
প্রকাশ: ৩০ নভেম্বর ২০১৯, ১৮:৭

রাজধানীর ভাটারা থানায় কুড়িল এলাকায় স্বামীর ছুরিকাঘাতে কানিজ ফাতেমা টুম্পা (২৫) নামে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়। টুম্পা শান্তা মারিয়াম ইউনিভার্সিটির বিবিএ শেষ বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে তাকে ছুরিকাঘাত করেন স্বামী সাফকাত হাসান রবিন। তখনই তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়।
নিহত টুম্পার গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য কাটাদিয়া গ্রামে। তিনি ঐ গ্রামের শাহ আলমের মেয়ে। চার বোনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন টুম্পা। বর্তমানে তিনি পরিবার নিয়ে কুড়িল চৌরাস্তা এলাকায় থাকতেন। টুম্পার ছোট বোন আয়শা আক্তার জানান, বিয়ের আগে কুড়িল চৌরাস্তা এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন টুম্পা। আর পাশের বাড়িতে থাকতেন সাফকাত হাসান রবিন। দু'জনের মধ্যে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল।
দুই মাস আগে তারা বিয়ে করেন। এর পর তারা কুড়িলের নূরানী মসজিদ গলির একটি বাসায় থাকতে শুরু করেন। রবিন আগে থেকেই মাদকাসক্ত ছিলেন। বিয়ের পরপরই নানা সমস্যা শুরু হয়। প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া, কলহ হতো। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার টুম্পা তার বাবা-মাকে ফোন করে তাকে আনতে যেতে বলেন। তবে বাবা-মায়ের বদলে খালা নাজমা আক্তার তাকে আনতে যান। বাবার বাড়িতে ফিরে যাওয়ার পথে কুড়িল চৌরাস্তা এলাকায় পেছন থেকে টুম্পার পিঠে ছুরিকাঘাত করেন রবিন।
তখন উদ্ধার করে টুম্পাকে প্রথমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউতে) স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) বাচ্চু মিয়া জানান, ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের লাশ মর্গে রাখা হয়েছে।

ইনিউজ ৭১/এম.আর