প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২১, ২৩:৩৬
বরিশালে সীমিত লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে রাস্তাঘাটে মানুষজনের চলাচল বেড়েছে। দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধের সুযোগে রিক্সা, ব্যাটারি চালিত রিক্সা, অটোরিক্সা এবং থ্রি হুইলারে দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়ায় চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন মানুষ।
অপরদিকে প্রশাসনের শিথিলতার সুযোগে নিত্য পণ্য এবং ওষুধের দোকান ছাড়াও অন্যান্য দোকানপাঠ খুলতে শুরু করেছে।
তবে মাস্ক ব্যতিত রাস্তায় বের হলে এবং অপ্রয়োজনীয় দোকান খুললে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারী দিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান। করোনা সংক্রামণ বেড়ে যাওয়ায় গত সোমবার থেকে সারা দেশে সীমিত পরিসরে লকডাউন ঘোষণা করে সরকার।
এই ঘোষণার প্রথম দিন গত সোমবার বরিশালের রাস্তাঘাটে মানুষ এবং অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচল ছিলো কম। তবে প্রশাসনের শিথিলতার সুযোগে মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনে রাস্তায় বেড়েছে মানুষের চলাচল। রিক্সা, অটোরিক্সা এবং থ্রি হুইলারে গন্তব্যে যাচ্ছেন তারা।
দূরপাল্লা এবং অভ্যন্তরীন রুটের বাস বন্ধ থাকায় ভেঙ্গে ভেঙ্গে স্বল্প দূরত্বে গিয়ে ফের পরবর্তী গন্তব্যে যাচ্ছেন জরুরী প্রয়োজনে রাস্তায় বের হওয়া মানুষ। এ ক্ষেত্রে গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া। অতিরিক্ত ভাড়া দেয়ার সামর্থ না থাকায় অনেকে হেটেই যাচ্ছেন গন্তব্যে।
এদিকে সোমবার প্রথম দিনের চেয়ে মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিন বরিশাল নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অনেক দোকানপাঠ খুলেছে। নগরীর সদর রোড সহ বিভিন্ন এলাকায় এক শাটার খোলা রেখে চশমা, পোষাক এবং প্রসাধনীর দোকানে বেচা-বিক্রি করতে দেখা গেছে। এছাড়া নগরীর সব এলাকায় খোলা রাখা হয়েছে চায়ের দোকান। তবে প্রশাসনের তরফ থেকে এসব দোকান বন্ধের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি।
অপরদিকে নিত্য পণ্যের বাজারের আগের কয়েক দিনের চেয়ে ভীর কিছুটা কমেছে। লকডাউনের অজুহাতে পিয়াজ, রোশন, আঁদা, আলুর পর এবার বরিশালের বাজারে বেড়েছে কাঁচা তরকারির দাম।