
প্রকাশ: ১৮ ডিসেম্বর ২০২০, ১৫:৫০

নিঃসন্দেহে আল্লাহর হেদায়েতই প্রকৃত হেদায়েত। ষড়যন্ত্র যতই হোক না কেন, আল্লাহর যার সহায় হয়, কোনো ষড়যন্ত্রই তার ক্ষতি করতে পারে না। এটি মহান আল্লাহর ঘোষণা।আর সত্য লুকানো ইয়াহুদিদের অনেক পুরনো অভ্যাস। কুরআনের বর্ণনায় তা বার বার ওঠে এসেছে। ইয়াহুদি জাতি এখনই ইসলাম ও মুসলমানদের দুশমন নয়, বরং ইসলামের প্রাথমিক যুগেও ইয়াহুদিরা জঘন্য ও নিকৃষ্টতম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। ইসলাম ও মুসলমানদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র ও প্রতারণা সম্পর্কে কুরআনুল কারিমে তা সুস্পষ্টভাবে ফুটে ওঠেছে।
অর্থ : আর আহলে কিতাবদের একদল বললো, মুসলমানদের উপর যা কিছু অবর্তীণ হয়েছে তা দিনের প্রথম ভাগে মেনে নাও, আর দিনের শেষ ভাগে অস্বীকার কর; হয়তো তারা মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে।
এরা (ইয়াহুদিরা) আরও বলে যে, যা তোমাদের দ্বীনের অনুগামী অর্থাৎ তোমরা দ্বীনের সঙ্গে সামঞ্জস্যশীল তা ব্যতিত আর কিছু বিশ্বাস করো না। সত্য বলে স্বীকার করো না। আর আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন-
‘(হে রাসুল! আপনি) বলুন, আল্লাহর নির্দেশিত পথই অর্থাৎ ইসলামের সত্যিকারের পথ। অবশিষ্ট সব কিছুই গোমরাহী।একথাও বিশ্বাস করো না যে, তোমাদের যে কিতাবসমূহ, হেকমত ও মর্যাদা দান করা হয়েছে। অনুরূপ তা আর কাউকে দেয়া হবে। আর এ আয়াতের প্রকৃত মর্মার্থ হলো-তোমাদের ধর্মের অনুসারীরা ব্যতিত অন্য কারো কাছে স্বীকার করো না যে, অন্য কাউকে উত্তম মর্যাদা দান করা হয়েছে বা হবে।আর কেয়ামতের দিন তোমাদের প্রতিপালকের সামনে মুমিনরা তোমাদের বিপক্ষে যুক্তি উত্থাপন করবে। তারা যক্তিতে তোমাদের ওপর প্রবল হবে।
