প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২২, ১:৫২
কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটতে গিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন স্থানে অন্তত দেড়শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। রবিবার (১০ জুলাই) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত হাসপাতালের জরুরি বিভাগের রেজিস্টার বই (রোগীর তথ্যবই) থেকে এই তথ্য জানা গেছে। আহদের মধ্যে বেশিরভাগেরই হাত-পায়ের আঙুলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে গিয়ে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। এদের মধ্যে শহরের মেড্ডা এলাকার রাসেল ভূইয়া ও সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের সুতিয়ারা গ্রামের আল আমিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্যে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পশু কোরবানি ও মাংস কাটতে মৌসুমি কিছু কসাই এবং বিভিন্ন পরিবারের আনাড়ি সদস্যরা কাজ করেছেন। এদের অনেকেই কাজের অভিজ্ঞতা না থাকায় মাংসের বিভিন্ন অংশ কাটতে গিয়ে ধারালো ছুরি ও বটিতে আঘাত পান।
আহতদের মধ্যে শহরের কাজীপাড়া এলাকার ইমন মিয়া বলেন, মাংস কাটার সময় আমার হাতে ছুরির আঘাত লাগে। পরে পরিবারের লোকজন আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। আমার হাতে একটি সেলাই দেওয়া হয়েছে।
একই ধরনের তথ্য জানান ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিরাসার এলাকার শাকিল মিয়া। তিনি বলেন, সকালে কোরবানি দেওয়ার পর গরুর মাংস কাটার সময় অসাবধানতাবসত আমার হাতে ছুরি লেগে যায়। এতে রক্তক্ষরণ হচ্ছিলো। পরে সদর হাসপাতালে এসে ব্যান্ডেজ করি, পরে রক্ত ঝরা বন্ধ হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. অনির্বাণ মোদক বলেন, সকাল থেকে প্রায় দেড়শতাধিক রোগী হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন। তারা সবাই কোরবানির মাংস কাটতে গিয়ে আহত হন। সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরমধ্যে দুই জনের আগাত গুরুতর হওয়ায়, তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।