শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬৩ আশ্বিন, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আপনার এলাকার খবর

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png

ভিডিও সংবাদ

Card Image

৫ মাসে রেমিট্যান্সে রেকর্ড! প্রবাসীদের পাঠানো টাকায় বড় চমক

Card Image

যাত্রাবাড়ীর দুই মামলায় বড় মোড়, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ

Card Image

ময়লার ভাগাড়ে দুই নবজাতকের মরদেহ, বরিশালে চাঞ্চল্য

Card Image

তেলের দাম কি এবার ১০০ ডলার ছুঁতে যাচ্ছে কেন বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম

Card Image

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের পথে ১১ দলীয় জোট! কী হচ্ছে রাজপথে

Card Image

বাবার চোখের পানি দেখে প্রেমের ইতি? মুসলিম তরুণীর নতুন সিদ্ধান্ত

Card Image

বরযাত্রীর গাড়ি আটকে নববধূকে তুলে নেওয়া! পেছনের রহস্য কী

Card Image

চেয়ারম্যান থেকে রাষ্ট্রপতির চেয়ারে! অবিশ্বাস্য রাজনৈতিক উত্থান

Card Image

রাজশাহীতে চলন্ত ট্রেন থেকে তেল চুরি! এটাকে কি চুরি বলবেন, নাকি লুট?

Card Image

বরিশালে বিদ্যুৎ দুর্যোগ! কবে মিলবে নিরবচ্ছিন্ন সাপ্লাই?

সৌদির ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা ফুরিয়ে আসছে, চার দেশের সহায়তা চাইল রিয়াদ

সৌদির ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা ফুরিয়ে আসছে, চার দেশের সহায়তা চাইল রিয়াদ

আঞ্চলিক সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ায় সৌদি আরবের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা বা ইন্টারসেপ্টরের মজুত কমে আসছে বলে জানা গেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সামরিক অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তান ও মিসরের কাছে বিমান প্রতিরক্ষা সহায়তা চেয়েছে রিয়াদ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)। তাঁদের একজন জানান, হুথি এবং ইরান-সমর্থিত অন্যান্য গোষ্ঠীর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলায় ওই দেশগুলোর কাছে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের অনুরোধ জানিয়েছে সৌদি আরব। আঞ্চলিক ওই কর্মকর্তা আরও জানান, সৌদি আরব বর্তমানে দেশটির সামরিক ঘাঁটি, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা এবং বিভিন্ন তেল স্থাপনা রক্ষায় বাড়তি চাপের মধ্যে রয়েছে। ফলে আকাশ প্রতিরক্ষার সক্ষমতা ধরে রাখা রিয়াদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। এদিকে সৌদি আরবের প্রধান মিত্র ও অস্ত্র সরবরাহকারী যুক্তরাষ্ট্রও নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থার মজুত কমে যাওয়ায় রিয়াদের অনুরোধ পূরণে সীমাবদ্ধতার মুখে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা। তবে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এর মধ্যেই বুধবার সৌদি আরব অভিযোগ করেছে, হুথিরা ইসলামের পবিত্রতম শহর মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টা করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি, ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়েছে। মক্কাকে তারা ‘রেড লাইন’ হিসেবে বিবেচনা করে বলেও জানানো হয়েছে। তবে মক্কাকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুথিরা। ইয়েমেন সীমান্ত থেকে মক্কার দূরত্ব প্রায় ১ হাজার ১০০ কিলোমিটার হওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে

আরও পড়ুন
৬ ঘণ্টা আগে
https://surl.li/lmarci
সৌদি রক্ষায় হুথিদের বিরুদ্ধে মার্কিন গোয়েন্দা টাস্কফোর্স মাঠে

সৌদি রক্ষায় হুথিদের বিরুদ্ধে মার্কিন গোয়েন্দা টাস্কফোর্স মাঠে

হুথি হামলা মোকাবিলায় সৌদি আরবকে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান ও সামরিক পরিকল্পনায় সহায়তা দিতে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) গালফ নিউজের প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ

চীন-পাকিস্তান যৌথ সীমান্ত কমিশন মানল না ভারত

চীন-পাকিস্তান যৌথ সীমান্ত কমিশন মানল না ভারত

চীন ও পাকিস্তানের চালু করা যৌথ সীমান্ত কমিশনকে সম্পূর্ণ বেআইনি ও আইনি ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ইসলামাবাদে কমিশনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার পর নয়াদিল্লি এ অবস্থান জানায়। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, চীন ও

স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের সম্পদের তথ্য চেয়েছে দুদক

স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের সম্পদের তথ্য চেয়েছে দুদক

ব্যাংকের শেয়ারে সম্পদের সীমা, নতুন নিয়ম বাংলাদেশ ব্যাংকের

ব্যাংকের শেয়ারে সম্পদের সীমা, নতুন নিয়ম বাংলাদেশ ব্যাংকের

ইউপি ভোটের সময় চূড়ান্ত নয়, জুনের আগেই শেষ

ইউপি ভোটের সময় চূড়ান্ত নয়, জুনের আগেই শেষ

৫৫ বছরেই পেনশন, নতুন প্রস্তাব জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের

৫৫ বছরেই পেনশন, নতুন প্রস্তাব জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের

আসিফ মাহমুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাইবে দুদক

আসিফ মাহমুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাইবে দুদক

হাউসে রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিল পাস, ট্রাম্পের হাতে শুল্কক্ষমতা

হাউসে রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিল পাস, ট্রাম্পের হাতে শুল্কক্ষমতা

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয়

গোয়ালন্দে অস্ত্র ও ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার, এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার

গোয়ালন্দে অস্ত্র ও ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার, এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার

রাজাপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এমপির আকস্মিক পরিদর্শন

রাজাপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এমপির আকস্মিক পরিদর্শন

স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের সম্পদের তথ্য চেয়েছে দুদক

স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের সম্পদের তথ্য চেয়েছে দুদক

ব্যাংকের শেয়ারে সম্পদের সীমা, নতুন নিয়ম বাংলাদেশ ব্যাংকের

ব্যাংকের শেয়ারে সম্পদের সীমা, নতুন নিয়ম বাংলাদেশ ব্যাংকের

সন্তান কোলে স্বামীর বাড়িতে অনশন, স্ত্রীর মর্যাদা ও পিতৃপরিচয়ের দাবি নারীর

সন্তান কোলে স্বামীর বাড়িতে অনশন, স্ত্রীর মর্যাদা ও পিতৃপরিচয়ের দাবি নারীর

ইউপি ভোটের সময় চূড়ান্ত নয়, জুনের আগেই শেষ

ইউপি ভোটের সময় চূড়ান্ত নয়, জুনের আগেই শেষ

সৌদির ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা ফুরিয়ে আসছে, চার দেশের সহায়তা চাইল রিয়াদ

সৌদির ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা ফুরিয়ে আসছে, চার দেশের সহায়তা চাইল রিয়াদ

ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ভয় দেখিয়ে বিকাশে টাকা আদায়, রাজবাড়ীতে গ্রেপ্তার ২

ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ভয় দেখিয়ে বিকাশে টাকা আদায়, রাজবাড়ীতে গ্রেপ্তার ২

গোয়ালন্দ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন, দ্রুত এক্স-রে ও ওটি চালুর নির্দেশ

গোয়ালন্দ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন, দ্রুত এক্স-রে ও ওটি চালুর নির্দেশ

জুড়ীতে নিখোঁজের দুই দিন পর সিএনজিচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

জুড়ীতে নিখোঁজের দুই দিন পর সিএনজিচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

শিক্ষা

২০২৭-এর পাঠ্যবইয়ে জিয়ার ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধ

২০২৭-এর পাঠ্যবইয়ে জিয়ার ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধ

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ পাঠ্যপুস্তকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধ অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিবন্ধটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক একটি ডায়েরির ছবিও পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি) নিবন্ধটি অন্তর্ভুক্তির চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানিয়েছেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য বইয়ে নিবন্ধটি যুক্ত হবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে যার যতটুকু অবদান রয়েছে, তা নিরপেক্ষ ও নির্মোহভাবে পাঠ্যবইয়ে

১২ লাখের বেশি খাতার পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ আজ, যেভাবে জানবেন

১২ লাখের বেশি খাতার পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ আজ, যেভাবে জানবেন

শিক্ষকদের সাইবার প্রশিক্ষণে মাউশির নতুন বাধ্যতামূলক নির্দেশনা জারি

শিক্ষকদের সাইবার প্রশিক্ষণে মাউশির নতুন বাধ্যতামূলক নির্দেশনা জারি

জবিতে আবাসন সংকট, কেরানীগঞ্জে ১৬০০ আসনের দাবি

জবিতে আবাসন সংকট, কেরানীগঞ্জে ১৬০০ আসনের দাবি

আইন-আদালত

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ, রিট খারিজ

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ, রিট খারিজ

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে জারি করা প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি ‘উত্থাপিত হয়নি’ মর্মে খারিজ করেন। আদালতের আদেশের পর আওয়ামীপন্থি আইনজীবী হিসেবে পরিচিত নূরনবী বুলবুল সাংবাদিকদের বলেন, রিটকারী মো. আল আমিন আওয়ামী লীগের কোনো সদস্য নন। ফলে এ ধরনের রিট করার আইনগত অধিকার তার নেই—আদালতে এমন বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। রিটের পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনূস আলী এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজমী

অবসরের পর বিচারপতিদের পাসপোর্টে গোয়েন্দা যাচাই অযৌক্তিক: হাইকোর্ট

অবসরের পর বিচারপতিদের পাসপোর্টে গোয়েন্দা যাচাই অযৌক্তিক: হাইকোর্ট

শেখ হাসিনা ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে সুযোগ নেই : চিফ প্রসিকিউটর

শেখ হাসিনা ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে সুযোগ নেই : চিফ প্রসিকিউটর

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

খেলাধুলা

২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ইতি, বিদায় বললেন মেসি

২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ইতি, বিদায় বললেন মেসি

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার লিওনেল মেসি। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত জানান আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন তিনি। মেসির অবসরের ঘোষণায় ভক্তদের মধ্যে বিস্ময় ও হতাশা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের আসন্ন আন্তর্জাতিক বিরতির পরিকল্পনাতেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

স্টার্ককে ফিরিয়ে শরীফুলের ছয় উইকেট

স্টার্ককে ফিরিয়ে শরীফুলের ছয় উইকেট

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম। স্বাগতিক দলের ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মিচেল স্টার্ককে সাজঘরে ফিরিয়ে নিজের ষষ্ঠ উইকেট পূর্ণ করেছেন তিনি। স্টার্কের উইকেটটি শরীফুলের জন্য ছিল বিশেষ তাৎপর্যের। কারণ এর মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার অর্জনের পরপরই এক ইনিংসে ছয় উইকেট নেওয়ার কৃতিত্বও অর্জন করলেন বাংলাদেশের এই পেসার। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিং ধসিয়ে দেন

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো স্বাগতিকদের হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে চার দিন ধরে দাপট দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এই জয় শুধু একটি ম্যাচের সাফল্য নয়, বরং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের দীর্ঘ অপেক্ষারও অবসান। ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পষ্ট। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন পেসার হাসান মাহমুদ। দুর্দান্ত বোলিংয়ে তিনি মাত্র ৫৫ রান খরচ করে তুলে নেন ৬ উইকেট। তার আগ্রাসী বোলিংয়েই শুরুতেই চাপে পড়ে যায় স্বাগতিক দল। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধসের পর বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল নিজেদের ব্যাটিং শক্তি প্রমাণ করা।

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

ক্যামেরন গ্রিনের লড়াকু সেঞ্চুরি অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস হারের লজ্জা থেকে বাঁচালেও ডারউইন টেস্টে ঐতিহাসিক জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংস ২৮৪ রানে গুটিয়ে যাওয়ায় স্বাগতিকদের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫৭ রান। চতুর্থ দিন ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। শুরু থেকেই স্বাগতিকদের চাপে রাখে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ। প্রথম দেড় ঘণ্টায় স্পিনের ঘূর্ণিতে অ্যালেক্স ক্যারি, বেউ ওয়েবস্টার ও অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে ফিরিয়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ক্যারি করেন ৩০, ওয়েবস্টার ৫ এবং কামিন্স ৮ রান। এতে ২০৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কায় পড়ে অস্ট্রেলিয়া। সেখান থেকে এক প্রান্ত

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। সেই দলেরই এবার যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন চেহারা। ডারউইন টেস্টে পূর্ণশক্তির অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দাপট দেখিয়ে ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনের মধ্যাহ্নভোজের বিরতি পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ২১৯ রানের বিশাল লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের সম্ভাবনা এখন বাস্তব হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে অস্ট্রেলিয়ার অতীত পরিসংখ্যান। ২০০০ সালের পর প্রথম ইনিংসে অন্তত ১৫০ রানে পিছিয়ে থাকার পর অস্ট্রেলিয়া মাত্র তিনবার টেস্ট জিতেছে। এর মধ্যে ২০১০ সালে সিডনিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০৬ রানে পিছিয়ে থেকেও জয় পেয়েছিল তারা।

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর আগে টেস্ট ইতিহাসের শুরুতে যে বাংলাদেশকে ডারউইন ও কেয়ার্নসের মাঠে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল, সেই ডারউইনেই এবার ভিন্ন গল্প লিখছে লাল-সবুজের দল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে বোলিংয়ের পর ব্যাটিংয়েও দাপট দেখিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদের ছয় উইকেটের পর তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরিতে স্বাগতিকদের চাপে ফেলেছে সফরকারীরা। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শক্ত অবস্থান তৈরি করে। তানজিদ হাসান ১৮৮ বলে আটটি চার ও একটি ছক্কায় ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট শতক তুলে নেন। নাথান লায়নের বল লং অফ দিয়ে সিঙ্গেল নিয়ে শতরানের মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। এরপর হেলমেট

চাকুরী

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৫০তম বিসিএসের বহুল প্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বুধবার সন্ধ্যায় পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বিসিএসে মোট ২ হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে ১ হাজার ৭৫৫ জনকে এবং নন-ক্যাডারে ৩৯৫ জনকে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন যুক্ত পদসহ এবার প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের নিয়োগ হচ্ছে। ক্যাডার পদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারে সর্বোচ্চ ৬৫০ জন,

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

প্রতিবেশী

পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজায় পদ্মার ইলিশ চায় ভারতের আমদানিকারকরা

পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজায় পদ্মার ইলিশ চায় ভারতের আমদানিকারকরা

দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছে ভারতের মাছ আমদানিকারকদের সংগঠন। পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরায় বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশের ব্যাপক চাহিদার কথা উল্লেখ করে এ আবেদন জানানো হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছে কলকাতার ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। চিঠিতে আমদানিকারকরা উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সাল থেকে বেনাপোল ও আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে নিয়মিত ইলিশ আমদানি করে আসছেন তারা। তবে ২০১২ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশ সরকার ইলিশ

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

বিনোদন

‘দ্বিতীয় জয়া বচ্চন’ তুলনা প্রশংসা হিসেবেই দেখেন তাপসী

‘দ্বিতীয় জয়া বচ্চন’ তুলনা প্রশংসা হিসেবেই দেখেন তাপসী

বলিউডের অভিনেত্রী তাপসী পান্নু পাপারাজ্জিদের সঙ্গে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে প্রায়ই খবরের শিরোনামে আসেন। এ কারণে তার ভক্ত-অনুরাগীদের একাংশ তাকে ‘দ্বিতীয় জয়া বচ্চন’ বলেও সম্বোধন করেন। এবার এই তুলনা নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তাপসী। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, ‘দ্বিতীয় জয়া বচ্চন’ বলে সম্বোধন করাকে তিনি কোনো গালি হিসেবে দেখেন না; বরং এটি তার কাছে প্রশংসা। তাপসীর ভাষ্য, জয়া বচ্চন খুব ভালো একজন অভিনেত্রী। তার সঙ্গে জয়া বচ্চনের তুলনা করে মানুষ আসলে তার প্রতিই সদয় হচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি কোনো পরোয়া করেন না বলেও জানিয়েছেন। তাপসী আরও বলেন, তিনি কাউকে গালিগালাজ করেন না এবং নিজের সীমারেখা খুব স্পষ্ট। তার মতে, যে নারীর নিজের সীমারেখা পরিষ্কার, তাকে অনেকের কাছেই ভয়ংকর মনে হয়। পাপারাজ্জিদের সঙ্গে তার তর্কে জড়ানোর কারণও ব্যাখ্যা করেছেন তাপসী। তিনি জানান, বড় হওয়ার পর বাবা-মা ছাড়া আর কেউ তার সঙ্গে চিৎকার করে কথা বলেননি। অথচ পাপারাজ্জিরা বারবার ‘তাপসী, তাপসী’ বলে চিৎকার করেন। তিনি কখনো তাদের সঙ্গে সেই সুরে কথা বলেননি। তারপরও যদি তাকে রাগী বলা হয়, তাহলে হয়তো যারা বলেন তারা ‘রাগ’ শব্দটির অর্থই জানেন না—এমন মন্তব্য করেন অভিনেত্রী। তাপসী জানান, তিনি যখন সত্যিই রেগে যান, তখন চুপ হয়ে যান এবং কথা বলা বন্ধ করে দেন। একই সঙ্গে তিনি সবসময় পাপারাজ্জিদের সম্মান করেছেন বলেও উল্লেখ করেন।

জন্মের পর অন্য পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন রানি মুখার্জি

জন্মের পর অন্য পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন রানি মুখার্জি

বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জির জীবনের এক অবাক করা ঘটনা দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। জন্মের পর হাসপাতালের এক ভুলে তিনি অন্য এক পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন। পরে তার মা কৃষ্ণা মুখার্জির তৎপরতায় তিনি নিজের প্রকৃত পরিবারের কাছে ফিরে আসেন। ১৯৭৮ সালের ২১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন রানি মুখার্জি। তিনি চলচ্চিত্র নির্মাতা রাম মুখার্জি ও কৃষ্ণা মুখার্জির মেয়ে। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, জন্মের পর হাসপাতালের এক নার্সের ভুলে তাকে একটি পাঞ্জাবি দম্পতির নবজাতকের সঙ্গে অদলবদল করা হয়েছিল। রানির ভাষ্য অনুযায়ী, তার মা শিশুটিকে দেখেই সন্দেহ করেন। কারণ নবজাতকের চোখের রং তার সন্তানের চোখের রঙের সঙ্গে মিলছিল না। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি দ্রুত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান যে শিশুটি তার নয় এবং নিজের সন্তানকে খুঁজে বের করার দাবি জানান। এরপর হাসপাতালজুড়ে অনুসন্ধান চালিয়ে ওই পাঞ্জাবি দম্পতির কাছ থেকে রানিকে উদ্ধার করা হয়। পরে দুই নবজাতককে তাদের প্রকৃত পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। রানি জানান, পরবর্তী সময়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি নিয়ে প্রায়ই হাস্যরস করতেন। অনেকে মজা করে বলতেন, তিনি আসলে পাঞ্জাবি পরিবারের সন্তান, ভুল করে মুখার্জি পরিবারে বড় হয়েছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নবজাতকদের পরিচয়পত্র লাগানোর সময় দায়িত্বে থাকা এক নার্সের ভুলেই এই অদলবদলের ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমানে এই ঘটনাটি রানির জীবনের অন্যতম আলোচিত স্মৃতি হিসেবে পরিচিত।

সম্পাদকীয়

সাবেক উপদেষ্টার দুর্নীতির ১১ হাজার কোটি টাকার অভিযোগ: আসল প্রশ্ন, টাকা দিল কে?

সাবেক উপদেষ্টার দুর্নীতির ১১ হাজার কোটি টাকার অভিযোগ: আসল প্রশ্ন, টাকা দিল কে?

সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগ নিয়ে গতকাল থেকে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অভিযোগে নিয়োগ-বাণিজ্য, পদায়ন এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচারের মতো বিষয় উঠে এসেছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে। তবে অভিযোগের সত্যতা এখনো তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়। তাই তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা সমীচীন নয়। তবে এই অভিযোগ সামনে আসার পর দুর্নীতির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে। বিশেষ

    চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মতামত

Card Image

জিয়াউল হক

একক লড়াইয়ে ইসলামী আন্দোলন !

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো জোটে না থেকে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ দলীয় জোটে তারা আর থাকছে না এবং নিজের শক্তির ওপর ভর করেই নির্বাচনী মাঠে নামবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের ২৬৮টি আসনে প্রার্থী দেবে। দীর্ঘদিন ধরে জোট রাজনীতির বাইরে থেকে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রাখার যে নীতি দলটি অনুসরণ করে আসছে, এই সিদ্ধান্ত তারই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এর আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন একটি জোট সমঝোতার অংশ হিসেবে কিছু আসন খালি রাখার উদ্যোগ নেয়। সেখানে প্রায় ৫০টি আসন ছাড় দেওয়ার আলোচনা থাকলেও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। বরং দলটি শুরু থেকেই এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নেয়। দলীয় নেতারা বলছেন, জনগণের প্রত্যাশা ও ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিস্তারের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জোট রাজনীতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সরাসরি ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একটি গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রাথমিক ধাপ শেষ হয়েছে এবং এখন আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারবেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

শহীদ নূর হোসেন থেকে শহীদ ওসমান হাদি: রাষ্ট্র কি বদলেছে?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মৃত্যু সময়কে ভাগ করে দেয়—আগের বাংলাদেশ আর পরের বাংলাদেশ। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেনের মৃত্যু যেমন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে নতুন গতি দিয়েছিল, তেমনি ২০২৫ সালে শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যু আজকের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে কঠিন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। নূর হোসেন ছিলেন একজন সাধারণ মানুষ। কোনো বড় পদ, ক্ষমতা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা তার ছিল না। তবুও তিনি বুক-পিঠে লেখা দুটি বাক্য—‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ও ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’—নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। রাষ্ট্র তখন প্রকাশ্য স্বৈরশাসনের অধীনে ছিল। গুলির মুখে দাঁড়িয়ে নূর হোসেন দেখিয়ে দিয়েছিলেন, গণতন্ত্র কেবল রাজনৈতিক দল নয়, সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগেই বেঁচে থাকে। তার রক্তের দাগ মুছে যায়নি; বরং তা ইতিহাসে চিহ্ন হয়ে রয়ে গেছে। অন্যদিকে শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন একটি প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। তিনি কোনো সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নয়, বরং তথাকথিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভেতরের ব্যর্থতা, বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছিলেন। দিনের আলোয় রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে রিকশায় বসে থাকা একজন রাজনৈতিক কর্মী গুলিবিদ্ধ হন—এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রকাশ্য ভেঙে পড়ার ঘোষণা। নূর হোসেনের সময় রাষ্ট্র বলত, “আমরা স্বৈরাচার, তাই দমন করব।” হাদির সময় রাষ্ট্র বলে, “আমরা গণতান্ত্রিক, কিন্তু অপরাধ ঠেকাতে পারছি না।” এই দুই বক্তব্যের মাঝখানে পার্থক্য থাকলেও ফলাফল এক—একজন নাগরিক নিহত। সবচেয়ে বেদনাদায়ক প্রশ্ন হলো, নূর হোসেনের আত্মত্যাগের ৩৮ বছর পরও কেন হাদির

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

৭ই নভেম্বর: স্বাধীনতা-গণতন্ত্র-সংহতি: এক দিনে তিন প্রতীক

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পরিচিত এই দিনটি ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পটভূমিতে সিপাহী-জনতার অভ্যুদয়ের প্রতীক হয়ে উঠে। দিনটি নিয়ে নানা মত ও ব্যাখ্যা থাকলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। কারণ, এই দিনের ঘটনাপ্রবাহ রাষ্ট্রের সামগ্রিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং জাতীয় রাজনীতির গতিপথে এক নতুন ধারা সূচনা করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সামরিক, প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ গড়ে উঠতে থাকে। এরপর ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা এবং ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর এক বিশেষ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সৈনিকদের একটি অংশ এবং জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেদিনের ঘটনাকে কেউ বিপ্লব, কেউ সামরিক অভ্যুত্থান এবং কেউ জাতীয় ঐক্যের স্ফুরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এই দিবসটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কারণে। সেই সময় বন্দী অবস্থায় থাকা তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মুক্তি পান এবং পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব হাতে নেন। জিয়া রাষ্ট্রপরিচালনায় আসার পর বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর নতুন রাজনীতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে মতামত রয়েছে। ৭ নভেম্বরকে একদলীয় শাসনের অবসান ও বহু মত-চিন্তার উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরির সূচনা হিসেবে দেখেন অনেক বিশ্লেষক।

ধর্ম

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

ইসলাম শুধু ইবাদতের শিক্ষা দেয় না, মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ারও নির্দেশ দেয়। একজন মুসলমানের উত্তম চরিত্রের অন্যতম প্রকাশ হলো অন্যের উপকারে এগিয়ে আসা। বিপদে থাকা মানুষকে সহযোগিতা করা, অসহায়কে সাহায্য করা এবং মানুষের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করাকে ইসলাম অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচনা করে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘সৎকর্ম ও তাকওয়ায় একে অন্যকে সহযোগিতা করো।’ এই নির্দেশনা থেকে বোঝা যায়, সমাজে ভালো কাজ প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের কল্যাণে পারস্পরিক সহযোগিতা করা একজন মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। শুধু নিজের স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত না থেকে

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

মহানবীর জন্ম ও ওফাত স্মরণে আজ পবিত্র মিলাদুন্নবী

মহানবীর জন্ম ও ওফাত স্মরণে আজ পবিত্র মিলাদুন্নবী

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

রাজনীতি

১১ হাজার কোটি ফিরিয়ে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের দাবি সজীব ভূঁইয়ার

বিদেশে পাচারের অভিযোগে আলোচিত প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি জানান। পোস্টে আসিফ মাহমুদ লিখেছেন, ‘১১ হাজার কোটি টাকা দ্রুত ফিরিয়ে এনে গ্যাস, বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের জোর দাবি জানাচ্ছি।’ সম্প্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে বিদেশে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। সংস্থাটি জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে চলমান অনুসন্ধানের সঙ্গে অভিযোগটি যুক্ত করে খতিয়ে দেখা হবে। এ ছাড়া তার দায়িত্ব পালনকালে নিয়োগ, বদলি, পদায়ন, উন্নয়ন প্রকল্প ও দরপত্রে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছে। তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অর্থ পাচারের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছেন আসিফ মাহমুদ। তিনি অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। দেশের বাইরে তার কোনো সম্পদ থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। এর আগে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া আরেক পোস্টে আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, তিনি অভিযোগের কথিত অর্থের এক শতাংশও দুর্নীতি করলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিত না। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধান প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এদিকে আসিফ মাহমুদের সাম্প্রতিক পোস্টে ১১ হাজার কোটি টাকা দেশে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি সেই অর্থ গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় ব্যবহারের দাবি জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পোস্টটিতে এক লাখ ১৮ হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়া পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

১১ হাজার কোটি ফিরিয়ে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের দাবি সজীব ভূঁইয়ার
গণতন্ত্র সচল রাখতে নির্বাচনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে হবে: রিজভী

গণতন্ত্র সচল রাখতে নির্বাচনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে হবে: রিজভী

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাত পলাতক নেতার রায় আজ

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাত পলাতক নেতার রায় আজ

ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী সেলিম-সাদিক

ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী সেলিম-সাদিক

আন্তর্জাতিক

সৌদির ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা ফুরিয়ে আসছে, চার দেশের সহায়তা চাইল রিয়াদ

সৌদির ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা ফুরিয়ে আসছে, চার দেশের সহায়তা চাইল রিয়াদ

আঞ্চলিক সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ায় সৌদি আরবের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা বা ইন্টারসেপ্টরের মজুত কমে আসছে বলে জানা গেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সামরিক অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তান ও মিসরের কাছে বিমান প্রতিরক্ষা সহায়তা চেয়েছে রিয়াদ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)। তাঁদের একজন জানান, হুথি এবং ইরান-সমর্থিত অন্যান্য গোষ্ঠীর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলায় ওই দেশগুলোর কাছে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের অনুরোধ জানিয়েছে সৌদি আরব। আঞ্চলিক ওই কর্মকর্তা আরও জানান, সৌদি আরব বর্তমানে দেশটির সামরিক ঘাঁটি, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা এবং বিভিন্ন তেল স্থাপনা রক্ষায় বাড়তি চাপের মধ্যে রয়েছে। ফলে আকাশ প্রতিরক্ষার সক্ষমতা ধরে রাখা রিয়াদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। এদিকে সৌদি আরবের প্রধান মিত্র ও অস্ত্র সরবরাহকারী যুক্তরাষ্ট্রও নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থার মজুত কমে যাওয়ায় রিয়াদের অনুরোধ পূরণে সীমাবদ্ধতার মুখে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা। তবে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এর মধ্যেই বুধবার সৌদি আরব অভিযোগ করেছে, হুথিরা ইসলামের পবিত্রতম শহর মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টা করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি, ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়েছে। মক্কাকে তারা ‘রেড লাইন’ হিসেবে বিবেচনা করে বলেও জানানো হয়েছে। তবে মক্কাকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুথিরা। ইয়েমেন সীমান্ত থেকে মক্কার দূরত্ব প্রায় ১ হাজার ১০০ কিলোমিটার হওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে আঞ্চলিক পর্যায়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে ইরান-সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়াদের হামলার কারণে সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে গেছে বলেও আঞ্চলিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে। একই সঙ্গে লোহিত সাগরে সৌদি জাহাজ ও অবকাঠামো হুথিদের হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে। এর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। এসব পরিস্থিতির প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে অবস্থান করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, সৌদি বাহিনীর সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং সামরিক পরিকল্পনায় সহযোগিতা বাড়াতে দেশটির সেন্ট্রাল কমান্ডের একটি টাস্কফোর্স কাজ করছে। তবে সরাসরি সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণের বিষয়ে ওয়াশিংটন সতর্ক অবস্থানেই রয়েছে।

হাউসে রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিল পাস, ট্রাম্পের হাতে শুল্কক্ষমতা

হাউসে রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিল পাস, ট্রাম্পের হাতে শুল্কক্ষমতা

রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন করে অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট ২০২৬’ পাস হয়েছে। বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর ৪৩৫ সদস্যের প্রতিনিধি পরিষদে ভোটাভুটিতে ২৬২ জন বিলটির পক্ষে এবং ১৫৯ জন বিপক্ষে ভোট দেন। এখন বিলটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে যাবে। তাঁর স্বাক্ষরের পর এটি আইনে পরিণত হবে। বিলটিতে রাশিয়ার কর্মকর্তা, ব্যাংক, জ্বালানি খাত এবং নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ব্যবহৃত ‘ছায়া বহর’-এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি রুশ তেল ও গ্যাসের বড় ক্রেতাদের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টকে দেওয়ার কথা রয়েছে। ভারত ও চীন সম্ভাব্য লক্ষ্যদেশের মধ্যে রয়েছে। তবে শুল্কের আওতায় কোন দেশগুলো পড়বে, তা প্রেসিডেন্টের

ফেডের সুদবৃদ্ধির পরও আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ল সোনার দাম

ফেডের সুদবৃদ্ধির পরও আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ল সোনার দাম

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার বাড়ানোর পর আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে আবারও ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। বিনিয়োগকারীরা ফেডের সিদ্ধান্তের প্রভাব পর্যালোচনা করার মধ্যেই বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৪৩ মিনিটে স্পট মার্কেটে সোনার দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২৯৫ দশমিক ২৬ ডলারে দাঁড়ায়। বুধবার সকালে দাম ৪ হাজার ৩২৮ দশমিক ৩৯ ডলারে উঠলেও পরে প্রায় ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছিল। ডিসেম্বর সরবরাহের মার্কিন সোনার ফিউচার অবশ্য ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৩৩ দশমিক ৯০ ডলারে নেমেছে। ফেড বুধবার সুদহার বাড়ানোর পাশাপাশি চলতি বছরের শেষ নাগাদ আরও এক দফা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে।

সৌদি রক্ষায় হুথিদের বিরুদ্ধে মার্কিন গোয়েন্দা টাস্কফোর্স মাঠে

সৌদি রক্ষায় হুথিদের বিরুদ্ধে মার্কিন গোয়েন্দা টাস্কফোর্স মাঠে

চীন-পাকিস্তান যৌথ সীমান্ত কমিশন মানল না ভারত

চীন-পাকিস্তান যৌথ সীমান্ত কমিশন মানল না ভারত

ভারতের মণিপুরে ফের উত্তেজনা, নাগা বিদ্রোহীদের গুলিতে নিহত দুই নারী

ভারতের মণিপুরে ফের উত্তেজনা, নাগা বিদ্রোহীদের গুলিতে নিহত দুই নারী

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৮ বিলিয়ন ডলার, বাড়ছে মাসে ৩ বিলিয়ন

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৮ বিলিয়ন ডলার, বাড়ছে মাসে ৩ বিলিয়ন

সৌদি আরব ভ্রমণে মার্কিন নাগরিকদের নতুন সতর্কবার্তা জারি

সৌদি আরব ভ্রমণে মার্কিন নাগরিকদের নতুন সতর্কবার্তা জারি

ইসরায়েলকে ২৮০ কোটি ডলারের বিশাল অস্ত্র দিচ্ছে ট্রাম্প

ইসরায়েলকে ২৮০ কোটি ডলারের বিশাল অস্ত্র দিচ্ছে ট্রাম্প

লাইফস্টাইল

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি। ‘মা’ শব্দটি শুধু একটি সম্বোধন নয়, বরং স্নেহ, মমতা, ত্যাগ ও অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রতীক। জন্মের পর মানুষের মুখে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দও ‘মা’। সেই মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্ব মা দিবস উদযাপন করা হয়। যদিও মাকে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন প্রয়োজন হয় না, তবুও বিশেষভাবে মায়েদের সম্মান জানাতেই দিনটি আলাদাভাবে পালিত হয়। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়,

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

বিশেষ সংবাদ

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

নানা প্রতিকূলতা ও উৎপাদন ব্যয়ের চাপ কাটিয়ে দেশের চা শিল্পে আবারও সুদিনের আভাস দেখা দিয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত, সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং চায়ের নিলামে ভালো দাম পাওয়ায় চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন হয়েছে। গত তিন বছরের প্রথমার্ধের তুলনায় এ উৎপাদন সর্বোচ্চ। চলতি বছরে দেশে ১০ কোটি ৪০ লাখ কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুন পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২ কোটি ২৪ লাখ কেজি, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ২৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ। বাংলাদেশ চা বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,...

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

জাতীয়

ইউপি ভোটের সময় চূড়ান্ত নয়, জুনের আগেই শেষ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে থেকে শুরু হবে, তা এখনো চূড়ান্ত করেনি নির্বাচন কমিশন। তবে আগামী বছরের ৬ জুনের আগে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে দুপুর আড়াইটায় বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। ইসি সানাউল্লাহ বলেন, বিভিন্ন পরীক্ষা সামনে থাকায় ভোটের সম্ভাব্য সময়সূচিতে পরিবর্তন আনতে হতে পারে। একই কারণে ভোটের ধাপের সংখ্যাও কমতে পারে। তিনি জানান, পরীক্ষা যেন কোনোভাবে ব্যাহত না হয়, সেদিকে কমিশন গুরুত্ব দেবে। নভেম্বর ও ডিসেম্বরে পরীক্ষা রয়েছে। জানুয়ারিতে ভোট আয়োজনের জন্য কিছুটা সময় পাওয়া গেলেও তখন রোজার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে। এসব বিষয় নিয়ে আরও কয়েক দফা আলোচনা করা হবে। এরপর কমিশন সভায় ভোটের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হবে। ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন শেষ করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা একমত হয়েছেন। তবে নির্বাচন শুরুর নির্দিষ্ট সময় এখনো বলা যাচ্ছে না। বৈঠক থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। যত দ্রুত সম্ভব ভোটের চূড়ান্ত তারিখ জানানো হবে। এদিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও উপনির্বাচন সামনে রেখে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে কমিশন।

