প্রকাশ: ২০ ডিসেম্বর ২০২০, ২১:২৫
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানসহ মোট ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। দীর্ঘ তদন্ত শেষে খসড়া অভিযোগপত্র (চার্জশিট) প্রস্তুত করে তা আইনি পরামর্শের জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সিআইডির মুখপাত্র জসীমউদ্দিন খান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় ১০ বছরেরও বেশি সময়
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন। কর্মশালায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে এক প্ল্যাটফর্মে
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের আওতাধীন সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি এবং সমমান পর্যায়ের উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র দ্বারা যাচাই বা ভ্যালিডেশন করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর উপবৃত্তি বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) ট্রাস্টের পক্ষ থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের মানবিক বিষয়ক অধিবেশনে বিশ্বব্যাপী মানবিক সংকট ক্রমশ গভীরতর হওয়ার প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা জোরদার, বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, মানবিক নীতি ও মূল্যবোধ রক্ষায় বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে সামাজিক সুরক্ষা
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা Human Rights Watch অভিযোগ করেছে যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বসবাসকারী মূলত বাঙালি মুসলিম জনগোষ্ঠীকে যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়া ছাড়াই জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হচ্ছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি দাবি করে, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির অবস্থানের কারণে সীমান্তের “শূন্য রেখা” এলাকায় বহু পরিবার আটকে পড়ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষীদের তথ্যানুযায়ী, ২০২৬ সালের ১