সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ঘুর্ণিঝড় ইয়াস এর প্রভাবে জোয়ারে নদীর পানি বৃদ্ধি হয়ে সৃষ্ট জলোচ্ছাস ও বেড়ি বাঁধ ভাঙ্গন কবলিত হওয়ায় বিস্তির্ণ জলমগ্ন হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সার্ধিত হয়েছে। শত শত পরিবার আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে জানা যায়, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কালিন্দী নদীর ৫নং পোল্ডার অধীন হাড়দ্দহা পয়েন্টে ২৬ মে দুপুর ১২টার দিকে কয়েকটি পয়েন্টে নদীর জোয়ারের পানিতে সৃষ্টি জলোচ্ছাসে বেড়ি বাঁধ ভেঙ্গে জোয়ারের পানি পাশ্ববর্তী হাড়দ্দহা, চিংড়ী, শীতলপুর, এলাকার ঢুকে পড়ে। ফলে শত শত মৎস্য ঘেরী ও বসত বাড়ি পানির নীচে তলীয়ে যায়। ফলে শত শত চিংড়ী ঘেরী কোটি কোটি টাকার মাছের ক্ষতি সার্ধিত হয়।
কিছুদুরে অবস্থিত চিংড়ী বেড়ি বাঁধটি স্থানীয় এলাকাবাসী বালির বস্তা দিয়ে দিন ভর কাজ করে সংষ্কার করে। এদিকে একই ভাবে কালীগঞ্জের কাঁকশিয়ালী, গলঘষিয়া ও ইছামতি নদীতে সৃষ্ট জলোচ্ছাসে ভেঁড়ী বাঁধ উপচিয়ে জোয়ারের পানি এলাকায় ঢুকে পড়ে। ফলে নাজিমগঞ্জ বাজার, কাঁকশিয়ালী বাজার, উপজেলা ভুমি অফিস, উপজেলা সদর ইউনিয়ন ভুমি অফিস সহ বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। ফলে নাজিমগঞ্জ ও কাঁকশিয়ালী বাজারের দোকানীদের লক্ষ লক্ষ টাকার মালামাল পানিতে তলিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
বিকালে সৃষ্ট ভাটার টানে কিছু পানি কমলেও রাত্রে সৃষ্ট সম্ভাব্য তীব্র পূর্নিমার জোয়ারের পানিতে আবারো জলোচ্ছাসের সম্ভাবনায় গোটা এলাকাবাসী আতংকিত। বিকালে হাড়দ্দহা ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার খন্দকার রবিউল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন খান।