মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

স্ত্রীর খুশির জন্য দাড়ি কাটা যাবে কি?

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২০ জানুয়ারি ২০২২, ১৬:২০

শেয়ার করুনঃ
স্ত্রীর খুশির জন্য দাড়ি কাটা যাবে কি?

দাড়ি ইসলামের নিদর্শন। মুসলিম উম্মাহ ইসলামের এ নিদর্শন বহন করে। দাড়ি রাখা নবিজীর নির্দেশ ও ফরজ কাজ। যদিও অনেকে দাড়ি রাখাকে সুন্নাত ও ওয়াজিব বলে বিতর্ক করে থাকেন। কিন্তু স্ত্রীকে খুশি করার জন্য দাড়ি কেঁটে কি বৈধ?

দাড়ি রাখা ফরজ। দাড়ি কাটা, ছাটা, মুণ্ডন করা এবং দাড়ি কেঁটে ফ্যাশন করাও হারাম এবং কবিরা গুনাহ। এমনকি স্ত্রীকে খুশি করার জন্য দাড়ি কাটাও বৈধ নয়। ইসলাম স্ত্রীর খুশির জন্য দাড়ি কাটাকে অনুমোদন দেয়নি।

আরও

‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর আরাফাত

‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর আরাফাত

দাড়ি রাখার বিধান

হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেছেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘দশটি বিষয় সব নবি-রাসুলগণের সুন্নাত। তন্মধ্যে গোঁফ ছোট করা এবং দাড়ি লম্বা করা অন্যতম।’ (মুসলিম)

আরও

পিতা-মাতার সেবায় রয়েছে জান্নাতের পথ

পিতা-মাতার সেবায় রয়েছে জান্নাতের পথ

মুসলিম উম্মাহর জন্য দাড়ি রাখা আবশ্যক। দাড়ি রাখার বিষয়ে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই। কেননা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশ পালন সম্পর্কে কোরআনের ঘোষণা হলো-

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

https://enews71.com/storage/ads/01KQAG1VP3BB73V7HDE2DKRZ1X.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

وَ مَا کَانَ لِمُؤۡمِنٍ وَّ لَا مُؤۡمِنَۃٍ اِذَا قَضَی اللّٰهُ وَ رَسُوۡلُهٗۤ اَمۡرًا اَنۡ یَّکُوۡنَ لَهُمُ الۡخِیَرَۃُ مِنۡ اَمۡرِهِمۡ ؕ وَ مَنۡ یَّعۡصِ اللّٰهَ وَ رَسُوۡلَهٗ فَقَدۡ ضَلَّ ضَلٰلًا مُّبِیۡنًا

‘আল্লাহ ও তাঁর রাসুল কোনো বিষয়ে নির্দেশ দিলে কোনো বিশ্বাসী পুরুষ কিংবা বিশ্বাসী নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন সিদ্ধান্তের অধিকার থাকবে না। কেউ আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের অবাধ্য হলে সে তো স্পষ্টই পথভ্রষ্ট হবে।’ (সুরা আহজাব : ৩৬)

দাড়ি রাখা ফরজ। কোরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশ মেনে চলাও ফরজ। তিনি দাড়িকে লম্বা করার নির্দেশ দিয়েছেন। হাদিসে পাকে এসেছে-

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ মর্মে নির্দেশ দিচ্ছেন-

خَالِفُوا الْمُشْرِكِينَ أَحْفُوا الشَّوَارِبَ وَأَوْفُوا اللِّحَى

‘মুশরিকদের বিরোধিতা করো, দাড়ি লম্বা করো, আর গোঁফ ছোট করো।’ (বুখারি, মুসলিম)

সুতরাং দাড়ি রাখার আবশ্যকতাকে কোনোভাবেই অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কারণ নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যা করতেন এবং যা বলতেন তার সবকিছুই মহান আল্লাহর তরফ থেকে নির্ধারিত ছিল। মহান আল্লাহ আদেশ ব্যতীত তিনি কোনো সিদ্ধান্ত নিতেন না আর নিলেও তা কোরআনের নির্দেশনার ভিত্তিতেই গ্রহণ করতেন। আল্লাহ তাআলা আরো বলেন-

وَ مَاۤ اٰتٰىکُمُ الرَّسُوۡلُ فَخُذُوۡهُ وَ مَا نَهٰىکُمۡ عَنۡهُ فَانۡتَهُوۡا ۚ وَ اتَّقُوا اللّٰهَ ؕ اِنَّ اللّٰهَ شَدِیۡدُ الۡعِقَابِ ۘ

‘আর রাসুল তোমাদের যা দেন, তা তোমরা গ্রহণ কর এবং যা থেকে তোমাদের নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক। তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ শাস্তি দানে কঠোর।’ (সুরা হাশর : আয়াত ৭)

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

সুতরাং দাড়ি রাখার নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশ। তিনি নিজে দাড়ি রেখেছেন। দাড়ি কাটেননি। দাড়ি রাখা সম্পর্কে হাদিসের কয়েকটি দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হলো-

১. হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মোচ কাটার এবং দাড়ি লম্বা করার আদেশ করেছেন।’ (মুসলিম)

২. একই রাবির বর্ণনায় নবিজী নির্দেশ দিয়েছেন, ‘মুশরিকদের বিরোধিতা করো। দাড়ি বড়ে করো এবং মোচ কাটো।’ (বুখারি)

৩. তিনি আরও নির্দেশ দিয়েছেন, ‘মুশরিকদের বিরোধিতা করো, মোচ কাটো এবং দাড়ি পূর্ণ করো।’ (মুসলিম)

৪. নবিজী সাল্লা্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশ, ‘গোঁফ উত্তমরূপে ছোট করো এবং দাড়ি লম্বা করো।’ (বুখারি)

৫. হজরত আবু হরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনায় নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নির্দেশ দেন-

ﺟﺰﻭﺍ ﺍﻟﺸﻮﺍﺭﺏ ﻭﺍﺭﺧﻮﺍ ﺍ ﻟﻠﺤﻰ، ﺧﺎﻟﻔﻮﺍ ﺍﻟﻤﺠﻮﺱ

‘তোমরা গোঁফ কাট ও দাড়ি ঝুলিয়ে দাও আর অগ্নি পূজারীদের বিরোধিতা করো।’ (মুসলিম)

উল্লেখিত হাদিসগুলোতে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাড়ি রাখার ব্যাপারে ৪টি শব্দ ব্যবহার করে নির্দেশ দিয়েছেন। তাহলো- ﺍﺭﺧﻮﺍ ـ ﺍﻋﻔﻮﺍ ـ ﺃﻭﻓﻮﺍ ـ ﻭﻓﺮﻭﺍ। এসব শব্দ দ্বারাই পূর্ণ দাড়ি রাখার নির্দেশ করা হয়েছে। সুতরাং মানুষের জন্য দাড়ি রাখা ফরজ।

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়অ সাল্লামের এ নির্দেশ কোনো সাহাবায়ে কেরাম পালন করেননি; এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। নবি-সাহাবা ও পরবর্তী সব উৎকৃষ্ট মানুষই দাড়ি রেখে ফরজ আদায় করেছেন।

মনে রাখতে হবে

কারো মনোরঞ্জন বা খুশির জন্য দাড়ি কাটা, ছাঁটা কিংবা মুন্ডন করা; কোনোটিই বৈধ নয়। বরং দাড়ি কাঁটা, ছাটা কিংবা মুন্ডন করা হারাম ও কবিরাগুনাহ।

এমনকি দাড়িকে কটাক্ষ করা পাপ। ইসলামের কোনো বিধান, ইসলামের সঙ্গে সম্পর্কিত সাধারণ কোনো বিষয়, নবীজির কোনো সুন্নত, এমনকি প্রমাণিত কোনো মুস্তাহাব আমলের প্রতি অবজ্ঞাসূচক বাক্য ব্যবহার করা বা কোনো আচরণ করাও কুফরি। ফতোয়ায়ে আলমগিরিতে এসেছে-

‘ব্যঙ্গবিদ্রুপকারী যদি ইসলামের কোনো বিধানকে হালকা মনে করে উপহাস করে এবং অস্বীকারমূলক শব্দ ব্যবহার করে, তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে, যদিও আন্তরিক বিশ্বাস এর বিপরীত হয়।’ (ফাতাওয়ায়ে আলমগিরি)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে দাড়ি রাখার মাধ্যমে নবিজীর প্রকৃত অনুসারি হওয়ার তাওফিক দান করুন। কোরআন-সুন্নাহর দিকনির্দেশনা মেনে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্তিতে জামায়াতের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্তিতে জামায়াতের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ

সরকার চাইলে মাঠে কাজ চালিয়ে যাবে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান

সরকার চাইলে মাঠে কাজ চালিয়ে যাবে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান

ভূরুঙ্গামারীতে সাংবাদিকদের সাথে ইউএনও’র মতবিনিময়

ভূরুঙ্গামারীতে সাংবাদিকদের সাথে ইউএনও’র মতবিনিময়

ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্নে গোয়ালন্দে প্রশাসনের সমন্বয় সভা

ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্নে গোয়ালন্দে প্রশাসনের সমন্বয় সভা

বরিশালে বিশেষ অভিযানে ৩৯ জন গ্রেফতার, ইয়াবা-গাঁজা উদ্ধার

বরিশালে বিশেষ অভিযানে ৩৯ জন গ্রেফতার, ইয়াবা-গাঁজা উদ্ধার

সর্বশেষ সংবাদ

শ্রীমঙ্গলে ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ কৃষক পরিবারে নগদ চেক ও চাল বিতরণ

শ্রীমঙ্গলে ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ কৃষক পরিবারে নগদ চেক ও চাল বিতরণ

কালবৈশাখীতে রাজাপুরে বিদ্যালয়ের দুই শ্রেণিকক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত, পাঠদান ব্যাহতের শঙ্কা

কালবৈশাখীতে রাজাপুরে বিদ্যালয়ের দুই শ্রেণিকক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত, পাঠদান ব্যাহতের শঙ্কা

হাকিমপুরে মাদকসহ পুলিশের হাতে দুই জন গ্রেফতার

হাকিমপুরে মাদকসহ পুলিশের হাতে দুই জন গ্রেফতার

আগামীকাল রাজাপুরে অর্ধশত পরিবারে ঈদুল আজহা উদযাপন

আগামীকাল রাজাপুরে অর্ধশত পরিবারে ঈদুল আজহা উদযাপন

হিলিতে টুংটাং শব্দে নির্ঘুম কামাড় পল্লী

হিলিতে টুংটাং শব্দে নির্ঘুম কামাড় পল্লী

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর আরাফাত

‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর আরাফাত

পবিত্র হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও আধ্যাত্মিক পর্ব ‘উকুফে আরাফা’ পালনে সৌদি আরবের পবিত্র আরাফাতের ময়দানে সমবেত হয়েছেন ১৬ লাখেরও বেশি হাজি। মঙ্গলবার (২৬ মে) ভোর থেকে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো আরাফাত প্রান্তর। দিনব্যাপী দোয়া, ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় মগ্ন থাকেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মুসল্লিরা। সৌদি প্রেস এজেন্সি ও আরব নিউজের প্রতিবেদনে জানানো

হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু আজ, অংশ নিচ্ছেন ১৮ লাখ মুসল্লি

হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু আজ, অংশ নিচ্ছেন ১৮ লাখ মুসল্লি

পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা আজ থেকে শুরু হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখো মুসল্লি ইতোমধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে মিনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন। রোববার (২৪ মে) এশার নামাজের পর থেকেই হাজিরা ‘তাবুর নগরী’ নামে পরিচিত মিনায় রওনা হন। মিনায় যাওয়ার আগে হাজিরা ইহরামের কাপড় পরিধান করে হজের আনুষ্ঠানিক ইবাদতে অংশ নেন। শরীয়তের বিধান অনুযায়ী, ৮ জিলহজ হাজিরারা মিনায় অবস্থান

আত্মশুদ্ধির অনন্য ইবাদত পবিত্র হজ পালন

আত্মশুদ্ধির অনন্য ইবাদত পবিত্র হজ পালন

ইসলামের পাঁচটি মূল ভিত্তির অন্যতম হলো হজ। সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জীবনে অন্তত একবার হজ পালন করা ফরজ। এটি শুধু একটি ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং আত্মশুদ্ধি, ত্যাগ, ধৈর্য ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণের এক অনন্য শিক্ষা। পবিত্র কাবাঘরকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট নিয়মে হজ পালন করা হয়। প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মুসল্লি সৌদি আরবের মক্কায় সমবেত হন। ইসলামের

সামর্থ্যবান মুসলিমদের জন্য কুরবানি ওয়াজিব: আলেমদের মত

সামর্থ্যবান মুসলিমদের জন্য কুরবানি ওয়াজিব: আলেমদের মত

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে কুরবানির বিধান নিয়ে ধর্মীয় আলোচনায় নতুন করে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ইসলামের নির্দেশনার ওপর। ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদের মালিক এবং আর্থিকভাবে সক্ষম মুসলিমদের ওপর কুরবানি করা ওয়াজিব বলে জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ আলেমরা। ইসলামী বিধান অনুযায়ী, যে ব্যক্তি নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক—অর্থাৎ যার কাছে প্রয়োজনীয় ব্যয়ের বাইরে সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ বা সমমূল্যের সম্পদ থাকে—তার ওপর

কুরবানী কাদের জন্য: ইসলামের বিধান ও শর্তাবলি

কুরবানী কাদের জন্য: ইসলামের বিধান ও শর্তাবলি

পবিত্র ঈদুল আজহা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে মুসলমানদের মধ্যে কুরবানী সম্পর্কিত নানা প্রশ্ন সামনে আসে। ইসলামি শরিয়তে কুরবানী একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে পালন করা হয়। ইসলামি শিক্ষাবিদদের মতে, কুরবানী মূলত সামর্থ্যবান মুসলমানদের ওপর ওয়াজিব। প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন এবং নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদের মালিক এমন প্রত্যেক মুসলমান নারী-পুরুষের জন্য কুরবানী আদায় করা আবশ্যক বলে অধিকাংশ ফকিহ মত দিয়েছেন। হাদিস অনুযায়ী,