প্রকাশ: ১ অক্টোবর ২০২১, ০:২৪
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ পশ্চিম আটুলিয়া গ্রামের দূর্গাপদ মিস্ত্রির পুত্র ধনুঞ্জয় মিস্ত্রি (৩৮) কে রাতের আঁধারে হত্যার উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা গলায় ছুরি টেনে জখম করেছে। ধনুঞ্জয় বেসরকারি এনজিও বরষা তে চাকরি করেন।
জখমের শিকার ধনুঞ্জয় বলেন, গত ৩০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার আনুমানিক রাত ১১ টার সময় বাড়ির পাশে একটি বাড়িতে ঘেরের পানি সরবরাহর জন্য আলোচনা ছিলো,আলোচন শেষে বাড়ি ফেরার পথে একটি মোটরসাইকেলে তিন জন লোক এসে দুই জন নেমে আমার গলায় ছুরি ধরে এবং আরেক জন গাড়িটি ঘুরিয়ে দাঁড়ায়।
তারা আমাকে বলে তোকে মেরে ফেলবো, তখম আমি বলি তোমাদের কি লাগবে বলো? মোবাইল নেবে নেও, তখন তারা বলে না তোকে মেরেই ফেলবো বলে ছুরি টান দিতে যায়, এবং আমি সাথে সাথেই হাত ধরে সরিয়ে উপরে তুলে দিতে গেলে তারা গলায় ছুরিটা টেনে দিয়ে আমার মোবাইলটি নিয়ে পালিয়ে যায়।মুখে ডাপ পড়া থাকায় আমি তাদের চিনতে পারিনি। আমার পরনে লুঙ্গী ও গামছা থাকায় আমি কষ্ট করে গামছাটি দিয়ে গলা টা বেঁধে পাশের একটি বাড়িতে গিয়ে উঠি।
তারপর ঐবাড়ির লোকজন সবাইকে ডেকে আমাকে বাড়িতে নিয়ে যায়। এবং আমার কাকা গ্রাম্য ডাক্তার শান্তি রঞ্জন মিস্ত্রি চিকিৎসা দেয় এবং কাটা এতোটাই জখম ছিলো যে ১৩ টা সেলাই দিতে হয়েছে। সকালে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে ঢ্রেসিং করে বাড়ি তে যাচ্ছি। এখন অনেক টা সুস্থ আছি। এবিষয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী ওয়াহিদ মুর্শেদ বলেন, ওনারা এসেছিলেন তারপর চিকিৎসার জন্য চলেগেছে। ধনুঞ্জয় মিস্ত্রির ভাই অবনি কুমার বলেন, এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।