
প্রকাশ: ২৬ জুন ২০১৯, ৪:১১

রাস্তায় চলাচল করা মোটরসাইকেল ও ড্রাইভিং লাইসেন্সধারী রাইডারদের মধ্যে যে একটা গ্যাপ রয়েছে, সেটা কমিয়ে আনার জন্য এখন মোটরসাইকেল কিনতে গেলে ড্রাইভিং লাইসেন্স লাগবে, একদম কম হলেও তাকে লার্নার লাইসেন্সধারী হতে হবে মোটরসাইকেল ক্রয় করার জন্য। Bangladesh Road Transport Authority (BRTA) এই নিয়মটি সকল মোটরসাইকেল উৎপাদন কোম্পানি এবং যারা মোটরসাইকেল বিক্রয় করছেন তাদের সকলের জন্য প্রযোজ্য হবে, এছাড়া যারা মোটরসাইকেল কিনতে আগ্রহী তাদেরকে ট্রেইন করে একটি কমপ্লায়েন্স রিপোর্টও দিতে বলা হয়েছে। BRTA গত ১৩ জুন ২০১৯ তারিখে সকল মোটরসাইকেল এসেম্বলি প্রতিষ্ঠান উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং বিক্রয় প্রতিষ্ঠান সমূহকে এই মর্মে নোটিশ প্রদান করেছে। ”BRTA এর রেজিস্টার্ড মোটরসাইকেল এবং লাইসেন্সধারী বাইকারদের মধ্যে একটি অনেক বড় গ্যাপ রয়েছে। আমরা এই গ্যাপটাকে কমিয়ে এনে রাস্তায় চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চত করতে চাচ্ছি ।” বলেছেন BRTA এর ইঞ্জিনিয়ার ডিপার্ট্মেন্টের ডিরেক্টর লোকমান হোসেইন মোল্লা।



গত মাসে রোড ট্রান্সপোর্ট এবং হাইওয়ে ডিভিশন (RTHD) মত বিনিময় সভা করেছে বিভিন্ন মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, এসেম্বলিং প্রতিষ্ঠান এবং যারা মোটরসাইকেল বিক্রিয়ের সাথে যুক্ত রয়েছে। মত বিনিময় সভায় ডিভিশন সেক্রেটারী জনাব নজরুল ইসলাম বলেছেন, “তিনি কয়েকটি ফোরামের সাথে কথা বলেছেন যে তারা বলেছে মোটরসাইকেল ক্রয়ের ক্ষেত্রে ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকা জরুরী। কিন্তু কোম্পানি গুলো এই প্রস্তাবের সাথে অসম্মতি জানিয়েছে, তারা বলেছে এতে করে মোটরসাইকেলের মার্কেট গ্রোথ কমে যাবে।” বর্তমানে একজন ব্যক্তিকে লাইসেন্স পেতে হলে প্রথমে তাকে লোকাল বিআরটিএ অফিস থেকে লার্নার কার্ড সংগ্রহ করতে হবে। এরপর বিআরটিএ তাকে সময় দেবে লিখিত, মৌখিক ও প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য। এই তিনটি পরীক্ষায় পাস করলেই কেবল তাকে লাইসেন্স প্রদান করা হবে। কিন্তু এই পদ্ধতিটি অনেক জটিল এবং সময় সাপেক্ষ। এটি সম্পন্ন করতে প্রায় ছয় থেকে এক বছর লেগে যায়। আর এই কারনের ব্রোকারের একটি চক্র তৈরি হয়েছে। এই ব্রোকারদের সাথে যুক্ত হয়েছে বিআরটিএ এর কিছু অসৎ স্টাফ, যারা টাকা বা ঘুষ খেয়ে দ্রুত পেপার্স তৈরি করে দেয়। মোটরসাইকেল কোম্পানি গুলো এই দিকটায় লক্ষ্য রাখতে বলেছেন। যাতে করে লোকজন দ্রুত ও ঝামেলা মুক্ত ভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে পারে।
ইনিউজ ৭১/টি.টি. রাকিব