ইউপি ভোটের সময় চূড়ান্ত নয়, জুনের আগেই শেষ
আসিফ মাহমুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাইবে দুদক

আসিফ মাহমুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাইবে দুদক

বিশ্বজয়ী চার হাফেজকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সংবর্ধনা

বিশ্বজয়ী চার হাফেজকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সংবর্ধনা

সাইবার আইন সংশোধনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সম্মানও থাকবে সুরক্ষিত

সাইবার আইন সংশোধনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সম্মানও থাকবে সুরক্ষিত

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

প্রযুক্তিতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, বাড়ছে বৈশ্বিক বাজারে সক্ষমতা

প্রযুক্তিতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, বাড়ছে বৈশ্বিক বাজারে সক্ষমতা

প্রযুক্তি খাতে গত এক দশকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে বাংলাদেশে। মোবাইল ও ইন্টারনেটের বিস্তার, ডিজিটাল সরকারি সেবা, সফটওয়্যার উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবা, ফ্রিল্যান্সিং এবং স্টার্টআপের প্রসারে দেশের প্রযুক্তি খাত এখন অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল প্রায় ১৩ কোটি। একই সময়ে মোবাইল ব্রডব্যান্ড গ্রাহক ছিল ১০ কোটি ৩৭ লাখের বেশি এবং মোট মোবাইল গ্রাহক প্রায় ১৮ কোটি ৭ লাখ। অর্থাৎ প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় ভিত্তি—সংযোগ ও ডিজিটাল ব্যবহারকারী—দেশে ইতোমধ্যে

পুরনো ফোনও চলবে নতুনের মতো, জেনে নিন সহজ কিছু কৌশল

পুরনো ফোনও চলবে নতুনের মতো, জেনে নিন সহজ কিছু কৌশল

যে দিন পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকবে চাঁদের প্রায় ছিয়ানব্বই শতাংশ

যে দিন পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকবে চাঁদের প্রায় ছিয়ানব্বই শতাংশ

দেশে চাঁদাবাজির খবর জানাতে চালু নতুন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চাঁদাবিডি ডটকম

দেশে চাঁদাবাজির খবর জানাতে চালু নতুন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চাঁদাবিডি ডটকম

সারাদেশ

গোয়ালন্দে অস্ত্র ও ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার, এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার

গোয়ালন্দে অস্ত্র ও ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার, এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র, কার্তুজ ও ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধারের দাবি করেছে এসআরবি-১০। এ সময় মো. ইসলাম সেক আকাশ (৪১) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ উজানচর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তার আকাশ উপজেলার ভোলাই মাতুব্বর পাড়া গ্রামের এরসাদ সেকের ছেলে। এসআরবি-১০ ফরিদপুর ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-১০, সিপিসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানকালে দেশীয় তৈরি দুটি ওয়ান শুটার গান, দুটি...

রাজাপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এমপির আকস্মিক পরিদর্শন

রাজাপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এমপির আকস্মিক পরিদর্শন

সন্তান কোলে স্বামীর বাড়িতে অনশন, স্ত্রীর মর্যাদা ও পিতৃপরিচয়ের দাবি নারীর

সন্তান কোলে স্বামীর বাড়িতে অনশন, স্ত্রীর মর্যাদা ও পিতৃপরিচয়ের দাবি নারীর

ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ভয় দেখিয়ে বিকাশে টাকা আদায়, রাজবাড়ীতে গ্রেপ্তার ২

ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ভয় দেখিয়ে বিকাশে টাকা আদায়, রাজবাড়ীতে গ্রেপ্তার ২

গোয়ালন্দ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন, দ্রুত এক্স-রে ও ওটি চালুর নির্দেশ

গোয়ালন্দ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন, দ্রুত এক্স-রে ও ওটি চালুর নির্দেশ

স্বাস্থ্য

পাঁচ মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে হাম-রুবেলার টিকা নিল প্রায় দুই কোটি শিশু

পাঁচ মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে হাম-রুবেলার টিকা নিল প্রায় দুই কোটি শিশু

চলমান হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচির আওতায় গত পাঁচ মাসে সারাদেশে ১ কোটি ৯৭ লাখ ৭১ হাজার ৭২০ জন শিশু টিকা নিয়েছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এ সংখ্যা প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার ১০৯ দশমিক ৮ শতাংশ শিশু টিকার আওতায় এসেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, চলতি বছরের মার্চের শেষ দিকে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে সরকার দ্রুত জরুরি টিকাদান কার্যক্রম শুরু করে। ৫ এপ্রিল প্রথম দফায় দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় কর্মসূচি শুরু হয়। দ্বিতীয় দফায়

দেশে এক দিনে ডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তিতে নতুন রেকর্ড

দেশে এক দিনে ডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তিতে নতুন রেকর্ড

ঘরে ঘরে জ্বর, ঢাকায় একসঙ্গে ছড়াচ্ছে নানা ভাইরাস

ঘরে ঘরে জ্বর, ঢাকায় একসঙ্গে ছড়াচ্ছে নানা ভাইরাস

সেপ্টেম্বরেই ডেঙ্গুতে ৫২ মৃত্যু, বাড়ছে হাসপাতালে চাপ

সেপ্টেম্বরেই ডেঙ্গুতে ৫২ মৃত্যু, বাড়ছে হাসপাতালে চাপ