাকবে সুতি পোশাকের।
ক্রেতাদের কথা চিন্তা করে আমরাও সুতি পোশাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। এই বিক্রেতা আশা প্রকাশ করেন, আগামী ২২ রোজা থেকে গলির সব দোকানে পুরোদমে বেচাকেনা শুরু হয়ে যাবে।এই বাজারের ঈদের পোশাক ক্রেতা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা বলেন ‘মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা যেমনই হোক না কেন,ঈদ উপলক্ষে মুসলিম সম্প্রদায়ের সবাই নতুন পোশাক কিনবেই। তবে এ বছর বিভিন্ন পোশাকের দাম গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি চাওয়া হচ্ছে।

যার কারণে আমি একটু সস্তা দামের জিনিসপত্র কেনাকাটা করছি।’এদিকে কথা হয় সরাইল মার্কেট থেকে ফারুক নামের অপর একজন ক্রেতার সঙ্গে। ঈদের পোশাক কিনছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ছুটি থাকায় ঈদের বাজার ঘুরতে এসে নিজের জন্য একটি জিন্স ও একটি শার্ট কিনেছি। আমার বাড়ি সদরে, তবে কর্মসূত্রে বসবাস করায় দুই বছরে এখানে কেনাকাটা করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি।
পরিবারের অন্য সদস্যদের কেনাকাটা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকেই হবে। শুধু ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার আগে মায়ের জন্য একটি শাড়ি কিনব। ঈদের এখনও বেশ দিন বাকি থাকলেও দেখছি অনেক ক্রেতায় এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তবে পুরুষের তুলনায় এই মার্কেটে নারী ক্রেতার আগমনই বেশি।’
দাম বেশির বিষয়ে জানতে চাইলে একাধিক ব্যবসায়ী দাবি করেন, ঢাকার বিভিন্ন পাইকারি বাজার থেকে মালামাল কিনতে গত বছরের তুলনায় এ বছর সব পোশাকের জন্য দাম বেশি ধরা হয়েছে।