প্রকাশ: ১০ জানুয়ারি ২০২০, ০:২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিষয়টি নির্বাচন কমিশন (ইসি) নিশ্চিত করেছে। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, বর্তমান পরিস্থিতিতে নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ কার্যত শূন্য থাকায় সংবিধানের বিশেষ ধারা অনুযায়ী সিইসি শপথ পড়ানোর দায়িত্ব পালন করবেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের পর নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর সর্বোচ্চ তিন দিনের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে আগামী ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেইন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল
দেশের সিনিয়র সাংবাদিক ও সম্পাদক শফিক রেহমান, প্রয়াত সংগীতশিল্পী ও গিটারিস্ট আইয়ুব বাচ্চু, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও প্রযোজক ববিতাসহ ১০ গুণী ব্যক্তিকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক-২০২৬ প্রদান করা হচ্ছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সরকার এই সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম এ
আশুলিয়ায় চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সাতজনকে হত্যা ও মরদেহ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর
সরকার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ১,০৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে একটি বিশেষ প্রজ্ঞাপন জারি করে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। নিয়োগপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটদের মূল দায়িত্ব হবে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করা এবং ভোটগ্রহণের আগে ও পরে মাঠ পর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলার তদারকি করা। এছাড়া মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে