প্রকাশ: ২৭ আগস্ট ২০২১, ১৮:১৪
একাধারে কয়েকদিনের ভারি বর্ষণের ফলে টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে অভ্যন্তরীণ ধলেশ্বরী, লৌহজং, বংশাই ও ঝিনাই নদীর পানিও বৃদ্ধি পেয়েছে। টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, টাঙ্গাইলে যমুনা, ধলেশ্বরী ও ঝিনাইসহ অনান্য নদী পানি আবারো বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় যমুনা নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার, ধলেশ্বরী নদীর পানি ৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ২৩ সেন্টিমিটার এবং ঝিনাই নদীর পানি ৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে, বিভিন্ন নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী, ভুঞাপুর, মির্জাপুর, বাসাইল ও নাগরপুর উপজেলার নদী তীরবর্তী নিচু এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এসব এলাকায় দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে নদী ভাঙ্গনও অব্যাহত আছে।একাধারে কয়েকদিনের ভারি বর্ষণের ফলে এ পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে যমুনা নদীর চরাঞ্চল,
নিম্নাঞ্চল নদী তীরবর্তী এলকার ফসলি জমি ও ঘরবাড়িসহ শত শত পরিবার পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে। যমুনা ছাড়াও ধলেশ্বরী নদীর পানি ৪ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ও ঝিনাই নদীর পানি ৯ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, এভাবে পানি বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে আমন ধানের ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে তবে ইতোমধ্যে কিছু জায়গায় আমন ধান বন্যায় তলিয়ে গেছে। এখনও নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।