মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬৩ ভাদ্র, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আপনার এলাকার খবর

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
https://enews71.com/storage/ads/01KTB48CFAEJRYTN4T9G053ER9.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png

শিক্ষা

এসএসসি ফল নিয়ে অসন্তুষ্টদের খাতা চ্যালেঞ্জের সুযোগ শুরু আজ

এসএসসি ফল নিয়ে অসন্তুষ্টদের খাতা চ্যালেঞ্জের সুযোগ শুরু আজ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রত্যাশামতো না এলে হতাশ হওয়ার কারণ নেই। ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীদের জন্য শুরু হয়েছে খাতা চ্যালেঞ্জ বা ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন। মঙ্গলবার ১১ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এ আবেদন চলবে আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত। এবার নতুন পদ্ধতিতে প্রতি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা ফি দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক চিঠিতে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য শিক্ষার্থীদের রোল ও নিবন্ধন নম্বর দিয়ে নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালে প্রবেশ

যে কারণে ফেলের হার বেশি, যা বললেন ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান

যে কারণে ফেলের হার বেশি, যা বললেন ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান

এসএসসিতে ৩১২ প্রতিষ্ঠানে এবারও পাস করেনি কেউই

এসএসসিতে ৩১২ প্রতিষ্ঠানে এবারও পাস করেনি কেউই

এসএসসিতে পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ

এসএসসিতে পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ

মতামত

Card Image

জিয়াউল হক

একক লড়াইয়ে ইসলামী আন্দোলন !

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো জোটে না থেকে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ দলীয় জোটে তারা আর থাকছে না এবং নিজের শক্তির ওপর ভর করেই নির্বাচনী মাঠে নামবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের ২৬৮টি আসনে প্রার্থী দেবে। দীর্ঘদিন ধরে জোট রাজনীতির বাইরে থেকে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রাখার যে নীতি দলটি অনুসরণ করে আসছে, এই সিদ্ধান্ত তারই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এর আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন একটি জোট সমঝোতার অংশ হিসেবে কিছু আসন খালি রাখার উদ্যোগ নেয়। সেখানে প্রায় ৫০টি আসন ছাড় দেওয়ার আলোচনা থাকলেও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। বরং দলটি শুরু থেকেই এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নেয়। দলীয় নেতারা বলছেন, জনগণের প্রত্যাশা ও ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিস্তারের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জোট রাজনীতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সরাসরি ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একটি গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রাথমিক ধাপ শেষ হয়েছে এবং এখন আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারবেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

শহীদ নূর হোসেন থেকে শহীদ ওসমান হাদি: রাষ্ট্র কি বদলেছে?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মৃত্যু সময়কে ভাগ করে দেয়—আগের বাংলাদেশ আর পরের বাংলাদেশ। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেনের মৃত্যু যেমন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে নতুন গতি দিয়েছিল, তেমনি ২০২৫ সালে শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যু আজকের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে কঠিন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। নূর হোসেন ছিলেন একজন সাধারণ মানুষ। কোনো বড় পদ, ক্ষমতা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা তার ছিল না। তবুও তিনি বুক-পিঠে লেখা দুটি বাক্য—‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ও ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’—নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। রাষ্ট্র তখন প্রকাশ্য স্বৈরশাসনের অধীনে ছিল। গুলির মুখে দাঁড়িয়ে নূর হোসেন দেখিয়ে দিয়েছিলেন, গণতন্ত্র কেবল রাজনৈতিক দল নয়, সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগেই বেঁচে থাকে। তার রক্তের দাগ মুছে যায়নি; বরং তা ইতিহাসে চিহ্ন হয়ে রয়ে গেছে। অন্যদিকে শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন একটি প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। তিনি কোনো সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নয়, বরং তথাকথিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভেতরের ব্যর্থতা, বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছিলেন। দিনের আলোয় রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে রিকশায় বসে থাকা একজন রাজনৈতিক কর্মী গুলিবিদ্ধ হন—এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রকাশ্য ভেঙে পড়ার ঘোষণা। নূর হোসেনের সময় রাষ্ট্র বলত, “আমরা স্বৈরাচার, তাই দমন করব।” হাদির সময় রাষ্ট্র বলে, “আমরা গণতান্ত্রিক, কিন্তু অপরাধ ঠেকাতে পারছি না।” এই দুই বক্তব্যের মাঝখানে পার্থক্য থাকলেও ফলাফল এক—একজন নাগরিক নিহত। সবচেয়ে বেদনাদায়ক প্রশ্ন হলো, নূর হোসেনের আত্মত্যাগের ৩৮ বছর পরও কেন হাদির

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

৭ই নভেম্বর: স্বাধীনতা-গণতন্ত্র-সংহতি: এক দিনে তিন প্রতীক

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পরিচিত এই দিনটি ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পটভূমিতে সিপাহী-জনতার অভ্যুদয়ের প্রতীক হয়ে উঠে। দিনটি নিয়ে নানা মত ও ব্যাখ্যা থাকলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। কারণ, এই দিনের ঘটনাপ্রবাহ রাষ্ট্রের সামগ্রিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং জাতীয় রাজনীতির গতিপথে এক নতুন ধারা সূচনা করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সামরিক, প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ গড়ে উঠতে থাকে। এরপর ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা এবং ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর এক বিশেষ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সৈনিকদের একটি অংশ এবং জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেদিনের ঘটনাকে কেউ বিপ্লব, কেউ সামরিক অভ্যুত্থান এবং কেউ জাতীয় ঐক্যের স্ফুরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এই দিবসটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কারণে। সেই সময় বন্দী অবস্থায় থাকা তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মুক্তি পান এবং পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব হাতে নেন। জিয়া রাষ্ট্রপরিচালনায় আসার পর বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর নতুন রাজনীতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে মতামত রয়েছে। ৭ নভেম্বরকে একদলীয় শাসনের অবসান ও বহু মত-চিন্তার উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরির সূচনা হিসেবে দেখেন অনেক বিশ্লেষক।

রাজনীতি

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে প্রথম জন্মদিন, স্মরণে পুরো বাংলাদেশ

বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ সংগ্রাম, গণতন্ত্রের আন্দোলন এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের এক অনন্য অধ্যায়ের নাম বেগম খালেদা জিয়া। আজ ১৫ আগস্ট তাঁর ৮১তম জন্মবার্ষিকী স্মরণ করা হচ্ছে। তবে এবার এই দিনটি এসেছে গভীর শোকের আবহে। গত ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে জলপাইগুড়িতে জন্ম নেওয়া খালেদা খানম পুতুল শৈশবের বড় অংশ কাটান দিনাজপুরে। তাঁর বাবা ইস্কান্দার মজুমদার ও মা তৈয়বা মজুমদার। দিনাজপুরের সেন্ট জোসেফ কনভেন্টে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণের পর তিনি দিনাজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬০ সালে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ১৯৬৩ সালে দিনাজপুর সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। ১৯৬০ সালের ৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর তরুণ কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার পর খালেদা জিয়াকেও নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে সময় কাটাতে হয়। দুই সন্তানসহ তিনি আত্মগোপনে ছিলেন এবং পরে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে বন্দী হন। স্বাধীনতার পর তিনি সাধারণ গৃহবধূ হিসেবেই জীবন কাটাচ্ছিলেন। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর দলের নেতা-কর্মীদের আহ্বানে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ১৯৮২ সালে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ এবং ১৯৮৪ সালে চেয়ারপারসনের দায়িত্ব নেওয়ার পর ধীরে ধীরে তিনি জাতীয় রাজনীতির অন্যতম প্রধান নেতায় পরিণত হন। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা তাঁকে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত করে। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর তিনি দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। পরবর্তী সময়ে আরও দুই দফা প্রধানমন্ত্রী হন তিনি। তাঁর রাজনৈতিক জীবনে একাধিকবার গ্রেপ্তার, কারাবরণ, আন্দোলন, রাজনৈতিক সংঘাত ও প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। ২০০৭

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে প্রথম জন্মদিন, স্মরণে পুরো বাংলাদেশ
রাকিবের বিদায়বার্তা, যেকোনো সময় ছাত্রদলের নতুন কমিটি

রাকিবের বিদায়বার্তা, যেকোনো সময় ছাত্রদলের নতুন কমিটি

রিজভী আহমেদ হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

রিজভী আহমেদ হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্তে জরুরি বৈঠকে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব

রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্তে জরুরি বৈঠকে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব

আইন-আদালত

জুলাই আন্দোলনে উসকানির অভিযোগে আসামি হচ্ছেন তিন সাংবাদিক

জুলাই আন্দোলনে উসকানির অভিযোগে আসামি হচ্ছেন তিন সাংবাদিক

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে আন্দোলনবিরোধী বক্তব্য ও প্রচারণার মাধ্যমে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে তিন সাংবাদিক—শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রুপাকে আসামি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের আগামী ২৪ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ হাজির করতে জেল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সোমবার প্রসিকিউশনের আবেদনের পর ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। তাদের আদালতে হাজির করা হলে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে বলে জানানো হয়েছে। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালকে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত একটি সংবাদ সম্মেলনে এই

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

আন্দোলনের খবর ঠেকাতে টিভি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন কাদের

আন্দোলনের খবর ঠেকাতে টিভি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন কাদের

সাদ্দাম-ইনানকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নির্দেশ দেন কাদের

সাদ্দাম-ইনানকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নির্দেশ দেন কাদের

ভিডিও সংবাদ

Card Image

বরিশালে বিদ্যুৎ দুর্যোগ! কবে মিলবে নিরবচ্ছিন্ন সাপ্লাই?

Card Image

নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কেন বাড়ছে বারবার?

Card Image

ইসরায়েলের পরমাণু সুবিধা লক্ষ্য করে ইরানের আঘাত ও প্রতিশোধ

Card Image

প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর

Card Image

কারিগরি শিক্ষা নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা, কী বললেন নুরুল হক?

Card Image

বরিশালে অন্ডকোষ চেপে ধরে স্টাম্পে স্বাক্ষর! মুখ খুললেন ভুক্তভোগী | কী ঘটেছিল সেদিন?

Card Image

হিলিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ৩৮০০ ফলজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ

Card Image

🔴 “একই পরিবারের ৩ জনকে হত্যা!”🔍 “কুমিল্লায় নৃশংস খুন!”

Card Image

শেষ ঠিকানার কারিগর মনু মিয়া আর নেই, প্রায় ৩ হাজার কবর খোঁরেছিলেন তিনি || Enews71

Card Image

হিলি স্থলবন্দরে উন্নয়নের নামে কোটি কোটি টাকা শোষণ করা হয়েছে- সারজিস আলম

সম্পাদকীয়

    চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

বিশ্ব রাজনীতিতে বন্ধু কিংবা প্রতিপক্ষ এই পরিচয়গুলো সময়ের সঙ্গে বদলে যায়। কিন্তু একটি বিষয় কখনো বদলায় না, সেটি হলো অর্থনৈতিক স্বার্থ। আধুনিক বিশ্বে যে রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার প্রভাবও তত বেশি। ফলে আদর্শিক মতভেদ থাকলেও বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দেশগুলোকে একে অপরের সঙ্গে কাজ করতেই হয়। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনকে ঘিরে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক করিডোর নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টিকে রাজনৈতিক আবেগ কিংবা পক্ষ-বিপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখে রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের আলোকে মূল্যায়ন করা জরুরি। যেকোনো

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

স্বাস্থ্য

মানহীন চিকিৎসাকেন্দ্রে ছাড় নেই, বন্ধ হচ্ছে অবৈধ প্রতিষ্ঠান

মানহীন চিকিৎসাকেন্দ্রে ছাড় নেই, বন্ধ হচ্ছে অবৈধ প্রতিষ্ঠান

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় অবৈধভাবে পরিচালিত হাসপাতাল, ক্লিনিক, ব্লাড ব্যাংক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালাচ্ছে সরকার। চলতি বছরের ২৯ মার্চ থেকে শুরু হওয়া নিয়মিত অভিযানে গত পাঁচ মাসে সারা দেশে ২৫০টির বেশি অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একই সময়ে প্রায় ৫ হাজার প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়েছে এবং আরও ২০০টি ক্লিনিককে সংশোধনের জন্য সময় দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. মো. নূরুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে জানান, দেশের বিভিন্ন

বাদ পড়া শিশুদের জন্য বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান

বাদ পড়া শিশুদের জন্য বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান

সরকারের ছয় মাসে স্বাস্থ্য সংস্কার, সামনে হাম ডেঙ্গুর চ্যালেঞ্জ

সরকারের ছয় মাসে স্বাস্থ্য সংস্কার, সামনে হাম ডেঙ্গুর চ্যালেঞ্জ

টিকার বাইরে থাকা শিশুরাই বেশি আক্রান্ত, হামে মৃত্যু থামছে না

টিকার বাইরে থাকা শিশুরাই বেশি আক্রান্ত, হামে মৃত্যু থামছে না

জাতীয়

দিল্লির জবাবের ওপর নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে আলোচনা চললেও সফরের সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণসহ সফরের জন্য ‘সহায়ক পরিবেশ’ তৈরির বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থানের পর ভারতের স্পষ্ট উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা। দিল্লির কাছ থেকে উত্তর পাওয়ার পর এ বিষয়ে নিজেদের পরবর্তী অবস্থান নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ। ঢাকা ও দিল্লির সরকারি সূত্রগুলো বলছে, শেখ হাসিনার বিষয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট হওয়া বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, প্রধানমন্ত্রীর সফর আয়োজনের পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্ককে ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন পারস্পরিক আস্থা। আর দুই প্রতিবেশী দেশের আস্থার সংকটের কেন্দ্রে রয়েছে দিল্লিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের কূটনীতিকেরা মনে করছেন, শেখ হাসিনার বিষয়ে ভারত তাদের অবস্থান পরিষ্কার করলে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান আস্থার সংকট অনেকটাই কমে আসতে পারে। গত ৫ আগস্ট দিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্যে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের ঘটনাটি ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের আস্থার ক্ষেত্রে নতুন বাধা তৈরি করেছে বলে মনে করছে বাংলাদেশ। গত দুই সপ্তাহে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভারতের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট করেছে ঢাকা। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে বক্তব্য দিয়েছে, সে বিষয়ে ভারতের উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ। ভারতের উত্তর পাওয়ার পর এ নিয়ে আরও আলোচনা হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ভারতে যাচ্ছেন না—এমন কথা বাংলাদেশ বলেনি। তিনি জানান, ভারতের হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। ওই সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে বলেছেন, বাংলাদেশে হাজারো মানুষ হত্যার পর শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন এবং বাংলাদেশ তার প্রত্যর্পণ চায়। এ বিষয়ে অগ্রগতি কী, তা জানতে চেয়েছে ঢাকা। এ ছাড়া আন্দোলনের পর এবং নির্বাচনের আগের বিশেষ সময়ে শহীদ ওসমান হাদী হত্যার সঙ্গে

দিল্লির জবাবের ওপর নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর
অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

লিবিয়ার বন্দিজীবন শেষে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি

লিবিয়ার বন্দিজীবন শেষে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি

হাসিনাকে ফেরানোর দাবিতে তারেক রহমানের ভারত সফর অনিশ্চিত

হাসিনাকে ফেরানোর দাবিতে তারেক রহমানের ভারত সফর অনিশ্চিত

লাইফস্টাইল

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি। ‘মা’ শব্দটি শুধু একটি সম্বোধন নয়, বরং স্নেহ, মমতা, ত্যাগ ও অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রতীক। জন্মের পর মানুষের মুখে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দও ‘মা’। সেই মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্ব মা দিবস উদযাপন করা হয়। যদিও মাকে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন প্রয়োজন হয় না, তবুও বিশেষভাবে মায়েদের সম্মান জানাতেই দিনটি আলাদাভাবে পালিত হয়। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়,

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

বিশেষ সংবাদ

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিদ্যাবিল টি এস্টেটে দেখা মিলেছে বিরল একাধিক ফুলের কুঁড়ি বহনকারী কলামার ক্যাকটাসের। দৃষ্টিনন্দন এই ক্যাকটাসের সবুজ কাণ্ডের বিভিন্ন অংশে ফুটেছে সবুজ-হলুদ ফুল। কাঁটায় ভরা উদ্ভিদটির এমন ব্যতিক্রমী ফুল স্থানীয়দের পাশাপাশি উদ্ভিদপ্রেমীদেরও কৌতূহলী করে তুলেছে। ক্যাকটাস নানা বর্ণ ও বৈচিত্র্যের হয়ে থাকে। কোনো প্রজাতিতে কাঁটা কম, কোনোটি কাঁটায় ভরা। মরু অঞ্চলের উদ্ভিদ হলেও ঘরের গাছ হিসেবেও ক্যাকটাসের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। পানি স্বল্পতার পরিবেশে টিকে থাকার জন্য এর কাণ্ডে পানি জমা থাকে। সবুজ ও মাংসল কাণ্ডই পাতার মতো সালোকসংশ্লেষণের কাজ করে।...

