প্রকাশ: ৮ মে ২০২২, ২:৪৩
মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার সিমান্তবর্তী এলাকার ১৬ শ শতাদ্বীর নির্মানকৃত মসজিদ আজও সৌন্দয্য বহন করে চালু রয়েছে ঐতিহ্যবাহী কমলাপুর পাকা মসজিদ। মসজিদটি গৌরনদী ও কালকিনি উপজেলার সিমান্তে অবস্থিত।
সরেজমিন,স্থানীয় মসজিদের মুসল্লী ও ইতিহাস সুত্রে জানাযায়, ইট দিয়ে বানানো মসজিদটি একটু নিচু জায়গায় অবস্থিত। মসজিদের আয়তন ১৭.২২ মিদ্ধ৮.০৮ মিঃ। মসজিদের পূর্বে তিনটি ও উত্তর, দক্ষিন দিকে একটি করে মোট পাঁচটি প্রবেশ পথ রয়েছে। পূর্বপার্শ্বের প্রবেশ পথটি অন্য প্রবেশপথের চেয়ে বড়। মসজিদের কিবলার দিকে তিনটি অর্ধ-অষ্টভুজ মিহরাব আছে।
মিহরাবটি বাইরের দিকে অভিক্ষিপ্ত এবং দু'প্রান্তে দুটি ছোট অষ্টভুজ বুরুজ রয়েছে। ইটের তৈরি এই মসজিদকে খিলানের সাহায্যে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেক ভাগে একটি করে কন্দাকৃতির আকারে গম্বুজ আছে। সুলতানী বৈশিষ্ট্যের পোড়ামাটি দিয়ে মসজিদটি সাজানো হয়েছে। প্রবেশপথের আয়তাকার অংশ প্যাচানো ফুলেল নকশা, গোলাপ নকশা,জালি নকশা প্রভৃতি মোচিভ সংবলিত পোড়ামাটির ফলক দিয়ে সাজানো হয়েছে। মসজিদের প্রধান প্রবেশপথে যে শিলালিপিটি ছিল তা বর্তমানে হারিয়ে গেছে।
তথ্য সুত্রে বাদশা সায়েস্তা খানের আমল(১৬শ শতাদ্বী) মসজিদটি মাসুম খানের তৈরি বলে মনে করা হয়।
১৯৭৫ সাল থেকে মসজিদটি প্রতœতত্ত্ব বিভাগের অধীনে একটি সুরক্ষিত প্রতœতাত্ত্বিক স্থান হিসেবে রয়েছে।
দেশের বিভিন্ন জেলা ওবিভাগের পর্যটক আসেন মসজিদটি এক নজর দেখতে। মসজিদটি বহুকাল আগের হলেও একটুও কমেনি সৌন্দর্যের। মুসল্লীরা খুব ভাল ভাগে আদায় করেন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ।