শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

শবে বরাতের ফজিলত ও করণীয়

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৭:২৫

শেয়ার করুনঃ
শবে বরাতের ফজিলত ও করণীয়

শবে বরাত ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাত, যা শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে পালিত হয়। এই রাতকে কোরআনে ‘লাইলাতুম মুবারাকা’ বা বরকতময় রাত হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বিভিন্ন হাদিসে বলা হয়েছে, এ রাতে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি বিশেষ রহমতের দৃষ্টি দেন এবং অগণিত মানুষকে ক্ষমা করেন। তবে শর্ত হলো, মানুষকে সত্যিকারের অনুতপ্ত হয়ে তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। এ রাত সম্পর্কে ভ্রান্তি থাকলেও বিশুদ্ধ হাদিস ও কোরআনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের সময়।  

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, শাবান মাসের মধ্য রাতে আল্লাহ প্রথম আসমানে নেমে এসে ডাকতে থাকেন, 'কোনো ক্ষমাপ্রার্থী আছে কি? আমি তাকে ক্ষমা করব। কোনো রিজিক অন্বেষণকারী আছে কি? আমি তাকে রিজিক প্রদান করব।' এভাবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা সুবহে সাদিক পর্যন্ত বান্দাদের ডাকতে থাকেন। তবে মুশরিক ও হিংসুক ব্যক্তিরা এ ক্ষমা থেকে বঞ্চিত হয়। এই হাদিসের সত্যতা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা একমত, এবং এটি গ্রহণযোগ্য বলে প্রমাণিত হয়েছে।  

শবে বরাতে বিশেষ কিছু আমল করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘১৪ শাবানের রাতে নামাজ ও ইবাদতে রাত কাটাও এবং দিনে রোজা রাখো।’ সাহাবিরা এই রাতের বিশেষ গুরুত্ব সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) থেকে বিভিন্ন হাদিস বর্ণনা করেছেন। বিশেষ করে হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণিত একটি হাদিসে উল্লেখ আছে, এক রাতে রাসুলুল্লাহ (সা.) দীর্ঘ সময় সিজদায় থাকেন, যা দেখে আয়েশা (রা.) ভাবেন তিনি হয়তো মৃত্যুবরণ করেছেন। পরে রাসুল (সা.) জানান, এটি শাবানের মধ্য রাত, যখন আল্লাহ বান্দাদের প্রতি বিশেষ দয়া বর্ষণ করেন।  

এই রাতকে 'বরকতময়' বলার অন্যতম কারণ হলো, এ রাতে ভাগ্য নির্ধারিত হয়। কিছু তাফসিরবিদের মতে, এই রাতেই মানুষের ভাগ্য সম্পর্কিত নানা বিষয় নির্ধারিত হয়, যেমন জন্ম, মৃত্যু ও জীবিকার হিসাব। ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, এ রাতে আল্লাহ পরবর্তী এক বছরের জন্য যাবতীয় ফয়সালা করেন। যদিও কিছু ইসলামি পণ্ডিত শবে বরাতের পরিবর্তে শবে কদরকে ভাগ্য নির্ধারণের রাত বলে মত দেন, তবে অনেক বিশিষ্ট হাদিস বিশারদ শবে বরাতের বিশেষ মর্যাদার কথা উল্লেখ করেছেন।  

https://enews71.com/storage/ads/01KE26RV3X2DEVSK9FXGRJNSKS.png

শবে বরাত
https://enews71.com/storage/ads/01JR36BQSKCPE69WB8Z3TARXE3.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01JR3CX28Y9BM01PRE4TXCNDWF.jpg

শবে বরাতের অন্যতম সুন্নত আমল হলো ইবাদতে রাত কাটানো, বেশি বেশি তওবা করা, দরুদ পাঠ, কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) রাতে নামাজ আদায় করতেন এবং উম্মতকেও উৎসাহিত করতেন। এ রাতে ক্ষমা প্রার্থনা, রোগমুক্তির দোয়া, পার্থিব ও আধ্যাত্মিক কল্যাণ কামনা করা উচিত। এছাড়া, শবে বরাত উপলক্ষে কবর জিয়ারতের বিশেষ ফজিলতের কথাও বর্ণিত হয়েছে, কারণ রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজেও এ রাতে কবরস্থানে গিয়ে দোয়া করেছেন।  

তবে শবে বরাত উপলক্ষে অতি আনুষ্ঠানিকতা, আতশবাজি, আনন্দোৎসব বা কুসংস্কারমূলক কাজ ইসলাম সমর্থন করে না। অনেক মানুষ ভুল ধারণায় এই রাতে বিশেষ খাবার বিতরণ ও সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনকে ইবাদতের অংশ মনে করে, যা ইসলামের মূল শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং এ রাতের প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা লাভের জন্য একনিষ্ঠভাবে ইবাদত করা।  

এ রাতের করণীয় সম্পর্কে আলেমরা বলেন, কেউ চাইলে নফল নামাজ আদায় করতে পারেন, তবে নির্দিষ্ট কোনো রাকাত সংখ্যা বাধ্যতামূলক নয়। যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে নামাজ ও ইবাদত থেকে দূরে ছিলেন, তাঁদের জন্য এটি ফিরে আসার একটি সুবর্ণ সুযোগ। এ রাতের ফজিলত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য কোরআন ও হাদিসের বিশুদ্ধ ব্যাখ্যার ওপর নির্ভর করাই শ্রেয়। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই পবিত্র রাতে যথাযথ ইবাদত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সর্বশেষ সংবাদ

স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন দেশের গর্বিত কৃতী ব্যক্তিত্বরা

স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন দেশের গর্বিত কৃতী ব্যক্তিত্বরা

মানসিক দুর্বলতাকে পুঁজি করে কিশোরীকে প্রতারণা, ভূয়া তান্ত্রিক গ্রেপ্তার

মানসিক দুর্বলতাকে পুঁজি করে কিশোরীকে প্রতারণা, ভূয়া তান্ত্রিক গ্রেপ্তার

যুদ্ধবিরতি কূটনীতিতে কাতার সফরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

যুদ্ধবিরতি কূটনীতিতে কাতার সফরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু

দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু

নিরপেক্ষ নির্বাচিত সংসদ দেশকে এগিয়ে নিতে সক্ষম: স্পিকার

নিরপেক্ষ নির্বাচিত সংসদ দেশকে এগিয়ে নিতে সক্ষম: স্পিকার

জনপ্রিয় সংবাদ

খনন প্রকল্পেও কাটেনি মৌলভীবাজারের শাখা বরাক নদীর নাব্যতা সংকট

খনন প্রকল্পেও কাটেনি মৌলভীবাজারের শাখা বরাক নদীর নাব্যতা সংকট

দৌলতদিয়ায় অপচিকিৎসায় ভুগছে সুজন, চিকিৎসা সহায়তার আবেদন

দৌলতদিয়ায় অপচিকিৎসায় ভুগছে সুজন, চিকিৎসা সহায়তার আবেদন

১৫ বছর পর অতিরিক্ত ডিআইজি হলেন সেই কোহিনূর মিয়া !

১৫ বছর পর অতিরিক্ত ডিআইজি হলেন সেই কোহিনূর মিয়া !

গোয়ালন্দে মায়ের ওপর মাদকাসক্ত ছেলের হামলা

গোয়ালন্দে মায়ের ওপর মাদকাসক্ত ছেলের হামলা

হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে ইরানের নিয়ন্ত্রণাধীন, টোল দিতে হবে রিয়ালে

হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে ইরানের নিয়ন্ত্রণাধীন, টোল দিতে হবে রিয়ালে

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

জিলক্বদ মাসে ইবাদতের প্রস্তুতির বার্তা

জিলক্বদ মাসে ইবাদতের প্রস্তুতির বার্তা

আরবি চান্দ্র বছরের একাদশ মাস জিলক্বদ মুসলমানদের জন্য এক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচিত। হজের তিন মাসের মধ্যে এটি দ্বিতীয় মাস এবং একই সঙ্গে হারাম মাসগুলোর একটি, যেখানে ইবাদত, সংযম ও আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব বিশেষভাবে আলোচিত হয়। ইসলামের ইতিহাস ও শরিয়তের আলোকে জিলক্বদ মাসকে বিশ্রাম ও প্রস্তুতির সময় বলা হয়। রজব, শাবান, রমজান ও শাওয়াল মাসে ধারাবাহিক ইবাদতের পর এই মাস মুমিনের

নামায পরিত্যাগের ভয়াবহ পরিণতি

নামায পরিত্যাগের ভয়াবহ পরিণতি

"নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা'দ" প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি আপনাদের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই নামায আদায় না করার কি শাস্তি হবে! সেই সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা সংকিপ্ত আকারে তুলে ধরছি, "ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ" -ঈমান আনয়নের পর মুমিন বান্দাদের জন্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবশ্যপালনীয় ইবাদাত হচ্ছে পাঁচ ওয়াক্ত নামায। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর থেকে ধনী-গরিব নির্বিশেষে

বিদায়ের সুরে রমজান, শেষ জুমায় ইবাদতের ছোঁয়া

বিদায়ের সুরে রমজান, শেষ জুমায় ইবাদতের ছোঁয়া

আজ ২০ মার্চ পবিত্র রমজান মাসের শেষ শুক্রবার, জুমাতুল বিদা। সারাদেশে দিনটি যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, মর্যাদা ও ইবাদতের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে। ‘জুমাতুল বিদা’ শব্দটি আরবি, যেখানে ‘বিদা’ অর্থ বিদায়—অর্থাৎ রমজানের শেষ জুমা। মুসলিম বিশ্বের কাছে এই দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের বিভিন্ন মসজিদে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জুমার নামাজ আদায়ের জন্য ভিড় করছেন। নামাজের

পবিত্র শবেকদর আজ

পবিত্র শবেকদর আজ

আজ সোমবার রাতে পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবেকদর পালিত হবে। এই রাত মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত মহিমান্বিত একটি রাত। প্রতিবছর পবিত্র রমজান মাসের ২৬ তারিখ রাতে শবেকদর পালন করা হয়। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে এই রাত কাটান। শবেকদরের এই রাতে পবিত্র কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে। এই রাতকে কেন্দ্র করে কোরআনে ‘আল-কদর’ নামে একটি সুরা নাজিল করা হয়েছে। ‘শবেকদর’ ফারসি শব্দ। শব মানে রাত

বদর দিবসের তাৎপর্য ও মুসলিম উম্মাহর শিক্ষা

বদর দিবসের তাৎপর্য ও মুসলিম উম্মাহর শিক্ষা

ঐতিহাসিক বদর দিবস ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। হিজরি দ্বিতীয় সনের ১৭ রমজানে সংঘটিত বদর যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসে প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত। এই দিনে বদর প্রান্তরে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নেতৃত্বে অল্পসংখ্যক মুসলিম বাহিনী মক্কার কুরাইশদের শক্তিশালী বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে বিজয় অর্জন করে। ইতিহাস থেকে জানা যায়, মক্কার কাফেররা মহানবী (সা.) এবং তাঁর অনুসারীদের মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত