প্রকাশ: ১২ জুন ২০২১, ২১:৫৫
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসের টিকার জন্য চীনের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি বহনকারী ছয়টি জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। তবে এর মধ্যে পাঁচটি জাহাজের জ্বালানি চালান ইতোমধ্যে বৈশ্বিক সরবরাহকারীরা বাতিল করেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, তেহরানে পাঠানো জাহাজের তালিকাটি পুরোনো পরিকল্পনা ও নথির ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছিল। এতে কাতারএনার্জি এবং ওমানভিত্তিক ওকিউ ট্রেডিংয়ের ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণা বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শৃঙ্খলা নিশ্চিত, সেবাগ্রহণকারী নাগরিকদের সুবিধা বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে নতুন কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিজ নিজ অফিস কক্ষে বাধ্যতামূলকভাবে অবস্থান করতে হবে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোসা. তানিয়া ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক আনুষ্ঠানিক নোটিশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা ১ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল দ্রুত দেশে আনতে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক পর্যায়ে নিবিড় আলোচনা চলছে। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের একটি জাহাজে বহন করা এই বিপুল পরিমাণ ক্রুড অয়েল বর্তমানে সৌদি আরবের রাস তানুরা
গণভোটের রায়ের যথাযথ প্রতিফলন না হওয়ার অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল। বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে এ ঘটনা ঘটে। প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের জন্য ৭১ বিধির আওতায় ফ্লোর নেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। বক্তব্যে তিনি বলেন, “দেশবাসীর দেওয়া গণভোটের রায়ের যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি এবং জনগণ কোনো প্রতিকার পায়নি। এই অবমূল্যায়ন
ব্যক্তিকেন্দ্রিক উন্নয়নের পরিবর্তে পরিবারভিত্তিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ব্যক্তি নয় বরং পরিবারের উন্নয়নই ফ্যামিলি কার্ডের মূল দর্শন।” এই কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবারের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি সমাজে নারীর ক্ষমতায়ন আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি