পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ৩টি ফেরি চলাচল শুরু করেছে বিআইডব্লিউটিসি। এছাড়া শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাট থেকে ১১ হাজার যাত্রী নিয়ে ছেড়ে গেছে পৃথক ৩টি ফেরি।
ফেরি বন্ধ থাকার বিষয়টি না জানার কারণে ঘাটে এসে বিপাকে পড়েছেন হাজারো যাত্রী ও যানবাহন চালকরা।
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় এবং ব্যক্তিগত ছোট গাড়ির দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা গেছে। তবে যাত্রীদের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনা করে ঘাট কর্তৃপক্ষ তিনটি ফেরি পাটুরিয়া থেকে দৌলতদিয়া ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে দিয়েছে।
ঘাট এলাকায় আগত যাত্রীরা মাস্ক ব্যবহার করলেও সামাজিক দূরত্ব রক্ষার কোনো বালাই ছিল না। স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করেই ঈদে বাড়ি যাচ্ছেন যাত্রীরা।
নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে শনিবার সকাল ৯টা ৫ মিনিটের দিকে ফেরি কুঞ্জলতা ছেড়ে যায় শিমুলিয়া ঘাট থেকে। এরপর বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রো-রো ফেরি এনায়েতপুরী ও পৌনে একটার দিকে শিমুলিয়া ঘাট ছেড়ে বাংলাবাজার ঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় রো-রো ফেরি শাহপরান।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বিআইডব্লিউটিসি শনিবার ভোর ৬টা থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রেখেছে। তবে সীমিত পরিসরে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ৩টি ফেরি চলাচল শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, সকাল থেকে পুলিশ ঘাট এলাকায় কোনো যানবাহন ঢুকতে দিচ্ছে না। কয়েক কিলোমিটার পয়ে হেঁটে ঘাটে আসছেন যাত্রীরা। ফেরি বন্ধ থাকার খবর শুনে নিরুপায় হয়ে ঘাটে অপেক্ষা করছেন তারা। যদি কোনো ফেরি ছাড়ে সে অপেক্ষায়। অনেকে আবার ফিরে যাচ্ছেন রাজধানীর দিকে।