শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

হালাল উপার্জনেই অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করা সম্ভব

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩ জুন ২০২৩, ১৬:৫৪

শেয়ার করুনঃ
হালাল উপার্জনেই অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করা সম্ভব

আল্লাহ তাআলা মানব জাতিকে সৃষ্টি করে তাদের জন্য ইসলামকেই একমাত্র দ্বীন হিসাবে মনোনীত করেছেন। তিনি বলেন ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে মনোনীত দ্বীন হলো ইসলাম।’ (আল-ইমরান: আয়াত ১৯) সেমতে অর্থনীতিও জীবন ঘনিষ্ঠ একটি ক্ষেত্র।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আধুনিক যুগে অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করার ১০ টি মুলনীতি বর্ননা করেছেন। তার মধ্যে একটি হলো- হালাল পন্থায় উপার্জন এবং হারাম বর্জন করা। ইসলাম মানুষকে হালালভাবে সীমাহীন উপার্জন করার পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন। তবে হারাম পথে একটি পয়সাও উপার্জন করার অধিকার ইসলাম কাউকে দেয়নি।

আরও

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য বিশেষ ইবাদতের গুরুত্ব

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য বিশেষ ইবাদতের গুরুত্ব

ইসলাম পূর্ব যুগে তো দূরের কথা, বর্তমান সভ্য যুগেও অন্যান্য মতাদর্শের ভিত্তিতে উপার্জন করে ভোগ- বিলাসের বৈধতা দেননি। তবে যে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সিল রয়েছে বা লাইসেন্স করে নিলে উপার্জন বৈধ। এবং রাষ্ট্রের ধার্যকৃত কর পরিশোধ করার মাধ্যমে যে কোনো আয় ব্যক্তি মালিকানা সাব্যস্ত হবে।

আধুনিকযুগে মানুষ তিনটি দর্শনে অর্থ উপার্জন করে-

আরও

পাপমুক্ত জীবনের জন্য ইসলামের বাস্তব নির্দেশনা

পাপমুক্ত জীবনের জন্য ইসলামের বাস্তব নির্দেশনা

১. পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

https://enews71.com/storage/ads/01KQAG1VP3BB73V7HDE2DKRZ1X.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

২. সমাজতন্ত্র অর্থব্যস্থা

৩. ইসলামি অর্থ ব্যবস্থা

পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা

অর্থনীতির বুনিয়াদি চার বিষয় সমাধান করার একমাত্র পথ। তাহলো- সমাজের প্রত্যেককে বানিজ্যিক ও উৎপাদনের কার্যক্রমে পূর্ণ স্বাধীন ছেড়ে দাও। তাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়ে দেওয়া হবে যে, সে বেশির থেকে বেশি মুনাফা অর্জনের জন্য যে পদ্ধতিকে সংগত মনে করবে তা গ্রহণ করবে।

সমাজতন্ত্র অর্থব্যবস্থা

সমাজতন্ত্র অর্থব্যবস্থার মূলনীতি হলো তিনটি- ১. ব্যক্তি মালিকানা ২. লাভের প্রবর্তনা ৩. রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ থেকে মুক্তি। এই তিন মূলনীতির মাধ্যমে যত খুশি ব্যক্তি মুনাফা অর্জন করতে পারবে।

ইসলামি অর্থব্যবস্থা

সর্বাগ্রে একটি বিষয় জানা দরকার, ইসলাম শুধু কোনো অর্থব্যবস্থার নাম নয়। বরং এটি একটি দ্বীন, অতএব কোরআন হাদিসে প্রচলিত অর্থে বর্তমান যুগের অর্থনৈতিক পরিভাষায় পেশ করার মতো, কোনো অর্থ ব্যবস্থা উপস্থাপন করেনি। আমাদের আরেকটি বিষয় অস্পষ্ট রয়ে গেলো। অর্থনীতির বুনিয়াদি বিষয়। তাহলো চারটি- ১. প্রয়োজন নিরূপণ ২. উপকরণ নির্ধারণ ৩. আয়ের বণ্টন ৪. উন্নয়ন ইত্যাদির শিরোনামে কোরআন-সুন্নাহ ও ইসলামি ফিকহের মাঝে সরাসরি কোনো আলোচনা বিদ্যমান নেই।

তবে জীবনের অন্য শাখাগুলোর মতো অর্থনীতির ক্ষেত্রে ইসলাম যেই বিধানাবলি নির্দেশ করেছে। তা অনুযায়ী অর্থ উপার্জন করাতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। ইসলাম এবং অন্যান্য অর্থ ব্যবস্থার মাঝে পার্থক্য হলো- পুঁজিবাদী ও সমাজতন্ত্র অর্থব্যবস্থার ক্ষেত্রে সীমা ছাড়া উপার্জন করার অনুমতি দিয়েছে, সে ক্ষেত্রে হালাল-হারামের তারতম্য করেনি।

ইসলামি বিধানে ব্যবহারিক জীবনে কিছু কাজকে হালাল এবং কিছু কাজকে হারাম বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। অর্থ উপার্জনের ক্ষেত্রে পুঁজিবাদী ও সমাজতন্ত্র অর্থ ব্যবস্থায় হালাল হারামকে চিহ্নিত না করার কারনে ইসলামি অর্থব্যবস্থা উপরোক্ত দুটি অর্থব্যবস্থা কে বৈধতা দিতে কোনোভাবে সমর্থন করে না।

এখন পর্যন্ত আমরা অর্থ উপার্জন করলাম, তবে বৈধভাবে উপার্জনের কারণে যে যেখানে সেখানে আমরা খরচ করবো ইসলাম ব্যক্তিকে একেবারে স্বাধীন ও বাধা-বন্ধনহীনভাবে ছেড়ে না দিয়ে অর্জিত অর্থের উপর ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইসলাম বিধি-নিষেধ জারি করেছেন।

হালালভাবে উপার্জিত অর্থ মাত্র তিনটি উপায়েই ব্যবহার করার জন্য ইসলাম অনুমতি দিয়েছে। তাহলো-

১. হালাল পন্থায় ভোগ

২. বৈধ ব্যবসায় বিনিয়োগ

৩. আল্লাহর পথে ব্যয়

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

হালাল পন্থায় ভোগ

মানুষের হালাল পথে অর্থ উপার্জন শুধু বৈধ পথেই খরচ করতে পারবে। অবৈধভাবে ব্যয় করার কোনো সুযোগ নাই। এমনকি টাকা আছে দেখি বেশি অপচয় করবো তাও নয়, আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন-

اِنَّ الۡمُبَذِّرِیۡنَ کَانُوۡۤا اِخۡوَانَ الشَّیٰطِیۡنِ ؕ وَ کَانَ الشَّیۡطٰنُ لِرَبِّهٖ کَفُوۡرًا

‘যারা অপব্যয় করে, তারা তো শয়তানের ভাই। আর শয়তান তার রবের প্রতি অতি অকৃতজ্ঞ।’ (সুরা বনি ইসরাঈল: আয়াত ২৭)

তাছাড়া ইসলামে অপব্যয় ও অপচয় নিষিদ্ধ। তবে অপচয়কারীর তুলনায় অপব্যয়কারী অধিক পাপী। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা অপব্যয়কারীকে শয়তানের ভাই বলে ঘোষণা করেছেন। অন্যদিকে অপচয়ের কারণে মানুষের জীবন থেকে বরকত কমে যায়। আল্লাহ তাআলা বলেন-

وَّ کُلُوۡا وَ اشۡرَبُوۡا وَ لَا تُسۡرِفُوۡا ۚ اِنَّهٗ لَا یُحِبُّ الۡمُسۡرِفِیۡنَ

‘আর তোমরা আহার করো ও পান করো; কিন্তু অপচয় করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ অপচয়কারীকে পছন্দ করেন না।’ (সুরা আরাফ: আয়াত ৩১)

ইসলামি সমাজে মানুষ তার বৈধ ইনকামও এমনভাবে খরচ করতে পারে না যা নিজের চরিত্রের ও সমাজের ক্ষতির কারণ হয়। এই জন্য নাচ-গান, রং-তামাসা, মধ্যপান, জুয়া, বাজি ও লটারী নৈতিকতা বিরোধী বিলাসিতা। তাই এ সব কিছু ইসলামে নিষিদ্ধ।

এসব নিষিদ্ধ পথ ত্যাগ করে নিজের ও পরিবার-পরিজনের জন্য স্বাভাবিক ব্যয় নির্বাহ ও মধ্যম ধরনের জীবন যাপন করার জন্যই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাগিদ দিয়েছেন।

বৈধ ব্যবসায় বিনিয়োগ

নিজের প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ব্যয় নির্বাহের পর উদ্বৃত্ত ধন-সম্পদকে ব্যবসায়, কৃষি-শিল্প কিংবা এই ধরনের অন্যান্য কাজে বিনিয়োগ করার জন্য ইসলামে অনুমতি রয়েছে। নিজের পক্ষে এককভাবে সম্ভব নাহলে অন্যের সঙ্গ লাভ-লোকসানের অংশীদারিত্বের অর্থাৎ বাইয়ে মুদারাবার ভিত্তিতে এই জাতীয় কাজে অর্থ বিনিয়োগ করার সুযোগ রয়েছে।

মুসলমানের কর্তব্য হলো, সব সময় আল্লাহকে স্মরণ করা এবং হালাল পদ্ধতিতে আয়-উপার্জনের চেষ্টা করা। হাদিসে পাকে এসেছে, ‘সৎ ও আমানতদার ব্যবসায়ী; কেয়ামতের দিন নবি, সত্যবাদী ও শহিদদের সঙ্গে থাকবে।’ (তিরমিজি ১২০৯)

ব্যবসায়ের উদ্দেশ্য শুধু মুনাফা অর্জন নয় বরং এর দ্বারা মানুষের সঙ্গে পরিচিতি বাড়বে। তখন তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা। আন্তরিকতা দেখানো এবং হাস্যোজ্জ্বলভাবে কথা বলা উচিত। যাতে অন্যদের অন্তরে আপনার ইজ্জত-সম্মান এবং ভালোবাসাও ঠিক থাকে।

তারা আপনার কোনো কথা সহজে মান্য করে। তাহলে ইসলামের সৌন্দর্য অন্যদের কাছে তুলে ধরা সহজ হবে। ঈমানদারীর সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য করার মধ্যমে আল্লাহপাক অগণিত রিজিক দানের ওয়াদা করেছেন।

আল্লাহর পথে অর্থ ব্যয়

নিজস্ব ও পারিবারিক খরচ মিটিয়ে ও ব্যবসা বিনিয়োগের পর উদ্বৃত্ত অর্থ আল্লাহর পথে ব্যয় করা উত্তম। তাছাড়া আল্লাহর পথে দান করার দ্বারা বিপদ মুছিবত দূর হয়। এই জন্য মুসিবত আসার আগে আল্লাহর পথে দান করা আমাদের সবার উচিত। আল কোরআনে ইরশাদ হয়েছে-

یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اَنۡفِقُوۡا مِمَّا رَزَقۡنٰکُمۡ مِّنۡ قَبۡلِ اَنۡ یَّاۡتِیَ یَوۡمٌ لَّا بَیۡعٌ فِیۡهِ وَ لَا خُلَّۃٌ وَّ لَا شَفَاعَۃٌ ؕ وَ الۡکٰفِرُوۡنَ هُمُ الظّٰلِمُوۡنَ

‘হে মুমিনগণ! আমি তোমাদের যে রিজিক দিয়েছি, তা থেকে দান করো, সে দিন আসার আগে, যে দিন কোনো বেচাকেনা থাকবে না, কোনো বন্ধুত্ব থাকবে না, কোনো সুপারিশ থাকবে না। আর অবিশ্বাসীরাই সীমালঙ্ঘনকারী।’ (সুরা বাকারা: আয়াত ২৫৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

হামের ভয়াবহ থাবা, আরও ১১ শিশুর মৃত্যু

হামের ভয়াবহ থাবা, আরও ১১ শিশুর মৃত্যু

মব সহিংসতা ঠেকাতে নতুন আইন হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মব সহিংসতা ঠেকাতে নতুন আইন হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়ছে, দালাল নির্ভরতা শেষ

ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়ছে, দালাল নির্ভরতা শেষ

১৫১ কোটি ডলার পরিশোধের পরও রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলারে

১৫১ কোটি ডলার পরিশোধের পরও রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলারে

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য বিশেষ ইবাদতের গুরুত্ব

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য বিশেষ ইবাদতের গুরুত্ব

ইসলামের দৃষ্টিতে জুমার দিন মুসলমানদের জন্য সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে বিবেচিত। ইসলামি চিন্তাবিদ ও আলেমরা বলেন, এ দিনটি ইবাদত, দোয়া, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামি সূত্র মতে, মহান আল্লাহ মুসলমানদের জন্য শুক্রবারকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছেন। হাদিসে বর্ণিত আছে, এ দিনেই মানবজাতির আদি পিতা হযরত আদম (আ.) সৃষ্টি হন এবং কিয়ামতও সংঘটিত হবে শুক্রবারে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)

ইসলামে মুমিন বান্দার পরিচয় ও জীবনদর্শন

ইসলামে মুমিন বান্দার পরিচয় ও জীবনদর্শন

ইসলামে ‘মুমিন’ শব্দটি শুধু ধর্মীয় পরিচয় নয়, বরং একজন বিশ্বাসীর পূর্ণাঙ্গ জীবনচর্চার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। পবিত্র আল-কুরআন ও সহিহ হাদিস-এ মুমিন বান্দার গুণাবলি, আচরণ ও দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, মুমিন বান্দা হচ্ছেন সেই ব্যক্তি, যিনি আল্লাহর একত্বে বিশ্বাস স্থাপন করেন, নবী-রাসুলদের প্রতি আস্থা রাখেন এবং আখিরাতের জবাবদিহিতার বিশ্বাস হৃদয়ে ধারণ করেন। ইসলামে ঈমান কেবল মুখের স্বীকারোক্তি

সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য হজ ফরয—ইসলামের নির্দেশনা

সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য হজ ফরয—ইসলামের নির্দেশনা

ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো হজ। ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে প্রত্যেক মুসলমানের ওপর জীবনে অন্তত একবার হজ পালন ফরয হয়। ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলেমরা বলছেন, হজ কেবল একটি ধর্মীয় সফর নয়; বরং আত্মশুদ্ধি, ত্যাগ ও মানবিক সমতার অনন্য শিক্ষা। পবিত্র কুরআন-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে—যাদের শারীরিক ও আর্থিক সামর্থ্য আছে, তাদের জন্য হজ পালন বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ

পাপমুক্ত জীবনের জন্য ইসলামের বাস্তব নির্দেশনা

পাপমুক্ত জীবনের জন্য ইসলামের বাস্তব নির্দেশনা

মানুষ ভুল ও পাপের ঊর্ধ্বে নয়—এ কথাই স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে ইসলামে। তবে গুনাহ থেকে দূরে থাকা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ইসলাম দিয়েছে সুস্পষ্ট জীবনব্যবস্থা। আলেমরা বলছেন, আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া ও আল্লাহভীতি অর্জনের মাধ্যমেই একজন মুসলমান গুনাহ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে। ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, গুনাহ থেকে বাঁচার প্রথম শর্ত হলো আল্লাহর উপস্থিতির অনুভূতি হৃদয়ে জাগ্রত রাখা। পবিত্র কুরআনে বারবার তাকওয়া

নৈতিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় ইসলামী শিক্ষার গুরুত্ব

নৈতিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় ইসলামী শিক্ষার গুরুত্ব

মানবজীবন গঠনে ইসলামের নির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা হিসেবে ইসলাম মানুষকে নৈতিকতা, মানবতা ও শান্তির পথে পরিচালিত করে বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা। সম্প্রতি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় আলেম ও ইসলামী চিন্তাবিদরা বলেন, ইসলাম শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সুষম ও ন্যায়ভিত্তিক দিকনির্দেশনা প্রদান করে। বক্তারা জানান, পবিত্র কোরআন ও মহানবী হযরত

সর্বশেষ সংবাদ

উত্তর প্রদেশে ভয়াবহ ঝড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১১

উত্তর প্রদেশে ভয়াবহ ঝড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১১

২২ বছর পর চাঁদপুর সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

২২ বছর পর চাঁদপুর সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সভাপতি খোকন, সম্পাদক আলী—বার নির্বাচনে বিএনপির জয়

সভাপতি খোকন, সম্পাদক আলী—বার নির্বাচনে বিএনপির জয়

ট্রাম্প-শি বৈঠক: ইরানকে অস্ত্র না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি চীনের

ট্রাম্প-শি বৈঠক: ইরানকে অস্ত্র না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি চীনের

রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পানির সংকট, রোগীদের চরম দুর্ভোগ

রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পানির সংকট, রোগীদের চরম দুর্ভোগ