
প্রকাশ: ১৭ নভেম্বর ২০২৩, ১:৪৪

বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ উপকূলীয় এলাকায় চলোমান গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সাগর ও সংলগ্ন নদনদী এখন তীব্র উত্তাল। এঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিশাত নামক একটি মাছ ধরার ফিসিং বোর্ড ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও ২০টি ট্রলারসহ দুই শতাধিক জেলে এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে। শুক্রবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী।
ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বঙ্গোপসাগর মোহনায় বরগুনার পাথরঘাটার ছালাম মিয়ার এফবি নিশাত নামের ওই মাছ ধরা ট্রলারটি দমকা হাওয়ার ঝাপ্টায় উল্টে যায়। এসময় পাশে অবস্থানরত অন্যান্য ট্রলারের জেলেরা তাদের উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যায়। এছাড়াও পাথরঘাটা উপজেলার ২০টি মাছ ধরার ট্রলা সহ আড়াইশোর মতো জেলের কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
তিনি আরো জানান, সুন্দরবন এলাকার বিভিন্ন খালে শতাধিক ট্রলার নিরাপদ আশ্রয়ে আশ্রয় নিয়েছে। নিখোঁজ জেলে ও ট্রলারের খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে।দক্ষিণ স্টেশনে কোষ্টগার্ড সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ ট্রলার ও জেলেদের খোঁজ নিতে অন্যান্য স্টেশনকে অবগত করা হয়েছে।

এদিকে ঘুর্নিঝড় মিধিলি সকাল ৯ টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪১৫ কি.মি. পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৯৫ কি.মি. পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ২৬৫ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৭০ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে বলে জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।এজন্য পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
এছাড়াও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা লক্ষীপুর, ফেনী, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩-৫ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ু তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে।