শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬২৪ আশ্বিন, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

স্ত্রীর খুশির জন্য দাড়ি কাটা যাবে কি?

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২০ জানুয়ারি ২০২২, ১৬:২০

শেয়ার করুনঃ
স্ত্রীর খুশির জন্য দাড়ি কাটা যাবে কি?

দাড়ি ইসলামের নিদর্শন। মুসলিম উম্মাহ ইসলামের এ নিদর্শন বহন করে। দাড়ি রাখা নবিজীর নির্দেশ ও ফরজ কাজ। যদিও অনেকে দাড়ি রাখাকে সুন্নাত ও ওয়াজিব বলে বিতর্ক করে থাকেন। কিন্তু স্ত্রীকে খুশি করার জন্য দাড়ি কেঁটে কি বৈধ?

দাড়ি রাখা ফরজ। দাড়ি কাটা, ছাটা, মুণ্ডন করা এবং দাড়ি কেঁটে ফ্যাশন করাও হারাম এবং কবিরা গুনাহ। এমনকি স্ত্রীকে খুশি করার জন্য দাড়ি কাটাও বৈধ নয়। ইসলাম স্ত্রীর খুশির জন্য দাড়ি কাটাকে অনুমোদন দেয়নি।

আরও

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

দাড়ি রাখার বিধান

হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেছেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘দশটি বিষয় সব নবি-রাসুলগণের সুন্নাত। তন্মধ্যে গোঁফ ছোট করা এবং দাড়ি লম্বা করা অন্যতম।’ (মুসলিম)

আরও

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

মুসলিম উম্মাহর জন্য দাড়ি রাখা আবশ্যক। দাড়ি রাখার বিষয়ে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই। কেননা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশ পালন সম্পর্কে কোরআনের ঘোষণা হলো-

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

وَ مَا کَانَ لِمُؤۡمِنٍ وَّ لَا مُؤۡمِنَۃٍ اِذَا قَضَی اللّٰهُ وَ رَسُوۡلُهٗۤ اَمۡرًا اَنۡ یَّکُوۡنَ لَهُمُ الۡخِیَرَۃُ مِنۡ اَمۡرِهِمۡ ؕ وَ مَنۡ یَّعۡصِ اللّٰهَ وَ رَسُوۡلَهٗ فَقَدۡ ضَلَّ ضَلٰلًا مُّبِیۡنًا

‘আল্লাহ ও তাঁর রাসুল কোনো বিষয়ে নির্দেশ দিলে কোনো বিশ্বাসী পুরুষ কিংবা বিশ্বাসী নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন সিদ্ধান্তের অধিকার থাকবে না। কেউ আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের অবাধ্য হলে সে তো স্পষ্টই পথভ্রষ্ট হবে।’ (সুরা আহজাব : ৩৬)

দাড়ি রাখা ফরজ। কোরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশ মেনে চলাও ফরজ। তিনি দাড়িকে লম্বা করার নির্দেশ দিয়েছেন। হাদিসে পাকে এসেছে-

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ মর্মে নির্দেশ দিচ্ছেন-

خَالِفُوا الْمُشْرِكِينَ أَحْفُوا الشَّوَارِبَ وَأَوْفُوا اللِّحَى

‘মুশরিকদের বিরোধিতা করো, দাড়ি লম্বা করো, আর গোঁফ ছোট করো।’ (বুখারি, মুসলিম)

সুতরাং দাড়ি রাখার আবশ্যকতাকে কোনোভাবেই অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কারণ নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যা করতেন এবং যা বলতেন তার সবকিছুই মহান আল্লাহর তরফ থেকে নির্ধারিত ছিল। মহান আল্লাহ আদেশ ব্যতীত তিনি কোনো সিদ্ধান্ত নিতেন না আর নিলেও তা কোরআনের নির্দেশনার ভিত্তিতেই গ্রহণ করতেন। আল্লাহ তাআলা আরো বলেন-

وَ مَاۤ اٰتٰىکُمُ الرَّسُوۡلُ فَخُذُوۡهُ وَ مَا نَهٰىکُمۡ عَنۡهُ فَانۡتَهُوۡا ۚ وَ اتَّقُوا اللّٰهَ ؕ اِنَّ اللّٰهَ شَدِیۡدُ الۡعِقَابِ ۘ

‘আর রাসুল তোমাদের যা দেন, তা তোমরা গ্রহণ কর এবং যা থেকে তোমাদের নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক। তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ শাস্তি দানে কঠোর।’ (সুরা হাশর : আয়াত ৭)

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

সুতরাং দাড়ি রাখার নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশ। তিনি নিজে দাড়ি রেখেছেন। দাড়ি কাটেননি। দাড়ি রাখা সম্পর্কে হাদিসের কয়েকটি দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হলো-

১. হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মোচ কাটার এবং দাড়ি লম্বা করার আদেশ করেছেন।’ (মুসলিম)

২. একই রাবির বর্ণনায় নবিজী নির্দেশ দিয়েছেন, ‘মুশরিকদের বিরোধিতা করো। দাড়ি বড়ে করো এবং মোচ কাটো।’ (বুখারি)

৩. তিনি আরও নির্দেশ দিয়েছেন, ‘মুশরিকদের বিরোধিতা করো, মোচ কাটো এবং দাড়ি পূর্ণ করো।’ (মুসলিম)

৪. নবিজী সাল্লা্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশ, ‘গোঁফ উত্তমরূপে ছোট করো এবং দাড়ি লম্বা করো।’ (বুখারি)

৫. হজরত আবু হরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনায় নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নির্দেশ দেন-

ﺟﺰﻭﺍ ﺍﻟﺸﻮﺍﺭﺏ ﻭﺍﺭﺧﻮﺍ ﺍ ﻟﻠﺤﻰ، ﺧﺎﻟﻔﻮﺍ ﺍﻟﻤﺠﻮﺱ

‘তোমরা গোঁফ কাট ও দাড়ি ঝুলিয়ে দাও আর অগ্নি পূজারীদের বিরোধিতা করো।’ (মুসলিম)

উল্লেখিত হাদিসগুলোতে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাড়ি রাখার ব্যাপারে ৪টি শব্দ ব্যবহার করে নির্দেশ দিয়েছেন। তাহলো- ﺍﺭﺧﻮﺍ ـ ﺍﻋﻔﻮﺍ ـ ﺃﻭﻓﻮﺍ ـ ﻭﻓﺮﻭﺍ। এসব শব্দ দ্বারাই পূর্ণ দাড়ি রাখার নির্দেশ করা হয়েছে। সুতরাং মানুষের জন্য দাড়ি রাখা ফরজ।

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়অ সাল্লামের এ নির্দেশ কোনো সাহাবায়ে কেরাম পালন করেননি; এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। নবি-সাহাবা ও পরবর্তী সব উৎকৃষ্ট মানুষই দাড়ি রেখে ফরজ আদায় করেছেন।

মনে রাখতে হবে

কারো মনোরঞ্জন বা খুশির জন্য দাড়ি কাটা, ছাঁটা কিংবা মুন্ডন করা; কোনোটিই বৈধ নয়। বরং দাড়ি কাঁটা, ছাটা কিংবা মুন্ডন করা হারাম ও কবিরাগুনাহ।

এমনকি দাড়িকে কটাক্ষ করা পাপ। ইসলামের কোনো বিধান, ইসলামের সঙ্গে সম্পর্কিত সাধারণ কোনো বিষয়, নবীজির কোনো সুন্নত, এমনকি প্রমাণিত কোনো মুস্তাহাব আমলের প্রতি অবজ্ঞাসূচক বাক্য ব্যবহার করা বা কোনো আচরণ করাও কুফরি। ফতোয়ায়ে আলমগিরিতে এসেছে-

‘ব্যঙ্গবিদ্রুপকারী যদি ইসলামের কোনো বিধানকে হালকা মনে করে উপহাস করে এবং অস্বীকারমূলক শব্দ ব্যবহার করে, তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে, যদিও আন্তরিক বিশ্বাস এর বিপরীত হয়।’ (ফাতাওয়ায়ে আলমগিরি)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে দাড়ি রাখার মাধ্যমে নবিজীর প্রকৃত অনুসারি হওয়ার তাওফিক দান করুন। কোরআন-সুন্নাহর দিকনির্দেশনা মেনে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সর্বশেষ সংবাদ

