শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬১৬ ফাল্গুন, ১৪৩২
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

আল্লাহর কাছে গরিব-দুর্বলের মর্যাদা কেমন

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২ ডিসেম্বর ২০২০, ১৫:৪৭

শেয়ার করুনঃ
আল্লাহর কাছে গরিব-দুর্বলের মর্যাদা কেমন

মানুষ গরিব কিংবা অসহায় হলেই কিন্তু মূল্যহীন হয়ে যায় না। তাদেরও রয়েছে সামাজিক মর্যাদা। সাধারণত গরবি ও অসহায় মানুষকে সমাজের লোকজন নিচু দৃষ্টিতে দেখে আর মর্যাদা পায় ক্ষমতাধর-সম্পদশালীরা। আল্লাহর কাছে ধন-সম্পদ কিংবা ক্ষমতাই মর্যাদার মাপকাঠি নয়। তাহলে আল্লাহর কাছে মর্যাদার মাপকাঠী কী? এ সম্পর্কে ইসলামের বক্তব্যই বা কী?সময় ও অবস্থার আলোকে সমাজের কাছে গরিব-অসহায় মানুষ মূল্যহীন হলেও আল্লাহর কাছে তারা মর্যাদাবান। যদি তারা হতে পারে মুত্তাকি বা পরহেজগার। যদি তাদের হৃদয়ে থাকে আল্লাহর ভয়। কেননা আল্লাহর ভয় মানুষকে পথহারা হতে দেয় না। তাইতো কবি গেয়েছেন গান-

‘যাদের হৃদয়ে আছে আল্লাহর ভয়, তারা কভু পথ ভুলে যায় না;

আল্লাহর প্রেম ছাড়া এই দুনিয়ায়, কারো কাছে কোনো কিছু চায় না।

আরও

মেরাজের রজনীতে হাবিব ও মাহবুবের একান্ত সাক্ষাৎ: দুধরচকী

মেরাজের রজনীতে হাবিব ও মাহবুবের একান্ত সাক্ষাৎ: দুধরচকী
রাতের আঁধারে যারা সেজদাতে রয়, দুচোখের অশ্রুতে নদী যেন বয়।

ছলনার হাতছানি যতই আসুক, পেছনে ফিরেও সে তাকায় না।’

আল্লাহর কাছে মর্যাদার মূলভিত্তিই হচ্ছে তাকওয়া বা আল্লাহর ভয়। ধনী-গরিব, সম্পদশালী-অসহায় কোনোটিই মর্যাদার মানদণ্ড নয়। তাকওয়াবান নেককার ব্যক্তির মর্যাদা আল্লাহর কাছে অনেক বেশি, হতে পারে সে গরিব কিংবা ধনী।গরিব-অসহায় মানুষেরও রয়েছে মর্যাদা। এ মর্যাদা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র এমনকি মৃত্যু-দাফন এবং পরবর্তী জীবনেও রয়েছে। ইসলামে এ সম্পর্কে রয়েছে সুস্পষ্ট নির্দেশনা।

সমাজের চোখে মানুষ গরিব কিংবা অসহায় হলে দাম দেয়া হয় না। অভাবে জর্জরিত মানুষ সম্পদশালীর কাছে অবহেলিত, অবজ্ঞার পাত্র। দুর্বল কিংবা অসহায় ব্যক্তি সঠিক পথে থাকলেও সমাজের একশ্রেণীর মানুষ তাদের পক্ষে কথাও বলতে চায় না। তাদের ন্যূনতম সান্ত্বনা দেয়ারও কেউ থাকে না। মানুষের সহযোগিতা থাক দূরের কথা এরা মানুষ হিসেবে অন্য মানুষের ভালোবাসা থেকেও হয় বঞ্চিত। অথচ বিশ্ব মানবতার মুক্তির দূত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অসহায় মানুষের সহায় হওয়ার প্রতি গুরুত্বারো করেছেন। হাদিসে এসেছে-

আরও

যেসব সম্পদের ওপর জাকাত ফরজ

যেসব সম্পদের ওপর জাকাত ফরজ

হজরত আবু জর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘আমার বন্ধু মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে সাত কাজের নির্দেশ দিয়েছেন-

- আমি যেন গরিব-মিসকিনকে ভালোবাসি ও তাদের নৈকট্য (ভালোবাসা) লাভ করি।

- আমি যেন ওই ব্যক্তির দিকে তাকাই, যে আমার চেয়ে নিম্ন স্তরের এবং ওই ব্যক্তির দিকে না তাকাই, যে আমার চেয়ে উচ্চ পর্যায়ের।

- আমি যেন আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সদাচরণ করি, যদিও তারা একে ছিন্ন করে।

- আমি যেন কারো কাছে কোনো কিছু প্রত্যাশা না করি।

- আমি যেন সর্বদা ন্যায় ও সত্য কথা বলি, যদিও তা তিক্ত হয়।

- আমি যেন আল্লাহর ব্যাপারে কোনো নিন্দুকের নিন্দাকে ভয় না করি। এবং

- তিনি আমাকে এই নির্দেশই দিয়েছেন যে আমি যেন বেশিরভাগ সময় পড়ি-

لَا حَوْلَ وَ لَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ

উচ্চারণ : ‘লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’

অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি বা কোনো ভরসা নেই।’ কেননা এই শব্দগুলো আরশের নিচের ভাণ্ডার থেকে আগত।’ (মুসনাদে আহমাদ, মিশকাত, ইবনে হিব্বান) nআল্লাহর কাছে গরিব ও দুর্বলের মর্যাদা অনেক বেশি। তাদের কারণেই আল্লাহ তাআলা বান্দাকে দুনিয়ার অনেক নেয়ামত দান করে থাকেন। হাদিসের বর্ণনায় তা প্রমাণিত। তাহলো-

রিজিক লাভ

https://enews71.com/storage/ads/01KE26RV3X2DEVSK9FXGRJNSKS.png
আল্লাহ তাআলা গরিব, দুঃখী ও দুর্বলদের কারণেই দুনিয়ায় বান্দাকে রিজিক দিয়ে থাকেন। হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু একবার নিজেকে নিম্ন শ্রেণীর মানুষের চেয়ে মর্যাদাশীল মনে করায় প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-

‘দুর্বল লোকদের দোয়ায় তোমাদের সাহায্য করা হয় এবং রিজিক দেয়া হয়।’ (বুখারি, মিশকাত)

সম্পদহীনরাই জান্নাতি

বেশির ভাগ সম্পদহীন ব্যক্তিরাই হবে জান্নাতের অধিবাসী। কেননা সম্পদশালী সাধারণত আল্লাহকে তুলনামূলক কম ভয় করে। আর তারা অহংকারীও হয় না। গরিবরাই আল্লাহকে বেশি ভয় করে। আল্লাহ তাআলা তাকে ভয়কারীদের জান্নাত দেয়ার ওয়াদা করেছেন এবং জান্নাত দেখিয়ে এর সুসংবাদ দিয়েছেন এভাবে-জান্নাতকে উপস্থিত করা হবে খোদাভীরুদের অদূরে। তোমাদের প্রত্যেক অনুরাগী ও স্মরণকারীকে এরই প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল। যে না দেখে দয়াময় আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করত এবং বিনীত অন্তরে উপস্থিত হতো।’ (সুরা ক্বাফ : আয়াত ৩১-৩৩)

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্রাম বলেছেন, ‘আমি কি তোমাদের জান্নাতিদের সম্পর্কে অবহিত করব না? (তারা হলো) প্রত্যেক দুর্বল ব্যক্তি এবং এমন ব্যক্তি, যাকে দুর্বল মনে করা হয়। সে যদি আল্লাহর নামে কসম করে, তাহলে তা তিনি পূর্ণ করে দেন। (তিনি আরো বলেন) আমি কি তোমাদের জাহান্নামিদের সম্পর্কে অবহিত করব না? (তারা হলো) প্রত্যেক রূঢ় স্বভাব, কঠিন হৃদয় ও দাম্ভিক ব্যক্তি।’ (বুখারি ও মুসলিম, মিশকাত) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন, ‘আমি জান্নাতে উঁকি মেরে দেখলাম যে এর বেশির ভাগ অধিবাসী হলো গরিব-মিসকিন। আর জাহান্নামে দেখলাম যে এর বেশির ভাগ নারী।’ (মুসলিম ও মিশকাত)

গরিব, দুর্বল ও অসহায়ের জন্য সবচেয়ে বড় সুখবর হলো-

দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী জীবনে মূল্যহীন থাকলেও আখেরাতের চিরস্থায়ী জীবনে তারা ধনীদের তুলনায় পাঁচশত বছর আগে জান্নাতে যাবে। এমনটিই বলেছেন বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। হাদিসে এসেছে-রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘দরিদ্র মুহাজিররা তাদের ধনীদের চেয়ে ৫০০ বছর আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর তা হলো (আখেরাতের) অর্ধদিনের সমান।’ (তিরমিজি)

মুমিনের করণীয়

সুতরাং গরিব-দুর্বলের ব্যাপারে মুমিন মুসলমানের করণীয় হলো, তাদের অবমূল্যয়ন ও হেয়জ্ঞান করা যাবে না। তাদের ব্যাপারে না করা। তাদের ব্যাপারে যে বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখা জরুরি, তাহলো- অবজ্ঞা না করা গরিব ও দুর্বল হওয়ার কারণে তাদের প্রতি অবজ্ঞা-অবহেলা না করা। কুরআনুল কারিমে এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন-তুমি নিজেকে তাদেরই সংসর্গে রাখো, যারা সকাল ও সন্ধ্যায় তাদের রবকে তাঁর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে আহ্বান করে এবং তুমি পার্থিব জীবনের শোভা কামনা করে তাদের দিক থেকে তোমার দৃষ্টি ফিরিয়ে নিও না।’ (সুরা কাহফ : আয়াত ২৮)

গরিবের প্রতি দৃষ্টি দেয়া

সব মানুষের উচিত ও নৈতিক দায়িত্ব হলো নিজ অবস্থানের চেয়ে নিন্ম স্তরের মানুষের দিকে দয়ার দৃষ্টি দেয়া। নিজের চেয়ে উচ্চ স্তরের কোনো ব্যক্তি বা তার সম্পদের দিকে আক্ষেপের দৃষ্টিতে না তাকানো বরং নিম্ন স্তরের মানুষের দিকে তাকিয়ে নিজের অবস্থার জন্য মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা। হাদিসে এসেছে-হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন তোমাদের কেউ এমন ব্যক্তির দিকে দেখে, যাকে ধন-সম্পদে, স্বাস্থ্য-সামর্থ্যে শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করা হয়েছে, তখন সে যেন নিজের চেয়ে নিম্নমানের ব্যক্তির দিকে তাকায়।’ (বুখারি ও মুসলিম, মিশকাত)

অল্পে সন্তুষ্ট থাকা

যে কোনো অবস্থায় মুমিনের উচিত, অল্পে সন্তুষ্ট থাকা। বেশি আশা না করা। আল্লাহর দেয়া হালাল জীবিকা যত অল্পই হোক; তাতে সন্তুষ্ট থাক এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা। তবেই দুনিয়ার ধন-সম্পদের মোহ তাকে বিভ্রান্ত করতে পারবে না। হাদিসে এসেছে-রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনে, ‘তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি সুস্থ দেহে পরিবার-পরিজনসহ নিরাপদে সকালে উপনীত হয় এবং তার কাছে যদি সারা দিনের খোরাকি থাকে, তাহলে তার জন্য যেন গোটা দুনিয়া একত্রিত করা হলো।’ (ইবনে মাজাহ)

মনে রাখতে হবে

মানুষ গরিব-দুর্বল হলেই তাকে অমর্যাদা করা উচিত নয়; কারণ দুনিয়া যিনি মানুষের কাছে মূল্যহীন হতে সে মহান রবের কাছে অনেক মর্যাদাবান। কেনন কুরআনের ঘোষণায় আল্লাহর ভয়ই মানুষকে মর্যাদার সর্বোচ্চ স্তরে পৌছে দেয়। সে হয়ে ওঠে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি সম্মানিত। তার জন্য ওয়াদা হচ্ছে চিরস্থায়ী জান্নাত।আল্লাহ তাআলা বিশ্ব মানবতার সবাইকে গরিব ও দুর্বলদের প্রতি ভালো ও উত্তম আচরণ করার তাওফিক দান করুন। কুরআন-সুন্নাহর দিকনির্দেশনা মেনে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন।

ধর্ম
https://enews71.com/storage/ads/01JR36BQSKCPE69WB8Z3TARXE3.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের ইফতারে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মিলনমেলা

শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের ইফতারে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মিলনমেলা

ইরানের স্কুলে বিমান হামলায় নিহত বেড়ে ৫১

ইরানের স্কুলে বিমান হামলায় নিহত বেড়ে ৫১

কাতারে বাংলাদেশিদের নিরাপত্তায় দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তি

কাতারে বাংলাদেশিদের নিরাপত্তায় দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তি

সংঘাতে কাতারের আকাশসীমা বন্ধ, সকল ফ্লাইট স্থগিত

সংঘাতে কাতারের আকাশসীমা বন্ধ, সকল ফ্লাইট স্থগিত

তেহরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র হামলায় খামেনির প্রাসাদ সম্পূর্ণ ধ্বংস!

তেহরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র হামলায় খামেনির প্রাসাদ সম্পূর্ণ ধ্বংস!

https://enews71.com/storage/ads/01JR3CX28Y9BM01PRE4TXCNDWF.jpg

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

যেসব সম্পদের ওপর জাকাত ফরজ

যেসব সম্পদের ওপর জাকাত ফরজ

জাকাত ইসলামি অর্থব্যবস্থার অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধান। ঈমান আনা ও নামাজ আদায়ের পর জাকাত নিয়মিত আদায় করেই একজন বিত্তবান ব্যক্তি মুসলিম সমাজের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেন। এখানে জাকাত সংক্রান্ত কিছু জরুরি মাসয়ালা উল্লেখ করা হলো- মাসয়ালা: প্রাপ্তবয়স্ক এবং বুদ্ধি-জ্ঞানসম্পন্ন মুসলমানের (নারী-পুরুষ) মালের ওপর কিছু শর্তসাপেক্ষে জাকাত ফরজ করা হয়েছে। যেসব শর্তসাপেক্ষে উপরোক্ত ব্যক্তির মালের ওপর জাকাত ধার্য হয় তা হলো- ১. মালের

রমজান মাস, এতে নাজিল হয়েছে পবিত্র কোরআন

রমজান মাস, এতে নাজিল হয়েছে পবিত্র কোরআন

"নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা'দ" প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই রমজান মাস এতে নাজিল হয়েছে পবিত্র কোরআন শরীফ সেই সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা সংকিপ্ত আকারে তুলে ধরছি, "ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ" আল্লাহ তায়ালা বলেন : রমজান মাস, এতে নাজিল হয়েছে পবিত্র কোরআন, যা মানুষের দিশারি এবং স্পষ্ট নিদর্শন ও সত্যাসত্যের পার্থক্যকারী।

