প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২১, ১:৪০
করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে সরকার ঘোষিত ‘কঠোর লকডাউন’ শুরুর আগেই কুষ্টিয়ার নিত্যপণ্যের বাজারে প্রভাব পড়েছে। একদিনের ব্যবধানে প্রতিটি পণ্যের দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়ে গেছে।
শনিবার (২৬ জুন) কুষ্টিয়ার কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
বিক্রেতারা বলছেন, দুই কারণে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। এক. ‘কঠোর লকডাউন’ ঘোষণা হওয়ায় তার প্রভাব পড়েছে। দুই. কুষ্টিয়ার বাইরে থেকে পণ্য সরবরাহ স্বাভাবিকের চেয়ে কমে আসছে।
এ ব্যাপারে কুষ্টিয়ার এক মুদি ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম ইনিউজকে বলেন, লকডাউনের ঘোষণায় বিক্রি বেড়েছে। তবে পণ্যের দাম তেমন একটা বাড়েনি। যেটুকু বেড়েছে তা সরবরাহ কম থাকার জন্য।
অপরদিকে ক্রেতারা বলছেন, ‘কঠোর লকডাউন’ঘোষণা করায় ব্যবসায়ীরা সুযোগ বুঝে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। চাহিদা হঠাৎ করেই বেড়ে যাওয়ায় এমটি করছেন তারা।
বাজার করতে আসা গৃহিণী সুফিয়া বেগম বলেন, কাঁচামালের সবকিছুর দাম বেড়েছে। মরিচ শুক্রবার (২৫ জুন) ছিল ৪০ টাকা শনিবার ৬০ টাকা কেজি, পিয়াজ ৪৫ টাকা ছিল সেটা আজ ৫০ টাকা। এছাড়াও পটল, ভেন্ডি, এবং বিভিন্ন ধরনের শাক আজ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে এই বাজারে দাম বেড়ে প্রতি কেজি ঢেঁড়স ৪০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। এছাড়া প্রতিকেজি শশা ৫০ টাকা, গাজর ১০০ টাকা এবং আলু ২৪ টাকায় এবং লাউ প্রতিপিস ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার ১৪০ টাকা, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা, খাসি ৭৫০ টাকা, লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকায়। আর সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকায়।
মাছের বাজারে রুই, কাতল, শিং, মাগুর, পাবদা, চিংড়িসহ সব ধরনের মাছের দাম শুক্রবারের তুলনায় কেজিতে ১০ টাকা থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
তবে মসলার বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। এলাচ ৩০০০ থেকে ৪ হাজার টাকা, দারুচিনি ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, এবং আদা ১৬০, রসুন ৮০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।