রেজাউলসহ কয়েকজন মৌয়াল গত সপ্তাহে বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন থেকে মধু কাটার উদ্দেশে সুন্দরবনে যান। ঈদের সময়ও বাড়িতে ফেরেননি তারা। রেজাউলের সহযোগী মৌয়ালদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি শুক্রবার বিকেলে রেজাউলকে বাঘে ধরে। পরে তারা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে বাড়ি ফিরেছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা সুলতান আহমেদ বলেন, ‘বনজীবীদের মাধ্যমে বাঘের আক্রমণে রেজাউল নামে এক ব্যক্তির নিহত হয়েছে। তার মৃতদেহ উদ্ধার করে লোকালয়ে আনা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে রেজাউলের পিতাকেও সুন্দরবনের বাঘে খেয়েছে। নিহত রেজাউলের ২ সন্তান,স্ত্রী,মা ও ইয়াতিম ভাই-বোন রয়েছে। তিনি ছিলেন পরিবারে একজন উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।