পবিত্র রমজান মাস: ফজিলত, রহমত ও আত্মশুদ্ধির অনন্য সুযোগ

পবিত্র রমজান মাস: ফজিলত, রহমত ও আত্মশুদ্ধির অনন্য সুযোগ

পবিত্র রমজান মাস মুসলমানদের জন্য এক মহিমান্বিত ও বরকতময় সময়। এ মাসের আগমনে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আনন্দ প্রকাশ করে থাকেন, যা আল্লাহর অনুগ্রহের প্রতি কৃতজ্ঞতার প্রকাশ। কোরআনে আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন—তাঁর দয়া ও অনুগ্রহের জন্য যেন মুমিনরা আনন্দিত হয়, কারণ তা পার্থিব সব সম্পদের চেয়েও উত্তম। রমজান মাসের অন্যতম মর্যাদা হলো—এ মাসে সিয়াম বা রোজা পালন ফরজ করা হয়েছে, যা ইসলামের পাঁচটি

পবিত্র শবে বরাত আজ

পবিত্র শবে বরাত আজ

আজ মঙ্গলবার দিবসের আলোকরেখা পশ্চিমে মিলিয়ে যাওয়ার পরই শুরু হবে অনেক মুসলমানের কাছে পরম কাঙ্ক্ষিত মহিমাময় রজনি—শবে বরাত। পাপ থেকে সর্বান্তকরণে ক্ষমা প্রার্থনা করে নিষ্কৃতি লাভের অপার সৌভাগ্যের রাত। শবে বরাত পালন নিয়ে আলেম-ওলামাদের মধ্যে দুস্তর মতভেদ বিদ্যমান। পালনের বিপক্ষের পাল্লা দিনে দিনে ভারী হচ্ছে। ইবনে মাজাহ ও বাইহাকীর একটি দুর্বল হাদিসে উল্লেখ আছে, হজরত আলি ইবনে আবি তালেব (রা.)

শবে বরাতের তাৎপর্য: আল্লামা মুফতী মুজাহিদ উদ্দীন চৌধুরী দুবাগী (রহ.)

শবে বরাতের তাৎপর্য: আল্লামা মুফতী মুজাহিদ উদ্দীন চৌধুরী দুবাগী (রহ.)

যাদের ধারণা রয়েছে যে, শবে বরাত এবং পনেরই শা’বান রাতের কোন অস্তিত্ব, কোন হাকিকত, ফযিলত এবং কোনরূপ বিশেষত্ব নেই, তারা যেন শবে বরাতের গুরুত্ব ও ফযিলত সম্পর্কে সিহাসিত্তার বিশ্বস্ত কিতাব জামে তিরমিযির ২য় খণ্ড ৭৩৯নং হাদিস খুলে দেখেন। তাদের জন্য উচিৎ হল এ সম্পর্কে জানা, হাদিসের কিতাবসমূহ খুলে দেখা এবং অজ্ঞতা বশতঃ মিথ্যা ফতওয়াবাজী করার পূর্বে এ বিষয়ে সঠিক জ্ঞান

জনপ্রিয় সংবাদ

নৌযাত্রীদের জন্য ছয় বছর ধরে ফ্রি ইফতার

নৌযাত্রীদের জন্য ছয় বছর ধরে ফ্রি ইফতার

একনেক পুনর্গঠন, সভাপতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচিত

একনেক পুনর্গঠন, সভাপতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচিত

গোয়ালন্দে আশ্রয় কেন্দ্রের মূল্যবান গাছ অবৈধভাবে বেচাকেনার অভিযোগ

গোয়ালন্দে আশ্রয় কেন্দ্রের মূল্যবান গাছ অবৈধভাবে বেচাকেনার অভিযোগ

মৌলভীবাজারে ক্রিকেট খেলায় জোরে বল করায় যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

মৌলভীবাজারে ক্রিকেট খেলায় জোরে বল করায় যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

তিনটি আসনের ব্যালট পেপারসহ নথি হেফাজতে নিতে ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ

তিনটি আসনের ব্যালট পেপারসহ নথি হেফাজতে নিতে ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