প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২৩, ৩:৭
নেত্রকোনা-মোহনগঞ্জ সড়কে কান্দুলিয়ার কালিবাড়ি এলাকায় পিক-আপ সিএনজি’র মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই দুই যাত্রী নিহত ও অপর দুই যাত্রী আহত হয়েছে।
নিহতরা হলেন, বারহাট্টা উপজেলার আসমা ইউনিয়নের মনাষ গ্রামের তুলসি চন্দ্র দাসের ছেলে হাঁরাধন চন্দ্র দাস (৩৬) ও নেত্রকোনা সদর উপজেলার সিংহের বাংলা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের রমনী চন্দ্র সরকারের ছেলে রমেশ চন্দ্র সরকার (৪৮)। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়া অপর দুই যাত্রী ঠাকুরোকোনা ইউপির বাইশধার এলাকার নুরুজ্জামনের স্ত্রী জেসমিন আক্তার (৩৫) ও মেয়ে মুক্তা আক্তারকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে জেলার বারহাট্টা ও বিভিন্ন স্থান থেকে চারজন যাত্রী নিয়ে সিএনজিটি নেত্রকোনা জেলা শহরের দিকে আসার পথে সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার সিংহের বাংলা ইউনিয়নের কান্দুলিয়া কৃষ্ণাখালি ব্রীজের সন্নিকটে কালিবাড়ি এলাকায় পৌঁছলে নেত্রকোনা সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের কুমড়ী এলাকা থেকে মাছবাহী একটি দ্রুতগামী পিক-আপ ঠাকুরোকোনার দিকে যাওয়ার পথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় সিএনজি চালক লাফিয়ে পালিয়ে যায়। উপস্থিত জনগন পিক-আপের চালক ঠাকুরাকোনার সুধীর বর্মণের ছেলে শিপন বর্মনকে (২০) আটক করে এবং আহতদের দ্রুত নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরন করে। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসলে পিক-আপ চালক শিপনকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
নেত্রেকোনা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ লুৎফুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতদের লাশ ময়না তদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। পিক-আপ চালক আটক আছে। তবে সিএনজি চালক পালিয়ে গেলেও তাকে খোঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে।