
সরাইলে অতিরিক্ত দামে ওষুধ বিক্রির অভিযোগ

প্রকাশ: ১৯ মার্চ ২০২৪, ৩:৩৬

সরাইল সদর ইউনিয়নের আহমেদ হোসেনের পরিবারকে এ ধরণের অতি প্রয়োজনীয় ওষুধ নিয়মিত কিনতে হয়। যার কারণে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে পরিবারটিকে। তিনি বলছিলেন, "আমার বাচ্চার ওষুধ যদি দু'হাজার থেকে চার হাজার টাকা হয়ে যায়, আমার বাবার ওষুধের দাম যদি তিন থেকে ছয় হাজার টাকা হয়, তাহলে আমার মাসে চলবো কীভাবে? আমাদের রোজগারই বা কতোটুকু।
ওষুধ বাদ দিলে তো হাসপাতালে দৌড়তে হবে। সেই অবস্থাও তো নেই। ওষুধ তো বাদ দেয়া সম্ভব না।" এমন কথা অনেক পরিবারের সদস্যদের।নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়লে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

সর্বত্র সমালোচনার ঝড় উঠে। এক্ষেত্রে ওষুধ হয়ে গেছে ব্যতিক্রম। নীরবে ঔষধের দাম বাড়লে কোথাও তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে না। অথচ প্রয়োজনীয় সব ঔষধের দাম একটু একটু করে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। নানা কারণ দেখিয়ে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি গুলো ঔষধের দাম বাড়াচ্ছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ওষুধের দাম। সরকারি হাসপাতালে প্যারাসিটামল সহ কয়েকটি আইটেমের মতো সাধারণ কিছু ওষুধ পাচ্ছেন রোগীরা। বাকিটা বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে অতিরিক্ত দামে।

সাধারণ মানুষের অভিযোগ, ফার্মেসিতে ইচ্ছেমতো দাম রাখা হচ্ছে। নজরুল বলেন, যে ট্যাবলেট আগে ছিল ৫ টাকা এখন ৮ টাকা এমন অসংখ্য ওষুধের দাম বেড়েছে । নাকের চোখের ড্রপ সহ অনেক ওষুধের দাম বাড়ছে। দুর্মূল্যের বাজারে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সব ধরনের ওষুধের দাম। ফার্মেসিতে প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনতে গিয়ে রীতিমত ধাক্কা খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। ৫০ থেকে ৬০ টাকা কিংবা তারও বেশি বেড়েছে কোন কোন ওষুধের দাম।সরকারি হাসপাতালেও মিলছে না প্রয়োজনীয় ওষুধ।
বাধ্য হয়ে যেতে হচ্ছে ফার্মেসিতে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির এই বাজারে তাই হাসফাস অবস্থা রোগী ও তার স্বজনদের। পুরনো ওষুধ নতুন দামে বিক্রির অভিযোগও করেন কেউ কেউ।নেয়া হচ্ছে ইচ্ছে মতো দাম, নেই কোনো নজরদারিও।দাম বৃদ্ধির কথা স্বীকার করে ফার্মেসি ব্যবসায়ীরাও জানালেন তাদের অসহায়ত্বের কথা।

অভিযোগের আঙুল তুললেন কোম্পানিগুলোর দিকে।ওষুধ কিনতে এসে রফিক মিয়া জানান, সব পণ্যের ক্যাশ মেমো আছে। ওষুধ বিক্রেতাদের আছে শুধু ক্যালকুলেটর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী হাসান এ প্রতিনিধিকে বলেন, ওষুধের দাম নির্ধারণ করে তাকে সাধারণত ওষুধ কোম্পানি গুলো।ক্রেতাদের কাছে আমাদের অনুরোধ, যদি কোনো অসাধু ব্যবসায়ী প্রকৃত মূল্যের চেয়ে ওষুধের দাম বেশি রাখে তবে প্রমাণসহ যেনো ভোক্তা অধিকার অধিদফতরে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন,আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।আমরা নিয়মিত বাজার তদারকি করছি।

সর্বশেষ সংবাদ
