প্রকাশ: ২৭ নভেম্বর ২০২১, ১৯:২৯
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
বিস্তারিত আসছে...
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক অনন্য অনুপ্রেরণা বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। শনিবার (২৯ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন। নাহিদ ইসলাম লেখেন, বেগম খালেদা জিয়া কয়েক দশক ধরে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার আন্দোলনে অবিচল ভূমিকা রেখে
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে এভারকেয়ার হাসপাতালে গেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তিন নেতা। শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তারা হাসপাতালের সিসিইউতে যান। প্রতিনিধিদলে ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। বর্তমানে ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের সংক্রমণ নিয়ে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বেগম খালেদা
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে সিসিইউতে নিবিড় পরিচর্যায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় সারাদেশে শুরু হয়েছে দোয়ার আয়োজন। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ থেকে সাধারণ মানুষ—সবাই তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন। দেশের এই শীর্ষ নেত্রীর সুস্থতার জন্য প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার বিষয়ে পরিবারের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ময়মনসিংহের ১১টি আসনে রাজনৈতিক উত্তেজনা ততই বাড়ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, পিআর পদ্ধতিতে ভোট এবং নতুন নিয়মে ব্যালট ব্যবহারের বিষয়গুলোতে ভোটারদের মধ্যে প্রশ্ন থাকলেও মাঠের রাজনীতিতে তার প্রভাব খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। বরং বিএনপি, জামায়াতসহ বিরোধী দলগুলো ক্ষমতাসীন দলের অনুপস্থিতি কাজে লাগিয়ে স্বতঃস্ফূর্ত রাজনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে। সবচেয়ে আলোচনায় রয়েছে বিএনপি ও জামায়াতের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ,
বাংলাদেশ সরকার ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে নোট ভারবাল পাঠিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) গত ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পাঁচ দিন পর এ অনুরোধ পাঠানো হয়। অভিযোগ ছিল—গত বছরের জুলাই–আগস্টের শিক্ষার্থী আন্দোলন দমনে নির্দেশনা দিয়ে তারা প্রায় ১,৪০০ মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী। ঢাকার এ পদক্ষেপটি আগে থেকেই প্রত্যাশিত