আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী শনিবার পর্যন্ত গরম তুলনামূলকভাবে কম থাকবে। এর পর তাপমাত্রা আবার বাড়তে পারে।
রাজশাহীতে টানা কয়েক দিন ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি ছিল সেখানকার তাপমাত্রা। যদিও বুধবার (২১ এপ্রিল) সেখানকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে, ৩৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া খুলনা বিভাগের কয়েকটি এলাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮ ডিগ্রির কাছাকাছি। অন্য যেসব এলাকায় তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল, সেগুলো হচ্ছে ঢাকা শহরে সর্বোচ্চ ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বরিশালে ৩৬ দশমিক ৬, রাঙামাটিতে ৩৭ দশমিক ৫ ও শ্রীমঙ্গলে ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বুধবার রাতে সারাদেশের কোনো কোনো অঞ্চলে ঝড়, দমকা হাওয়া ও বৃষ্টি হওয়ায় তাপমাত্রা কমে যায়। এদিন সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয় টাঙ্গাইলে, ২৯ মিলিমিটার। এ ছাড়া ঈশ্বরদীতে ছিল ২২ মিলিমিটার। এ ছাড়া বগুড়াসহ রাজশাহীর বেশকিছু জায়গায়, সিরাজগঞ্জ, কুষ্টিয়ার কুমারখালী, সিলেট ও সৈয়দপুরে কমবেশি বৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. আফতাব উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, আজ রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দু-এক জায়গায় শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।
বৃহস্পতিবার সীতাকুণ্ড, রাঙামাটি, নোয়াখালী, ফেনী, মৌলভীবাজার, রাজশাহী, পাবনা অঞ্চলসহ ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।