করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষায় উদ্বৃদ্ধ করতে নওগাঁয় ফ্রি টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এক শ্রেনীর মানুষ যারা টাকা দিয়ে করোনা টেস্ট করা সম্ভব না। দ্বৈবচয়ন পদ্ধতিতে রাস্তার পাশে কিংবা উন্মুক্ত স্থানে টেবিল-চেয়ার পেতে স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদেরকে ডেকে বিনামূল্যে ফ্রিতে র্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট করিয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন বয়সের পথচারী, যানবাহনের যাত্রী ও চালক, দিনমজুর ও চা-পান দোকানিদের বিনা খরচে র্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট করানো হয়। যেখানে উদ্বেগজনক হারে ফলাফল পাওয়া গেছে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের অধিকাংশই ছিলো উপসর্গবিহীন।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ৬জুন নওগাঁ জিলা স্কুল মাঠে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিনামূল্যে ফ্রি করোনা টেস্ট শুরু করা হয়। সেদিন জেলায় র্যাপিড এন্টিজেন টেস্টে ১ হাজার ১০৮ টি নমুনার মধ্যে ৯৫ টি পজিটিভ হয়েছে। যা সনাক্তের হার ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
গত ৬ জুন রোবরার থেকে ১০ জুন বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত জেলার ১১টি উপজেলায় ২ হাজার ২৭১ জনের র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হয়। পরীক্ষায় যেখানে ২৫০ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। নানা কারণে অনেকেই করোনাভাইরাস পরীক্ষা করেননি। স্বাস্থ্যবিভাগ থেকে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাকেন্দ্রের মাধ্যমে বিনা খরচে র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করানো হয়। উপসর্গহীন এমন অনেকের শরীরের করোনা ভাইরাস পজেটিভ হয়েছে।
এ কারণে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষদের করোনা ভাইরাসের নমুনা ফ্রি টেস্ট করতে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে উদ্বৃদ্ধ করা হচ্ছে। যত বেশি নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হবে মানুষের মাঝে সচেতনরা তত বাড়বে বলে ধারনা করছেন জেলার স্বাস্থ্য বিবাগ।
নওগাঁ শহরের তাজের মোড়েরর বাসিন্দা ভ্যান চালক আহাদ আলী বলেন, হামি ভ্যান চালা ৩জন সদস্যের সংসার চালায় ম্যালা কষ্টে। হামার রোদ আর গরোমের জন্নি এ্যানা সর্দি লাগাই থাকে। করোনার যে অবস্থা ভয় হচ্ছিল করোনা হলো নাকি। যদি করোনা
পরীক্ষা করায় তালে ১০০ ট্যাকা লাগবে। এই ভয়ে করোনা পরীক্ষা করনি এতোদিন।
বৃহস্পতিবার বিকালে তাজের মোড়োত ট্যাকা ছাড়াই ফ্রি টেস্ট করানি। আল্লাহর রহমতে কোন সমস্যা হয়নি। হামি সুস্থ আছি করোনা নাই হামার শরীলোত। শহরের মাষ্টারপাড়া মহল্লার দিনমজুর আকবর আলীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, হামি একজন দিনমজুর। সারাদিন মজুরের কাম করা যা পাই সেডা দিয়া ৪সদস্যের সংসার কোন রকমে চলে। এতদিন করোনার পরিক্ষা হামি করনি। শহরোত মাইকিং হচ্ছে। যারকে ট্যাকা দিয়া করোনার পরিক্ষা করার মত অবস্থা নাই তারা ফ্রিতে পরিক্ষা করবার পারবে।
তাই ভাবনু পরিক্ষা করাই ফেলি। এর পর আজ সকালে শহরের এটিম মাঠোত স্বাস্থ্যকর্মী ভাইকেরে মাধ্যমে পরিক্ষা করাই ফেলনু। ৩০মিনিট পর জানবার পারনু হামার দেহোত কোন করনা নাই। শুনা শান্তি পানু। ফ্রি পরিক্ষা করার নিয়ম করা হামাকে মত গরীব মাুষের জন্নি ভালোই হচে। এর জন্নি সরকারোক ধন্যবাদ জানাই।
নওগাঁর ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মঞ্জুর-এ মোর্শেদ বলেন, যারা গরীব মানুষ আছে তারা টাকার অভাবে করোনা টেস্ট করতে পারে না। এ কারণে গত ৬ জুন থেকে সারা জেলায় ফ্রি এন্টিজেন টেস্ট শুরু করা হয়েছে। বিশেষ করে নওগাঁ জেলায় যারা গরীব তাদের জন্যই মুলত এ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। যেখানে প্রতিদিন ২০০-২৫০ জনের এন্টিজেন টেস্ট করা হচ্ছে। আমরা যত বেশি স্যাম্পুল টেস্ট করবো তত বেশি ফলাফল পাবো। কম পরিমাণ নমুনা টেস্ট করলে আশানুরুপ ফলাফল পাবো না।
তিনি আরও বলেন, মানুষকে জানান দিতে উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যকর্মীদের দিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নওগাঁর পতিটি উপজেলায় ফ্রি এন্টিজেন টেস্টর ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাকে দ্বৈবচয়ন পদ্ধতি বলা হয়েছে। মানুষকে নমুনা দিতে উদ্বৃদ্ধ করা হচ্ছে।
প্রথমে কেউ নমুনা দিতে চাচ্ছিল না। পরে তাদের বুঝিয়ে নমুনা নেওয়া হয়েছে এবং উপসর্গ বিহীন অনেকেরই করোনা পজেটিভ হয়েছে। জেলা জুরে ফ্রিতে নমুনা টেস্টের বিষয়ে মাইকিং করা হচ্ছে। যাদের উপসর্গ আছে বা নাই তাদের সবাইকে নমুনা দেওয়ার জন্য উদ্বৃদ্ধ করা হয়েছে। যাদের টাকা দেওয়ার সামর্থ্য নাই তাদের জন্য প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফ্রি এন্টিজেন টেস্টের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে দুএক দিনের মধ্যে একটি ফরম করা হবে। যাদের টাকা দিয়ে টেস্ট করার মত সামর্থ্য নাই সেই ফমর পূরণ করে স্বাক্ষর নিয়ে ফ্রিতে টেস্ট করানো হবে।
নওগাঁ সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার (ডিজিজ কন্ট্রোল) ডা. আশীষ কুমার সরকার জানান, গত ২৪ ঘন্টায় মোট ৩৭২ ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৩ ব্যক্তির নওগাঁ সদর হাসপাতালে এ্যান্টিজেন পরীক্ষা এবং ১৭৯
ব্যক্তির রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৯জনের নমুনায় করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্তের হার ২৫ দশমিক ২৬ শতাংশ প্রায়। জেলার সাপাহার উপজেলায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে জেলায় মোট মৃত্যু হলো ৪৯ ব্যক্তির।
উপজেলা ভিত্তিক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা হলো সদর উপজেলায় ১২জন, রানীনগর উপজেলায় ৩জন, আত্রাই উপজেলায় ৮জন, মহাদেবপুর উপজেলায় ৪জন, বদলগাছি উপজেলায় ২জন, মান্দা উপজেলায় ৫জন, ধামইরহাট উপজেলায় ৮জন, সাপাহার উপজেলায় ১২জন, পোরশা উপজেলায় ৬জন এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় ৩৪জন। এনিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা হলো ২ হজার ৬৮৬জন। এ সময় সুস্থ্য হয়েছেন ২২জন। মোট সুস্থ্য হয়েছে ২ হাজার ১০৩জন।
এদিকে জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় কোয়ারেনটাইনে নেয়া হয়েছে ২৬৪ ব্যক্তিকে। এ সময় কোয়ারেনটাইন থেকে কেউ ছাড়পত্র পাননি। বর্তমানে নওগাঁ জেলা সদরের হাসপাতালসহ ১১টি উপজেলা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন আছেন ৩৬জন।
আক্রান্ত অন্যরা নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহন করছেন। নওগাঁয় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত বছরের ২৩ এপ্রিল। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৪৯ জন।
নওগাঁয় র্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট; বেড়েছে শনাক্ত
করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষায় উদ্বৃদ্ধ করতে নওগাঁয় ফ্রি টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এক শ্রেনীর মানুষ যারা টাকা দিয়ে করোনা টেস্ট করা সম্ভব না। দ্বৈবচয়ন পদ্ধতিতে রাস্তার পাশে কিংবা উন্মুক্ত স্থানে টেবিল-চেয়ার পেতে স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদেরকে ডেকে বিনামূল্যে ফ্রিতে র্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট করিয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন বয়সের পথচারী, যানবাহনের যাত্রী ও চালক, দিনমজুর ও চা-পান দোকানিদের বিনা খরচে র্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট করানো হয়। যেখানে
উদ্বেগজনক হারে ফলাফল পাওয়া গেছে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের অধিকাংশই ছিলো উপসর্গবিহীন।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ৬জুন নওগাঁ জিলা স্কুল মাঠে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিনামূল্যে ফ্রি করোনা টেস্ট শুরু করা হয়। সেদিন জেলায় র্যাপিড এন্টিজেন টেস্টে ১ হাজার ১০৮ টি নমুনার মধ্যে ৯৫ টি পজিটিভ হয়েছে।
যা সনাক্তের হার ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
গত ৬ জুন রোবরার থেকে ১০ জুন বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত জেলার ১১টি উপজেলায় ২ হাজার ২৭১ জনের র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হয়। পরীক্ষায় যেখানে ২৫০ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। নানা কারণে অনেকেই করোনাভাইরাস পরীক্ষা করেননি। স্বাস্থ্যবিভাগ থেকে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাকেন্দ্রের মাধ্যমে বিনা খরচে র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করানো হয়। উপসর্গহীন এমন অনেকের শরীরের করোনা ভাইরাস পজেটিভ হয়েছে। এ কারণে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষদের করোনা ভাইরাসের নমুনা ফ্রি টেস্ট করতে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে উদ্বৃদ্ধ করা হচ্ছে। যত বেশি নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হবে মানুষের মাঝে সচেতনরা তত বাড়বে বলে ধারনা করছেন জেলার স্বাস্থ্য বিবাগ।
নওগাঁ শহরের তাজের মোড়েরর বাসিন্দা ভ্যান চালক আহাদ আলী বলেন, হামি ভ্যান চালা ৩জন সদস্যের সংসার চালায় ম্যালা কষ্টে। হামার রোদ আর গরোমের জন্নি এ্যানা সর্দি লাগাই থাকে। করোনার যে অবস্থা ভয় হচ্ছিল করোনা হলো নাকি। যদি করোনা
পরীক্ষা করায় তালে ১০০ ট্যাকা লাগবে। এই ভয়ে করোনা পরীক্ষা করনি এতোদিন।
বৃহস্পতিবার বিকালে তাজের মোড়োত ট্যাকা ছাড়াই ফ্রি টেস্ট করানি। আল্লাহর রহমতে কোন সমস্যা হয়নি। হামি সুস্থ আছি করোনা নাই হামার শরীলোত। শহরের মাষ্টারপাড়া মহল্লার দিনমজুর আকবর আলীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, হামি একজন দিনমজুর। সারাদিন মজুরের কাম করা যা পাই সেডা দিয়া ৪সদস্যের সংসার কোন রকমে চলে। এতদিন করোনার পরিক্ষা হামি করনি। শহরোত মাইকিং হচ্ছে। যারকে ট্যাকা দিয়া করোনার পরিক্ষা করার মত অবস্থা নাই তারা ফ্রিতে পরিক্ষা করবার পারবে।
তাই ভাবনু পরিক্ষা করাই ফেলি। এর পর আজ সকালে শহরের এটিম মাঠোত স্বাস্থ্যকর্মী ভাইকেরে মাধ্যমে পরিক্ষা করাই ফেলনু। ৩০মিনিট পর জানবার পারনু হামার দেহোত কোন করনা নাই। শুনা শান্তি পানু। ফ্রি পরিক্ষা করার নিয়ম করা হামাকে মত গরীব মাুষের জন্নি ভালোই হচে। এর জন্নি সরকারোক ধন্যবাদ জানাই।
