গতকাল রবিবার সকাল থেকেই বিজিবির সদস্যরা টহল দিচ্ছেন পাটুরিয়া ঘাটে। একইসঙ্গে চেকপোস্ট বসিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন তারা। তবে তা সত্ত্বেও দক্ষিণ- পশ্চিমাঞ্চলে হাজার হাজার মানুষ ঘাটে আসছে। যেন ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে পাটুরিয়া ঘাটে।
বিআইডব্লিউটিসি রবিবার রাতভর ১৬টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করলেও গতকাল ভোর থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।
দিনের বেলায় শুধু জরুরি পরিসেবার জন্য ২টি ফেরিতে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।
সোমবার (১০ মে) সকাল ১১ টায় পাটুরিয়া ঘাট থেকে ইউটিলিটি 'ফেরি বনলতা' ১ টি আ্যাম্বুলেন্স ও সহস্রাধিক যাত্রী নিয়ে বেলা সাড়ে ১১ টায় দৌলতদিয়া ঘাটে এসে পৌছায়।
ফেরিটিতে যাত্রীদের চাপে তিল ফেলানোর কোন জায়গা ছিলো না।
এদিকে শুক্রবার ও শনিবার দৌলতদিয়া ঘাটে ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেশী থাকায় রোববার ও সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত যাত্রী ও যানবাহনের চাপ কম ছিলো।
তবে ঘরমুখো মানুষকে ঠেকাতে জেলাপুলিশ কঠোর অবস্থান গ্রহন করেন।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌপরিবহনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারি মহাব্যবস্থাপক ফিরোজ শেখ বলেন, দিনে ফেরি বন্ধ।
শুধু জরুরী পরিষেবায় বহরের ১৬টি ফেরির মধ্যে ২টি দিয়ে কিছু যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। তাও অ্যাম্বুলেন্স ও রোগী ছাড়া ফেরিতে উঠতে পারবেনা। তবে রাতে পণ্যবাহী পরিবহন পারাপারের জন্য সবগুলো ফেরি সচল রাখা হবে।