প্রকাশ: ৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ২২:৫১
বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে বাল্কহেডের সঙ্গে স্পিডবোটের সংঘর্ষে নিখোঁজ তিন যাত্রীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে শুক্রবার রাত পর্যন্ত তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি বলে জানিয়েছে বরিশাল সদর নৌ থানা।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন ভোলার উত্তর চর ভেদুরিয়ার বাসিন্দা স্পিডবোট চালক মো. আল আমিন, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নওয়াপাড়া এলাকার রাসেল আমিন (২৫), এবং বাবুগঞ্জের রহমতপুর এলাকার সজল দাস (৩০)।
বৃহস্পতিবার বিকেলে কীর্তনখোলা নদীর লাহারহাট খালের প্রবেশমুখে জনতার হাট এলাকায় বাল্কহেড ও স্পিডবোটের সংঘর্ষের এই দুর্ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর নদী থেকে জালিস মাহমুদ (৫০) নামে একজনকে উদ্ধার করা হলেও পরে তিনি মারা যান। আহত হন ভোলার দৌলতখান থানার কনস্টেবল মানসুর আহমেদ।
শুক্রবার বরিশাল সদর নৌ থানার এসআই ওমর ফারুক জানিয়েছেন, এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় নামধারী দুইজনসহ অজ্ঞাত আরও তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে স্পিডবোট চালক আল আমিন এবং বাল্কহেড চালক শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ এলাকার খালেক মাঝি আটক রয়েছেন।
উদ্ধার অভিযান প্রসঙ্গে বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মো. মিজানুর রহমান জানান, শুক্রবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করলেও নিখোঁজদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে ডুবে যাওয়া স্পিডবোটটি উদ্ধার করা হয়েছে।