
প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২২, ১:১৮

মেহেরপুরের গাংনীতে মাদ্রাসা শিক্ষককে কুটুক্তি ও এক ছাত্রকে নির্যাতনের ঘটনায় মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার বালিয়াঘাট গ্রামে বিএএনভি হাফিজিয়া মাদ্রাসা লিল্লাহবোডিং ও এতিমখানার সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বালিয়াঘাট গ্রামের ইমারুল ইসলাম ও তার ভাই ইসরাফিল মাদ্রাসায় এসে এক শিক্ষককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও এক ছাত্রকে চড় থাপ্পড় মারে। এ ঘটনায় তাদের কয়েকবার মিটিং এ ডাকা হয়েছে কিন্তু তারা উপস্থিত হননি। তাদের অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। এঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত নেয়া হবে জানিয়ে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন এলাকাবাসী।
মাদ্রাসাছাত্র লাবিব হোসেন জানান,মাদ্রাসায় এসে আমাদের শিক্ষককে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করছিল আমি নিষেধ করায় আমাকে চড় মারে আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
মাদ্রাসার সুপার শামিমুজ্জামান শামীম জানান, ইমারুল ইসলামের ছেলে আমাদের মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে।তার বাবা প্রতিদিন এশার নামাজের পর তার সন্তানকে নিতে আসে।গত বুধবার রাতে খাওয়ার জন্য তার খোঁজ করা হলে দেখে সে বোর্ডিং এর এক কোনে লুকিয়ে।শিক্ষক ও ছাত্ররা তাকে বেরিয়ে আসতে বললে সে বলে আমি সকালে খেলা করতে গিয়ে বাবার মোবাইল নষ্ট করে ফেলেছি বাবা এখন এসে আমাকে মারবে।


এ সময় তার বাবা এসে বলে আমার ছেলে কোথায়।এরপরই শিক্ষকদের বিভিন্নভাবে গালাগালি করে পরে তার ভাইকে ডেকে আমাদের ছাত্রকে চড় থাপ্পড় মারে।আমাকেও মুঠোফোনে গালিগালাজ করে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার সভাপতি আবদুল মান্নান,মাদ্রাসার সুপার হাফেজ মাওলানা মোঃ সামিমুজ্জামান সামীম,স্থানীয় ইউপি সদস্য আশাদুল ইসলাম,সাবেক ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম,বামন্দী নিশিপুর স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক সাইফুল ইসলাম সহ স্থানীয় এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে ইমারুল ইসলাম জানান,শিক্ষকদের কোন গালাগাল ও চড় থাপ্পড় মারার কোন ঘটনা ঘটেনি। সম্পর্কে আমাদের নাতি হয়। তার সাথেএকটু ধাক্কা ধাক্কি হয়েছে।