নওগাঁর ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মঞ্জুর-এ মোর্শেদ বলেন, যারা গরীব মানুষ আছে তারা টাকার অভাবে করোনা টেস্ট করতে পারে না। এ কারণে গত ৬ জুন থেকে সারা জেলায় ফ্রি এন্টিজেন টেস্ট শুরু করা হয়েছে। বিশেষ করে নওগাঁ জেলায় যারা গরীব তাদের জন্যই মুলত এ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। যেখানে প্রতিদিন ২০০-২৫০ জনের এন্টিজেন টেস্ট করা হচ্ছে। আমরা যত বেশি স্যাম্পুল টেস্ট করবো তত বেশি ফলাফল পাবো। কম পরিমাণ নমুনা টেস্ট করলে আশানুরুপ ফলাফল পাবো না।
তিনি আরও বলেন, মানুষকে জানান দিতে উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যকর্মীদের দিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নওগাঁর পতিটি উপজেলায় ফ্রি এন্টিজেন টেস্টর ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাকে দ্বৈবচয়ন পদ্ধতি বলা হয়েছে। মানুষকে নমুনা দিতে উদ্বৃদ্ধ করা হচ্ছে।
প্রথমে কেউ নমুনা দিতে চাচ্ছিল না। পরে তাদের বুঝিয়ে নমুনা নেওয়া হয়েছে এবং উপসর্গ বিহীন অনেকেরই করোনা পজেটিভ হয়েছে। জেলা জুরে ফ্রিতে নমুনা টেস্টের বিষয়ে মাইকিং করা হচ্ছে। যাদের উপসর্গ আছে বা নাই তাদের সবাইকে নমুনা দেওয়ার জন্য উদ্বৃদ্ধ করা হয়েছে। যাদের টাকা দেওয়ার সামর্থ্য নাই তাদের জন্য প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফ্রি এন্টিজেন টেস্টের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে দুএক দিনের মধ্যে একটি ফরম করা হবে। যাদের টাকা দিয়ে টেস্ট করার মত সামর্থ্য নাই সেই ফমর পূরণ করে স্বাক্ষর নিয়ে ফ্রিতে টেস্ট করানো হবে।
নওগাঁ সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার (ডিজিজ কন্ট্রোল) ডা. আশীষ কুমার সরকার জানান, গত ২৪ ঘন্টায় মোট ৩৭২ ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৩ ব্যক্তির নওগাঁ সদর হাসপাতালে এ্যান্টিজেন পরীক্ষা এবং ১৭৯
ব্যক্তির রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৯জনের নমুনায় করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্তের হার ২৫ দশমিক ২৬ শতাংশ প্রায়। জেলার সাপাহার উপজেলায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে জেলায় মোট মৃত্যু হলো ৪৯ ব্যক্তির।
উপজেলা ভিত্তিক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা হলো সদর উপজেলায় ১২জন, রানীনগর উপজেলায় ৩জন, আত্রাই উপজেলায় ৮জন, মহাদেবপুর উপজেলায় ৪জন, বদলগাছি উপজেলায় ২জন, মান্দা উপজেলায় ৫জন, ধামইরহাট উপজেলায় ৮জন, সাপাহার উপজেলায় ১২জন, পোরশা উপজেলায় ৬জন এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় ৩৪জন। এনিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা হলো ২ হজার ৬৮৬জন। এ সময় সুস্থ্য হয়েছেন ২২জন। মোট সুস্থ্য হয়েছে ২ হাজার ১০৩জন।
এদিকে জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় কোয়ারেনটাইনে নেয়া হয়েছে ২৬৪ ব্যক্তিকে। এ সময় কোয়ারেনটাইন থেকে কেউ ছাড়পত্র পাননি। বর্তমানে নওগাঁ জেলা সদরের হাসপাতালসহ ১১টি উপজেলা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন আছেন ৩৬জন।
আক্রান্ত অন্যরা নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহন করছেন। নওগাঁয় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত বছরের ২৩ এপ্রিল। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৪৯ জন।