রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

আল্লাহর কাছে গরিব-দুর্বলের মর্যাদা কেমন

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২ ডিসেম্বর ২০২০, ১৫:৪৭

শেয়ার করুনঃ
আল্লাহর কাছে গরিব-দুর্বলের মর্যাদা কেমন
ধর্ম
https://enews71.com/storage/ads/01JR36BQSKCPE69WB8Z3TARXE3.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01JR3CX28Y9BM01PRE4TXCNDWF.jpg

মানুষ গরিব কিংবা অসহায় হলেই কিন্তু মূল্যহীন হয়ে যায় না। তাদেরও রয়েছে সামাজিক মর্যাদা। সাধারণত গরবি ও অসহায় মানুষকে সমাজের লোকজন নিচু দৃষ্টিতে দেখে আর মর্যাদা পায় ক্ষমতাধর-সম্পদশালীরা। আল্লাহর কাছে ধন-সম্পদ কিংবা ক্ষমতাই মর্যাদার মাপকাঠি নয়। তাহলে আল্লাহর কাছে মর্যাদার মাপকাঠী কী? এ সম্পর্কে ইসলামের বক্তব্যই বা কী?সময় ও অবস্থার আলোকে সমাজের কাছে গরিব-অসহায় মানুষ মূল্যহীন হলেও আল্লাহর কাছে তারা মর্যাদাবান। যদি তারা হতে পারে মুত্তাকি বা পরহেজগার। যদি তাদের হৃদয়ে থাকে আল্লাহর ভয়। কেননা আল্লাহর ভয় মানুষকে পথহারা হতে দেয় না। তাইতো কবি গেয়েছেন গান-

‘যাদের হৃদয়ে আছে আল্লাহর ভয়, তারা কভু পথ ভুলে যায় না;

আল্লাহর প্রেম ছাড়া এই দুনিয়ায়, কারো কাছে কোনো কিছু চায় না।

আরও

জমাদিউস সানি মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত

জমাদিউস সানি মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত
রাতের আঁধারে যারা সেজদাতে রয়, দুচোখের অশ্রুতে নদী যেন বয়।

ছলনার হাতছানি যতই আসুক, পেছনে ফিরেও সে তাকায় না।’

আল্লাহর কাছে মর্যাদার মূলভিত্তিই হচ্ছে তাকওয়া বা আল্লাহর ভয়। ধনী-গরিব, সম্পদশালী-অসহায় কোনোটিই মর্যাদার মানদণ্ড নয়। তাকওয়াবান নেককার ব্যক্তির মর্যাদা আল্লাহর কাছে অনেক বেশি, হতে পারে সে গরিব কিংবা ধনী।গরিব-অসহায় মানুষেরও রয়েছে মর্যাদা। এ মর্যাদা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র এমনকি মৃত্যু-দাফন এবং পরবর্তী জীবনেও রয়েছে। ইসলামে এ সম্পর্কে রয়েছে সুস্পষ্ট নির্দেশনা।

সমাজের চোখে মানুষ গরিব কিংবা অসহায় হলে দাম দেয়া হয় না। অভাবে জর্জরিত মানুষ সম্পদশালীর কাছে অবহেলিত, অবজ্ঞার পাত্র। দুর্বল কিংবা অসহায় ব্যক্তি সঠিক পথে থাকলেও সমাজের একশ্রেণীর মানুষ তাদের পক্ষে কথাও বলতে চায় না। তাদের ন্যূনতম সান্ত্বনা দেয়ারও কেউ থাকে না। মানুষের সহযোগিতা থাক দূরের কথা এরা মানুষ হিসেবে অন্য মানুষের ভালোবাসা থেকেও হয় বঞ্চিত। অথচ বিশ্ব মানবতার মুক্তির দূত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অসহায় মানুষের সহায় হওয়ার প্রতি গুরুত্বারো করেছেন। হাদিসে এসেছে-

আরও

সংকটের সময় আল্লাহর উপর ভরসা রাখার শিক্ষা

সংকটের সময় আল্লাহর উপর ভরসা রাখার শিক্ষা

হজরত আবু জর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘আমার বন্ধু মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে সাত কাজের নির্দেশ দিয়েছেন-

- আমি যেন গরিব-মিসকিনকে ভালোবাসি ও তাদের নৈকট্য (ভালোবাসা) লাভ করি।

- আমি যেন ওই ব্যক্তির দিকে তাকাই, যে আমার চেয়ে নিম্ন স্তরের এবং ওই ব্যক্তির দিকে না তাকাই, যে আমার চেয়ে উচ্চ পর্যায়ের।

- আমি যেন আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সদাচরণ করি, যদিও তারা একে ছিন্ন করে।

- আমি যেন কারো কাছে কোনো কিছু প্রত্যাশা না করি।

- আমি যেন সর্বদা ন্যায় ও সত্য কথা বলি, যদিও তা তিক্ত হয়।

- আমি যেন আল্লাহর ব্যাপারে কোনো নিন্দুকের নিন্দাকে ভয় না করি। এবং

- তিনি আমাকে এই নির্দেশই দিয়েছেন যে আমি যেন বেশিরভাগ সময় পড়ি-

لَا حَوْلَ وَ لَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ

উচ্চারণ : ‘লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’

অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি বা কোনো ভরসা নেই।’ কেননা এই শব্দগুলো আরশের নিচের ভাণ্ডার থেকে আগত।’ (মুসনাদে আহমাদ, মিশকাত, ইবনে হিব্বান) nআল্লাহর কাছে গরিব ও দুর্বলের মর্যাদা অনেক বেশি। তাদের কারণেই আল্লাহ তাআলা বান্দাকে দুনিয়ার অনেক নেয়ামত দান করে থাকেন। হাদিসের বর্ণনায় তা প্রমাণিত। তাহলো-

রিজিক লাভ

https://enews71.com/storage/ads/01JQ184AJV9F0T856X9BBSG85X.gif
আল্লাহ তাআলা গরিব, দুঃখী ও দুর্বলদের কারণেই দুনিয়ায় বান্দাকে রিজিক দিয়ে থাকেন। হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু একবার নিজেকে নিম্ন শ্রেণীর মানুষের চেয়ে মর্যাদাশীল মনে করায় প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-

‘দুর্বল লোকদের দোয়ায় তোমাদের সাহায্য করা হয় এবং রিজিক দেয়া হয়।’ (বুখারি, মিশকাত)

সম্পদহীনরাই জান্নাতি

বেশির ভাগ সম্পদহীন ব্যক্তিরাই হবে জান্নাতের অধিবাসী। কেননা সম্পদশালী সাধারণত আল্লাহকে তুলনামূলক কম ভয় করে। আর তারা অহংকারীও হয় না। গরিবরাই আল্লাহকে বেশি ভয় করে। আল্লাহ তাআলা তাকে ভয়কারীদের জান্নাত দেয়ার ওয়াদা করেছেন এবং জান্নাত দেখিয়ে এর সুসংবাদ দিয়েছেন এভাবে-জান্নাতকে উপস্থিত করা হবে খোদাভীরুদের অদূরে। তোমাদের প্রত্যেক অনুরাগী ও স্মরণকারীকে এরই প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল। যে না দেখে দয়াময় আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করত এবং বিনীত অন্তরে উপস্থিত হতো।’ (সুরা ক্বাফ : আয়াত ৩১-৩৩)

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্রাম বলেছেন, ‘আমি কি তোমাদের জান্নাতিদের সম্পর্কে অবহিত করব না? (তারা হলো) প্রত্যেক দুর্বল ব্যক্তি এবং এমন ব্যক্তি, যাকে দুর্বল মনে করা হয়। সে যদি আল্লাহর নামে কসম করে, তাহলে তা তিনি পূর্ণ করে দেন। (তিনি আরো বলেন) আমি কি তোমাদের জাহান্নামিদের সম্পর্কে অবহিত করব না? (তারা হলো) প্রত্যেক রূঢ় স্বভাব, কঠিন হৃদয় ও দাম্ভিক ব্যক্তি।’ (বুখারি ও মুসলিম, মিশকাত) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন, ‘আমি জান্নাতে উঁকি মেরে দেখলাম যে এর বেশির ভাগ অধিবাসী হলো গরিব-মিসকিন। আর জাহান্নামে দেখলাম যে এর বেশির ভাগ নারী।’ (মুসলিম ও মিশকাত)

গরিব, দুর্বল ও অসহায়ের জন্য সবচেয়ে বড় সুখবর হলো-

দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী জীবনে মূল্যহীন থাকলেও আখেরাতের চিরস্থায়ী জীবনে তারা ধনীদের তুলনায় পাঁচশত বছর আগে জান্নাতে যাবে। এমনটিই বলেছেন বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। হাদিসে এসেছে-রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘দরিদ্র মুহাজিররা তাদের ধনীদের চেয়ে ৫০০ বছর আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর তা হলো (আখেরাতের) অর্ধদিনের সমান।’ (তিরমিজি)

মুমিনের করণীয়

সুতরাং গরিব-দুর্বলের ব্যাপারে মুমিন মুসলমানের করণীয় হলো, তাদের অবমূল্যয়ন ও হেয়জ্ঞান করা যাবে না। তাদের ব্যাপারে না করা। তাদের ব্যাপারে যে বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখা জরুরি, তাহলো- অবজ্ঞা না করা গরিব ও দুর্বল হওয়ার কারণে তাদের প্রতি অবজ্ঞা-অবহেলা না করা। কুরআনুল কারিমে এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন-তুমি নিজেকে তাদেরই সংসর্গে রাখো, যারা সকাল ও সন্ধ্যায় তাদের রবকে তাঁর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে আহ্বান করে এবং তুমি পার্থিব জীবনের শোভা কামনা করে তাদের দিক থেকে তোমার দৃষ্টি ফিরিয়ে নিও না।’ (সুরা কাহফ : আয়াত ২৮)

গরিবের প্রতি দৃষ্টি দেয়া

সব মানুষের উচিত ও নৈতিক দায়িত্ব হলো নিজ অবস্থানের চেয়ে নিন্ম স্তরের মানুষের দিকে দয়ার দৃষ্টি দেয়া। নিজের চেয়ে উচ্চ স্তরের কোনো ব্যক্তি বা তার সম্পদের দিকে আক্ষেপের দৃষ্টিতে না তাকানো বরং নিম্ন স্তরের মানুষের দিকে তাকিয়ে নিজের অবস্থার জন্য মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা। হাদিসে এসেছে-হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন তোমাদের কেউ এমন ব্যক্তির দিকে দেখে, যাকে ধন-সম্পদে, স্বাস্থ্য-সামর্থ্যে শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করা হয়েছে, তখন সে যেন নিজের চেয়ে নিম্নমানের ব্যক্তির দিকে তাকায়।’ (বুখারি ও মুসলিম, মিশকাত)

অল্পে সন্তুষ্ট থাকা

যে কোনো অবস্থায় মুমিনের উচিত, অল্পে সন্তুষ্ট থাকা। বেশি আশা না করা। আল্লাহর দেয়া হালাল জীবিকা যত অল্পই হোক; তাতে সন্তুষ্ট থাক এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা। তবেই দুনিয়ার ধন-সম্পদের মোহ তাকে বিভ্রান্ত করতে পারবে না। হাদিসে এসেছে-রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনে, ‘তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি সুস্থ দেহে পরিবার-পরিজনসহ নিরাপদে সকালে উপনীত হয় এবং তার কাছে যদি সারা দিনের খোরাকি থাকে, তাহলে তার জন্য যেন গোটা দুনিয়া একত্রিত করা হলো।’ (ইবনে মাজাহ)

মনে রাখতে হবে

মানুষ গরিব-দুর্বল হলেই তাকে অমর্যাদা করা উচিত নয়; কারণ দুনিয়া যিনি মানুষের কাছে মূল্যহীন হতে সে মহান রবের কাছে অনেক মর্যাদাবান। কেনন কুরআনের ঘোষণায় আল্লাহর ভয়ই মানুষকে মর্যাদার সর্বোচ্চ স্তরে পৌছে দেয়। সে হয়ে ওঠে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি সম্মানিত। তার জন্য ওয়াদা হচ্ছে চিরস্থায়ী জান্নাত।আল্লাহ তাআলা বিশ্ব মানবতার সবাইকে গরিব ও দুর্বলদের প্রতি ভালো ও উত্তম আচরণ করার তাওফিক দান করুন। কুরআন-সুন্নাহর দিকনির্দেশনা মেনে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন।

জনপ্রিয় সংবাদ

২০৩০ সালের মধ্যেই জলবায়ু ঝুঁকিতে দক্ষিণ এশিয়া: বিশ্বব্যাংক

২০৩০ সালের মধ্যেই জলবায়ু ঝুঁকিতে দক্ষিণ এশিয়া: বিশ্বব্যাংক

৪০০ বছরের চাপ: বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা আরও বড় ধাক্কার!

৪০০ বছরের চাপ: বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা আরও বড় ধাক্কার!

ঢাকা মহানগর আদালতে যাত্রা শুরু করল ই-পারিবারিক আদালত

ঢাকা মহানগর আদালতে যাত্রা শুরু করল ই-পারিবারিক আদালত

আগামী ৫ বছরে অর্ধেক মামলার জট কমবে: আইন উপদেষ্টা

আগামী ৫ বছরে অর্ধেক মামলার জট কমবে: আইন উপদেষ্টা

ভারতই বড় বাধা: শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে দ্বিধায় নয়াদিল্লি

ভারতই বড় বাধা: শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে দ্বিধায় নয়াদিল্লি

সর্বশেষ সংবাদ

প্রথমবার প্রবাসীদের পোস্টাল ভোট: নিবন্ধন ছাড়ালো ৯২ হাজার

প্রথমবার প্রবাসীদের পোস্টাল ভোট: নিবন্ধন ছাড়ালো ৯২ হাজার

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রধান শিরোনাম: ‘অত্যন্ত সংকটাপন্ন’ খালেদা জিয়া হাসপাতালে

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রধান শিরোনাম: ‘অত্যন্ত সংকটাপন্ন’ খালেদা জিয়া হাসপাতালে

ভূঞাপুরে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের কর্মবিরতি

ভূঞাপুরে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের কর্মবিরতি

সমুদ্রে চলন্ত জাহাজে হঠাৎ ইলিশের ঝাঁপ, তিন মণ সংগ্রহ, ভিডিও ভাইরাল

সমুদ্রে চলন্ত জাহাজে হঠাৎ ইলিশের ঝাঁপ, তিন মণ সংগ্রহ, ভিডিও ভাইরাল

কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার ছায়া নৌবহরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, ছিলেন বাংলাদেশী ৪ নাবিক

কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার ছায়া নৌবহরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, ছিলেন বাংলাদেশী ৪ নাবিক

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

সুন্দর ব্যবহার ও আচরণের বিনিময়ে জান্নাত

সুন্দর ব্যবহার ও আচরণের বিনিময়ে জান্নাত

মানুষের একটি ভালো কথা যেমন একজনের মন জয় করে নিতে পারে,তেমনি একটু খারাপ বা অশোভন আচরণ মানুষের মনে কষ্ট আসে।সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ হিসেবে আমাদের উচিৎ সর্বদা মানুষের সঙ্গে ভালো ও সুন্দরভাবে কথা বলা। সুন্দর ব্যবহার ও আচার-আচরণ বলতে আমরা বুঝি কারও সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলা,দেখা হলে সালাম দেওয়া,কুশলাদি জিজ্ঞেস করা,কর্কশ ভাষায় কথা না বলা, ঝগড়া-ফ্যাসাদে লিপ্ত না হওয়া,ধমক বা রাগের সুরে কথা

জমাদিউস সানি মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত

জমাদিউস সানি মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত

আরবি বর্ষপঞ্জির হিজরি সনের ষষ্ঠ মাস হলো জমাদিউস সানি। এর জোড়া মাস হলো ‘জমাদিউল আউয়াল’। এটি হিজরি সনের পঞ্চম মাস। এর বাংলা অর্থ হলো প্রথম জুমাদা ও দ্বিতীয় জুমাদা বা প্রথম শীত ও দ্বিতীয় শীত; অর্থাৎ শীতকালের প্রথম মাস ও শীতকালের দ্বিতীয় মাস। আরবে তৎকালে এই দুই মাস ছিল শীতকাল। আরবিতে মাস দুটির নাম হলো ‘আল জুমাদাল উলা’ ও ‘আল

হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন, বাংলাদেশ থেকে সুযোগ পাবেন ৭৮,৫০০ জন

হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন, বাংলাদেশ থেকে সুযোগ পাবেন ৭৮,৫০০ জন

২০২৬ সালের হজযাত্রী নিবন্ধন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামি হজ মৌসুমে বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের সুযোগ পাবেন। রোববার (১৬ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. তফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিবন্ধিত হজযাত্রীরা এখন হজ পোর্টালের (hajj.gov.bd) মাধ্যমে পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে তাদের তথ্য যাচাই করতে পারবেন।

দিনের শুরুতে যে দোয়া পড়তেন নবিজি (সা.)

দিনের শুরুতে যে দোয়া পড়তেন নবিজি (সা.)

দিনের শুরুতে ফজরের নামাজের সালাম ফেরানোর পরপর এ দোয়া পড়তেন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। এ আমলটি প্রত্যেক মুমিন মুসলমানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার। কেননা মুমিন মুসলমানের তো হালাল রিজিক, উপকারী জ্ঞান, কবুলযোগ্য আমলই জীবনে একমাত্র চাওয়া-পাওয়া। হাদিসের বর্ণনায় দোয়াটি এভাবে এসেছে- হজরত উম্মু সালামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের নামাজ পড়ে সালাম ফিরিয়ে (প্রতিদিন

আল্লাহর পরিচয় ও কর্তৃত্ব: কুরআনের আলোকে ব্যাখ্যা

আল্লাহর পরিচয় ও কর্তৃত্ব: কুরআনের আলোকে ব্যাখ্যা

আল্লাহ কে? এই প্রশ্ন মানবজাতির চিরন্তন অনুসন্ধান। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী এই বিষয়ে পবিত্র কুরআনের আলোকে তুলে ধরেছেন মহান আল্লাহর পরিচয়, কর্তৃত্ব ও মানুষের প্রতি তার নির্দেশনার প্রকৃত রূপ। কুরআনের সূরা ইউনুসের তৃতীয় আয়াতে আল্লাহ নিজেই জানিয়েছেন, তিনি আসমান-যমীন সৃষ্টি করেছেন এবং বিশ্বজগতের শাসনকর্তা হিসেবে সমাসীন আছেন। তিনি বলেন, সৃষ্টির পর আল্লাহ কোনোভাবেই নিস্ক্রিয় নন বরং তিনি নিয়ন্ত্রণ করছেন প্রতিটি ঘটনার