প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৩, ১:৯
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে হহত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সফিকুল ইসলাম সফি (৩২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সফি ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের আঙ্গারীয়া এলাকার ঝালেম উদ্দিনের ছেলে। গত শুক্রবার দুপুরে ঢাকার মিরপুর থানার দোয়ারীপাড়া এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি রুহুল আমিন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, কিছুদিন আগে ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের আঙ্গারীয়া এলাকার আজিজুল হকের ছেলে শাহীন আলমের (৩৫) বাড়ি থেকে একটি মোবাইল ফোন চুরি হয়ে যায়। সে গত ১৩ অক্টোবর শুক্রবার মোবাইল ফোনের সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হয়ে দুই দিন নিখোঁজ থাকে।
পরে ১৫ অক্টোবর রোববার সকালে স্থানীয়রা ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের সনাতন পাড়া এলাকার একটি ধান ক্ষেতে শাহীনের বস্তাবন্দি লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই সিদ্দিক আলম বাদী হয়ে সন্দেহভাজন সফিকুল ইসলাম সফি, সফির মামা নূর মোহাম্মদ ও মা সখিনা বেগমকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ আরও জানায়, হত্যাকা-ে জড়িত মূল আসামী সফি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে গত ১৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের বারাইটারী এলাকার সনাতন পাড়ার একটি সুপারি বাগানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে শাহিন হত্যা করে। পরে সে শাহিনের লাশ বস্তায় ভরে সনাতন পাড়ার একটি ধান ক্ষেতে রেখে দেয়। হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র সেখানকার একটি পুকুরে ফেলে দেয়।
নিহতের ভাই ও মামলার বাদি সিদ্দিক আলম বলেন, আমার ভাইকে যে হত্যা করেছে তার দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।
ভূরুঙ্গামারী ও কচাকাটা সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার মোর্শেদুল হাসান পিপিএম বলেন, মোবাইল চুরিকে কেন্দ্র করে হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটেছে। মোবাইল ট্রেকিংয়ের মাধ্যমে হত্যাকা-ে জড়িত মূল আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত সফি একাই হত্যাকা- ঘটিয়েছে। তার স্বীকারোক্তিতে বারাইটারী এলাকার সনাতন পাড়ার একটি পুকুর থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।