প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২২, ২৩:৪৪
নওগাঁয় ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির ৯টি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার ভবানিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় প্রায় সাড়ে ৭লাখ টাকার ক্ষতি সাধান হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জমির মালিক।
জানা যায়,নওগাঁ সদর উপজেলার ভবানিপুর গ্রামের মশিউর রহমান তার বাড়ির পাশে ২০০৭সালে সাড়ে ৮শতক গাছসহ জমি ক্রয় করেন। সেখানে ২৫ গাছ মেহগনি ও একটি ইন্টিকড়ই গাছ ছিল। কিন্তু সোমবার বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় মৃত মোজাম্মেল হকের তিন ছেলে একরামুল হক, এমদাদুল হক, ইফতেখারুল হক ১০-১২জন লোক নিয়ে জোড় পূর্বক তাদের জমি দাবি করে ৮টি মেহগনি ও ১টি ইন্টিকড়ই গাছ কেটে নিয়ে যায়। বাঁধা দিতে গেলে হাসুয়া দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়।
ভুক্তভোগি মশিউর রহমান বলেন, অভিযুক্ত একরামুল হক, এমদাদুল হক, ইফতেখারুল হকের চাচা ৫চাচা মৃত নিল মোহাম্মদ, রিয়াজ উদ্দিন, মিয়াজান, তোজাম্মেল হোসেন এবং ময়েজ উদ্দিন এর কাছে ২০০০৭সালে জমিটি ক্রয় করি। ওই ৫জনের যৌথ মালিকানা ছিল তারা আমাকে জমিটি লিখে দেয়। সে সময় জমিটি ৮৫হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করি। আমি নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে আসছি। এছাড়া জমিটি খারিজ করা আছে। তাদের কাছে জমির কোন সঠিক দলিল নাই। তারা দাবি করছে জমিটি তাদের। দীর্ঘদিন যাবৎ জমিটি তাদের দাবি করে আমাকে হুমকি দিয়ে আসছে। তারা বড় ৮টি মেহগনি ও ১টি ইন্টিকড়ই গাছ কেটে নিয়ে গেছে। এতে করে আমার সাড়ে ৭লাখ টাকার মত ক্ষতি হয়েছে। আমি ঘটনাটির সঠিক সুরাহার দাবি করছি।
স্থানীয় ৯ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আসাদুজ্জামান সাগর বলেন, জমিটি মশিউর রহামানের মালিকানায় আছে। নিয়মিত খাজনাও দিয়ে আসছে বলে জানি। কিন্তু জোড় পূর্বক গাছ কেটে নিয়ে যায় একরামুল হক, এমদাদুল হক ও ইফতেখারুল হক। আমি আইনি পরামর্শ নেয়ার জন্য বলেছি।
অভিযুক্ত তিন ভাইয়ের মধ্যে ছোট ভাই একরামুল হকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, মশিউর রহমান যে জমির দাবি করছে সেটা সম্পর্ণ তার জমি নয়। ওখানে আমাদেরও জমি আছে। সে নাকি আদালতে মামলা করবে। মামলার রায় যদি তার পক্ষে যায়, তাহলে তখন সে জমি ভোগদখল করবে। আমরা গাছ কেটেছি। সে যা পারে করুক।
নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি ) নজরুল ইসলাম জুয়েল বলেন, এখন পর্যন্ত ব্যক্তি মালিকানার জমিতে জোড় পূর্বক কাছ কাটার বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।