প্রকাশ: ৮ অক্টোবর ২০২১, ১:৫৭
নাম তার চড়ুই পাখি হলেও আমাদের এলাকায় গ্রাম্য ভাষায় বলে, বিপদে পড়লে চানচড়াও এগিয়ে আসে।অসুস্থ অনুভব করেছিলাম তাই গতকাল রাত্রে চলে যায় মনোয়ারা হাসপাতালে সঙ্গে ছিলেন আমার মামু তনু। চিকিৎসা শেষ করার পর ফেরার পথে মনোয়ারা হাসপাতালের এর গেটের সামনে আসতে আম গাছ থেকে চড়ুই পাখি সুরত করে উড়াউড়ি শুরু করলো।
তাকাইতে দেখি গাছের মধ্যে শুধু চড়ুই পাখি। শুক্রবার (৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে এগারোটা এ সময় পাশে মনোয়ারা হাসপাতালের মালিক বিপ্লব।জিজ্ঞেস করলাম তোরা কি চড়ুই পাখি পালন করোস নাকি।বিপ্লব উত্তরে বলেন না কিছুদিন হয় এই পাখিগুলো আমিও দেখতে পাই। জানিনা এত পাখি কোথায় থেকে আসলো, তবে এদের শব্দগুলো অনেক ভালো লাগে রাতে।
চড়াই বা চড়ুই আমাদের দেশের একটি অত্যন্ত সুলভ আবাসিক পাখি। দেশের প্রায় সব অঞ্চলে দেখা যায়। এদের আদি নিবাস ছিল মূলত ইউরেশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশ। ইউরোপ ও এশিয়া থেকে ছড়িয়ে পড়ে এখন অ্যান্টার্কটিকা ছাড়া পৃথিবীর সব মহাদেশে এর বৈশ্বিক বিস্তৃতি রয়েছে। ধারণা করা হয় পৃথিবীতে বন্য পাখিদের মধ্যে চড়ুই সবচেয়ে বেশি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
এলাকাবাসী তথ্য মতে জানাযায়, এ মৌসুম থেকে শুরু করে তিন মাস তারা নিজস্ব তাদের বানানো ঘরে বাসস্থানে তাকে না। আপনারা লক্ষ্য করে দেখবেন চড়ুই পাখি ঘরের ছাদের কোনায় বা বিল্ডিংয়ের সানসেট সাধারণত তারা বাসা বেঁধে বসবাস করে। কিন্তু এই তিনমাস তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে। বিভিন্ন গাছের ডালে বা পাতায় রাতে একসাথে মিলনমেলায় মিলিত হয়। গতরাতে সরাইল সদর উপজেলার লাখাই সড়কের পাশে মনোয়ারা হাসপাতাল এর আমগাছে হাজারো চড়ুই পাখির মেলা। কিচিরমিচির শব্দে রাত যেন মুখরিত হয়ে উঠেছে মনোয়ারা হাসপাতাল।
বই ঘাটলে জানাযায়, জীববিজ্ঞান অনুযায়ী পৃথিবীব্যাপী মোট ৪৮ প্রজাতির চড়ুই দেখতে পাওয়া যায়। এদের পরিবার ১১টি গণে বিভক্ত। আমাদের দেশে সাধারণত ২টি প্রজাতি দেখতে পাওয়া যায়। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি দুটি হচ্ছে— পাতি চড়ুই ও ইউরেশীয় গাছ চড়ুই। পাতি চড়ুই পাখিই গৃহস্থালির চড়ুই বলে পরিচিত।সরাইল মনোয়ারা হাসপাতাল গাছের পাতা-পাতায় চড়ুই মেলা।
মো. তাসলিম উদ্দিন সরাইল( ব্রাহ্মণবাড়িয়া) নাম তার চড়ুই পাখি হলেও আমাদের এলাকায় গ্রাম্য ভাষায় বলে, বিপদে পড়লে চানচড়াও এগিয়ে আসে।অসুস্থ অনুভব করেছিলাম তাই গতকাল রাত্রে চলে যায় মনোয়ারা হাসপাতালে সঙ্গে ছিলেন আমার মামু তনু। চিকিৎসা শেষ করার পর ফেরার পথে মনোয়ারা হাসপাতালের এর গেটের সামনে আসতে আম গাছ থেকে চড়ুই পাখি সুরত করে উড়াউড়ি শুরু করলো। তাকাইতে দেখি গাছের মধ্যে শুধু চড়ুই পাখি। শুক্রবার (৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে এগারোটা এ সময় পাশে মনোয়ারা হাসপাতালের মালিক বিপ্লব।জিজ্ঞেস করলাম তোরা কি চড়ুই পাখি পালন করোস নাকি।বিপ্লব উত্তরে বলেন না কিছুদিন হয় এই পাখিগুলো আমিও দেখতে পাই। জানিনা এত পাখি কোথায় থেকে আসলো, তবে এদের শব্দগুলো অনেক ভালো লাগে রাতে।
চড়াই বা চড়ুই আমাদের দেশের একটি অত্যন্ত সুলভ আবাসিক পাখি। দেশের প্রায় সব অঞ্চলে দেখা যায়। এদের আদি নিবাস ছিল মূলত ইউরেশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশ। ইউরোপ ও এশিয়া থেকে ছড়িয়ে পড়ে এখন অ্যান্টার্কটিকা ছাড়া পৃথিবীর সব মহাদেশে এর বৈশ্বিক বিস্তৃতি রয়েছে। ধারণা করা হয় পৃথিবীতে বন্য পাখিদের মধ্যে চড়ুই সবচেয়ে বেশি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
এলাকাবাসী তথ্য মতে জানাযায়, এ মৌসুম থেকে শুরু করে তিন মাস তারা নিজস্ব তাদের বানানো ঘরে বাসস্থানে তাকে না। আপনারা লক্ষ্য করে দেখবেন চড়ুই পাখি ঘরের ছাদের কোনায় বা বিল্ডিংয়ের সানসেট সাধারণত তারা বাসা বেঁধে বসবাস করে। কিন্তু এই তিনমাস তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে। বিভিন্ন গাছের ডালে বা পাতায় রাতে একসাথে মিলনমেলায় মিলিত হয়। গতরাতে সরাইল সদর উপজেলার লাখাই সড়কের পাশে মনোয়ারা হাসপাতাল এর আমগাছে হাজারো চড়ুই পাখির মেলা। কিচিরমিচির শব্দে রাত যেন মুখরিত হয়ে উঠেছে মনোয়ারা হাসপাতাল।
বই ঘাটলে জানাযায়, জীববিজ্ঞান অনুযায়ী পৃথিবীব্যাপী মোট ৪৮ প্রজাতির চড়ুই দেখতে পাওয়া যায়। এদের পরিবার ১১টি গণে বিভক্ত। আমাদের দেশে সাধারণত ২টি প্রজাতি দেখতে পাওয়া যায়। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি দুটি হচ্ছে— পাতি চড়ুই ও ইউরেশীয় গাছ চড়ুই। পাতি চড়ুই পাখিই গৃহস্থালির চড়ুই বলে পরিচিত।
একটি চড়ুই সাধারণত দৈর্ঘ্যে মাত্র ১৫ সেন্টিমিটার (৬.৩ ইঞ্চি) পর্যন্ত হয়। ওজনে ২৪ গ্রাম, ডানা ৭.৫ সেন্টিমিটার, ঠোঁট ১.৪ সেন্টিমিটার, পা ২ সেন্টিমিটার ও লেজ ৫.৪ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। লিঙ্গভেদে পাখির চেহারায় কিছুটা পার্থক্য লক্ষ করা যায়।পাতি চড়ুই জনবসতির মধ্যে থাকতে ভালোবাসে বলে তার নাম গৃহস্থালির চড়াই। খড়কুটো, শুকনো ঘাস-পাতা দিয়ে কড়িকাঠে, কার্নিশে বাসা বাঁধে। সমস্ত দিন এরা লাফিয়ে বেড়ায়। মাটি থেকে পোকামাকড়, শস্য খুঁটে খায়। আসলেই প্রাকৃতিগতভাবে আমরা কোন সময় ভুলতে পারিনা ছোট্ট চড়ুই পাখিকে।সাধারণত আমাদের ঘরে বসবাস করে। আমরা চানচড়া বলেই শুনি।