
প্রকাশ: ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৫:০

রংপুরের পীরগঞ্জে ধর্ষণের পর সন্তান জন্ম দেয়ার ঘটনা প্রচারের পর আরো তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) তারা জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ময়লার ভাগাড় থেকে জীবিত এক নবজাতককে উদ্ধার করে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নকর্মীরা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ অসুস্থ অবস্থায় নবজাতকের কিশোরী মা’কে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
চিকিৎসাধীন কিশোরীর অভিযোগ, মোবাইলে পরিচয়ের পর বিয়ের প্রলোভন দিয়ে গত বছর দুর্গাপূজায় পীরগঞ্জের নীলদরিয়ায় বেড়াতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে পার্শ্ববতী এলাকার আরিফুল। মঙ্গলবার পেটের ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পথে রাস্তায় সন্তান প্রসব করলে লোকলজ্জার ভয়ে নবজাতককে ফেলে বাড়ির দিকে চলে যায় সে। তবে কিছু লোক তার চলে যাওয়া দেখে ফেলে এবং মাঝপথ থেকে নিয়ে এসে হাসপাতালে ভর্তি করে।
পুলিশ জানায়, গত বছরের জুনে নবম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে ফুসলিয়ে পীরগঞ্জের একটি মোটর সাইকেলের শোরুমের পেছনে পাঁচ বখাটে পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। এরপর গত মঙ্গলবার রাতে মেয়েটি পেটে ব্যথা অনুভব করলে হাসপাতালে নেয়ার পথে ছেলে সন্তান জন্ম দেয়। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) খবর প্রচারের পর ৫ জনকে আসামী করে পীরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওইদিনই পুলিশ পীরগঞ্জের আরিফুলকে গ্রেফতার করে।
পরে আজ বৃহস্পতিবার পীরগঞ্জ থেকে তাপস, সঞ্জিত ও গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরে রাহেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের মধ্যে তাপস, সঞ্জিত ও রাহেল বৃহস্পতিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেয়। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। নবজাতকটি শঙ্কামুক্ত নয় বলে বুধবার (৫ বুধবার) দুপুরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ইনিউজ ৭১/টি.টি. রাকিব