
প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২১:১১

নওগাঁয় শুরু হয়েছে খোলা বাজারে চাল বিক্রির কার্যক্রম (ওএমএস)। একই সঙ্গে শুরু হচ্ছে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীও।বৃহষ্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শহরের মুক্তির মোড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান। এসময় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক আব্দুস সোবহান, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আলমগীর কবির, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মির্জা ইমাম উদ্দিনসহ খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আলমগীর কবির জানান, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় জেলার ৯৯টি ইউনিয়নে ২০৩ জন ডিলারের মাধ্যমে ১ লাখ ১৯ হাজার ৩৮জন দরিদ্র পরিবারের মাঝে ১৫ টাকা কেজিতে ৩০ কেজি করে চাল দেয়া হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে ডিজিটাল ডাটাবেজ আওতায় যে সকল ভোক্তার তথ্য যাচাই-বাছাই করা হয়েছে তাদেরকে এই চাল বিতরণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে সকলের তথ্য যাচাই-বাছাই কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে এসে সকলকেই এই চাল দেয়া হবে।
এছাড়াও ওএমএস-এর মাধ্যমে জেলার নওগাঁ পৌরসভায় ১৩টি, নজিপুর পৌরসভায় ৪টি, ধামইরহাট পৌরসভায় ৩টি ও ৮টি উপজেলার ৩৬জন ডিলারের মাধ্যমে ৩০ টাকা কেজিতে প্রতিদিন ৭২ মেট্রিক টন চাল বিক্রি করা হবে। ভোটার আইডি কার্ডের মাধ্যমে একজন একদিনে সর্বচ্চ ৫ কেজি করে চাল কিনতে পারবে।

উল্লেখ্য, ভোক্তাদের স্বস্তি দিতে সারাদেশে ওএমএসের চাল বিক্রি শুরুর কথা বৃহস্পতিবার নওগাঁ সার্কিট হাউসে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। সারাদেশে ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি এবং টিসিবির কার্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে চাল ও আটা বিতরণ কর্মসূচির কথা জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, সারাদেশে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৫০ লাখ পরিবারকে ১৫ টাকা কেজি দরে মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেয়া হবে। এই কার্যক্রম ৩ মাস চলবে। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ক্ষেত্রে ডিভাইস তৈরি করে স্মার্ট কার্ড দেয়া হবে। এরই মধ্যে ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। স্মার্ট কার্ড দেয়া হলে কেউ এটি অবৈধভাবে ব্যবহার করতে পারবে না।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি