
প্রকাশ: ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৬:৩০

প্রযুক্তিবিদ সজীব ওয়াজেদ জয় ও অটিজম বিশেষজ্ঞ সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নাম উঠে এসেছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব পরিবর্তনের ইস্যুতে। আওয়ামী লীগের ২১তম সম্মেলন সামনে রেখে আগামী ২০ থেকে ২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসার খবর শোনা যাচ্ছে। তবে তারা এমন আগ্রহের কথা এখনো জানাননি।জানা যায়, গত ১৭ নভেম্বর রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে এক নম্বর সদস্য হিসেবে পুনর্র্নিবাচিত হন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।
আওয়ামী লীগের শীর্য পর্যায়ের একাধিক নেতা জানান, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের বেশিরভাগই চান বঙ্গবন্ধুর এই ২ উত্তরসূরি দলের নেতৃত্বে আসুক। আওয়ামী লীগের একাধিক সিনিয়র নেতা মনে করেন, বিশ্বায়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতি তথা কূটনৈতিক বিষয়ে স্পষ্ট ধারণাসম্পন্ন মানুষের নেতৃত্বে আসা জরুরি। এসব বিষয়ে জয় ও পুতুল দুজনেই যথেষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন। তবে জয় ও পুতুল একই সঙ্গে নেতৃত্বে না এলেও তাদেরও কোনো একজন আসতে পারেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা।

এরপর বেঙ্গালুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স, পদার্থ এবং গণিতে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি টেক্সাস ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আরেকটি ব্যাচেলর ডিগ্রি অব সায়েন্স অর্জন করেন। সব শেষে তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসনে স্নাতকোত্তর করেন। ২০০৭ সালে জয় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক ‘গ্লোবাল’ লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার বিষয়টি নিয়ে আসেন জয়। ২০১৪ সালের ১৭ নভেম্বর জয়কে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে অবৈতনিক উপদেষ্টা নিয়োগ দেয়া হয়।