প্রকাশ: ২০ ডিসেম্বর ২০২০, ২১:২৫
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়ায় দেশের রপ্তানি খাতে নতুন চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়ে নেওয়া হলেও বর্তমানে তা কার্যকর হওয়ায় বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকরা চিন্তিত। এই সংকট মোকাবিলায় শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জরুরি বৈঠক ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বৈঠকে সরকারের শীর্ষস্থানীয় উপদেষ্টা, অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ এবং
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম শনিবার (৫ এপ্রিল) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, “আমরা এমন কিছু পদক্ষেপ নিব, যার ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। বিশেষত, যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির পরিমাণ বর্তমানের তুলনায় আরও বাড়বে।” তিনি আশ্বস্ত করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বাংলাদেশের রপ্তানি কখনও কমবে না, বরং তা আরও বাড়বে। এদিন শফিকুল আলম যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা করা নতুন শুল্কহার নিয়ে
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রথমবারের মতো দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে ইউনূস ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানান। প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, বৈঠকে মোদি ইউনূসের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের রপ্তানি পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রেক্ষাপটে জরুরি সভা ডেকেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। আজ শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম দুপুরের পর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সভায় মার্কিন শুল্ক নীতির প্রভাব ও সম্ভাব্য对策 নিয়ে আলোচনা করা হবে।
মিয়ানমার প্রথম ধাপে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৮ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে ১ লাখ ৮০ হাজার জনকে প্রত্যাবর্তনের জন্য উপযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো তালিকা পর্যালোচনা করে তারা এই সংখ্যা নির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশ সরকার ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের