
কবর জিয়ারাত ইবাদত। পরকালের কথা স্মরণ রাখতেও কবর জিয়ারত করা জরুরি। আবার গোনাহমুক্ত জীবন গড়তেও কবর জিয়ারত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত ও কাজ। জিয়ারতকারীকেও ক্ষমা করা হবে মর্মে ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্বনবি।ইসলামের প্রথম যুগে কবর জিয়ারত করতে নিষেধ করা হলেও পরে তা তুলে নেয়া হয়েছে। দেয়া হয়েছে কবর জিয়ারতের অনুমতি। হাদিসে এসেছে-রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আমি আগে তোমাদের কবর জিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম; এখন থেকে তোমরা কবর জিয়ারত কর। কেননা তা দুনিয়া বিমুখতা এনে দেয় এবং আখিরাতের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় ‘ (ইবনে মাজাহ)
اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الدِّيَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِيْنَ وَ الْمُسْلِمِيْنَ وَ اِنَّا اِنْ شَاءَ اللهُ بِكُمْ لَلَاحِقُوْنَ
উচ্চারণ : ‘আসসালামু আলাইকুম দারা ক্বাওমিম মুমিনিনা ওয়া ইন্না ইনশাআল্লাহু বিকুম লাহিকুন।’ (মুসলিম)