কোস্ট গার্ডের অভিযান: সেন্টমার্টিনে ৪২ কোটি টাকার ইয়াবা ও হেরোইন উদ্ধার

কোস্ট গার্ডের অভিযান: সেন্টমার্টিনে ৪২ কোটি টাকার ইয়াবা ও হেরোইন উদ্ধার

১৮ কোটি মানুষের পানির নিশ্চয়তায় বড় সমন্বিত উদ্যোগ সরকারের

১৮ কোটি মানুষের পানির নিশ্চয়তায় বড় সমন্বিত উদ্যোগ সরকারের

বাংলাদেশে স্টারলিংক চালু, উচ্ছ্বাস প্রকাশ ইলন মাস্কের

বাংলাদেশে স্টারলিংক চালু, উচ্ছ্বাস প্রকাশ ইলন মাস্কের

ফেরির ধাক্কায় পন্টুন ভাঙল, দৌলতদিয়ায় দীর্ঘ যানজট

ফেরির ধাক্কায় পন্টুন ভাঙল, দৌলতদিয়ায় দীর্ঘ যানজট

টেকনাফে এসআরবি-বিজিবির যৌথ অভিযান: মাটির নিচে মিলল তিন লাখ ইয়াবা

টেকনাফে এসআরবি-বিজিবির যৌথ অভিযান: মাটির নিচে মিলল তিন লাখ ইয়াবা

জনপ্রিয় সংবাদ

কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন ঘেরাও করার চেষ্টা

কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন ঘেরাও করার চেষ্টা

মমতাজ আওয়ামী লীগেও ছিল, এখন জামায়াতেও আসছে

মমতাজ আওয়ামী লীগেও ছিল, এখন জামায়াতেও আসছে

ট্রাম্পের নৈশভোজের ছবি প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

ট্রাম্পের নৈশভোজের ছবি প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি নিরাপত্তায় সৌরশক্তির মহাযাত্রা, বড় লক্ষ্যে সরকার এগোচ্ছে

জ্বালানি নিরাপত্তায় সৌরশক্তির মহাযাত্রা, বড় লক্ষ্যে সরকার এগোচ্ছে

ক্যানসারের সঙ্গে লড়ে বুশরার এসএসসিতে অবিশ্বাস্য জিপিএ-৫ অর্জন

ক্যানসারের সঙ্গে লড়ে বুশরার এসএসসিতে অবিশ্বাস্য জিপিএ-৫ অর্জন

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য সপ্তাহের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ দিন। হাদিসে এ দিনের বিশেষ ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনের মর্যাদা উল্লেখ করে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে তুলে ধরেছেন। এ দিনে জুমার নামাজ আদায় করা হয়, যা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কোরআনে জুমার নামাজের আজান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যেতে এবং বেচাকেনা ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক ইবাদত। প্রতি শুক্রবার মুসলমানরা মসজিদে একত্র হয়ে খুতবা শোনেন এবং জামাতে জুমার নামাজ আদায় করেন। কোরআনের সূরা জুমার ৯ নম্বর আয়াতে জুমার নামাজের আহ্বান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যেতে এবং বেচাকেনা ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে বোঝা যায়, জুমার সময় পার্থিব ব্যস্ততার চেয়ে ইবাদতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার গুরুত্ব রয়েছে। জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদার কথাও

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

ইসলামে সপ্তাহের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দিনগুলোর একটি হলো জুমার দিন। এ দিনে মুসলমানদের জন্য রয়েছে বিশেষ কিছু আমল ও ইবাদতের সুযোগ। কোরআনে জুমার নামাজের আহ্বান হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ছেড়ে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূরা জুমার ৯ নম্বর আয়াতে এ নির্দেশনা এসেছে। জুমার দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো গোসল করে পরিচ্ছন্ন হওয়া। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনে গোসলের

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

ইসলাম শুধু ইবাদতের শিক্ষা দেয় না, মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ারও নির্দেশ দেয়। একজন মুসলমানের উত্তম চরিত্রের অন্যতম প্রকাশ হলো অন্যের উপকারে এগিয়ে আসা। বিপদে থাকা মানুষকে সহযোগিতা করা, অসহায়কে সাহায্য করা এবং মানুষের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করাকে ইসলাম অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচনা করে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘সৎকর্ম ও তাকওয়ায় একে অন্যকে সহযোগিতা করো।’ এই নির্দেশনা থেকে বোঝা যায়, সমাজে

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

ইসলাম ধর্মে শুক্রবার একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ দিন। মুসলমানদের কাছে সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুমার দিনের গুরুত্ব ও ফজিলত অনেক বেশি। এদিন নামাজ, দোয়া, জিকির ও বিভিন্ন নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সুযোগ রয়েছে। তাই ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা শুক্রবারকে ইবাদত-বন্দেগিতে বিশেষভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন। শুক্রবারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো জুমার নামাজ আদায় করা। প্রাপ্তবয়স্ক ও সামর্থ্যবান পুরুষ মুসলমানদের জন্য জুমার নামাজ