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

৯০ বছরেও আয়তন বাড়েনি, শ্রীমঙ্গলে স্থাপন হয়নি স্থায়ী ‘ময়লার ডাম্পিং স্টেশন'

৯০ বছরেও আয়তন বাড়েনি, শ্রীমঙ্গলে স্থাপন হয়নি স্থায়ী ‘ময়লার ডাম্পিং স্টেশন'

ভূমি ধসের নীরব সংকটে বিপদে প্রাচ্যের ভেনিস বরিশাল

ভূমি ধসের নীরব সংকটে বিপদে প্রাচ্যের ভেনিস বরিশাল

অযত্নে বিলীনের পথে শ্রীমঙ্গলের সাড়ে ৩৫০ বছরের ‘কামিনী ভবন’

অযত্নে বিলীনের পথে শ্রীমঙ্গলের সাড়ে ৩৫০ বছরের ‘কামিনী ভবন’

খেলাধুলা

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো স্বাগতিকদের হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে চার দিন ধরে দাপট দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এই জয় শুধু একটি ম্যাচের সাফল্য নয়, বরং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের দীর্ঘ অপেক্ষারও অবসান। ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পষ্ট। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

ক্যামেরন গ্রিনের লড়াকু সেঞ্চুরি অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস হারের লজ্জা থেকে বাঁচালেও ডারউইন টেস্টে ঐতিহাসিক জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংস ২৮৪ রানে গুটিয়ে যাওয়ায় স্বাগতিকদের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫৭ রান। চতুর্থ দিন ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। শুরু থেকেই স্বাগতিকদের চাপে রাখে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ। প্রথম দেড়

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। সেই দলেরই এবার যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন চেহারা। ডারউইন টেস্টে পূর্ণশক্তির অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দাপট দেখিয়ে ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনের মধ্যাহ্নভোজের বিরতি পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ২১৯ রানের বিশাল লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের সম্ভাবনা এখন বাস্তব হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে অস্ট্রেলিয়ার অতীত পরিসংখ্যান। ২০০০ সালের পর প্রথম ইনিংসে অন্তত ১৫০ রানে পিছিয়ে থাকার পর অস্ট্রেলিয়া মাত্র তিনবার টেস্ট জিতেছে। এর মধ্যে ২০১০ সালে সিডনিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০৬ রানে পিছিয়ে থেকেও জয় পেয়েছিল তারা।

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর আগে টেস্ট ইতিহাসের শুরুতে যে বাংলাদেশকে ডারউইন ও কেয়ার্নসের মাঠে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল, সেই ডারউইনেই এবার ভিন্ন গল্প লিখছে লাল-সবুজের দল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে বোলিংয়ের পর ব্যাটিংয়েও দাপট দেখিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদের ছয় উইকেটের পর তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরিতে স্বাগতিকদের চাপে ফেলেছে সফরকারীরা। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শক্ত অবস্থান তৈরি করে। তানজিদ হাসান ১৮৮ বলে আটটি চার ও একটি ছক্কায় ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট শতক তুলে নেন। নাথান লায়নের বল লং অফ দিয়ে সিঙ্গেল নিয়ে শতরানের মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। এরপর হেলমেট

বাংলাদেশের পেস আক্রমণে ঘরের মাঠে বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং

বাংলাদেশের পেস আক্রমণে ঘরের মাঠে বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং

২৩ বছর পর ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে নেমে শুরুতেই বড় বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের পেস আক্রমণের তোপে প্রথম ইনিংসে ১৭৬ রানেই ৮ উইকেট হারিয়েছে সফরকারীরা। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৬টায় দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু হয়। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। শুরু থেকেই নতুন বলে হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদের আঁটসাঁট বোলিংয়ে অস্বস্তিতে পড়েন অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার ট্রাভিস হেড ও জেক ওয়েদারাল্ড। ১২তম ওভারের চতুর্থ বলে প্রথম সাফল্য পান হাসান মাহমুদ। অফ স্টাম্পের বাইরে ড্রাইভের প্রলোভনে শট খেলতে গিয়ে ব্যাটের কানা ছোঁয়ান ওয়েদারাল্ড। বল উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে জমা পড়ে। ২৩ রান করে

ফিফার নতুন পরিকল্পনায় বাংলাদেশের ফুটবলে আসতে পারে বড় অর্থায়ন

ফিফার নতুন পরিকল্পনায় বাংলাদেশের ফুটবলে আসতে পারে বড় অর্থায়ন

বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রস্তাব ঘিরে বিশ্ব ফুটবলে বিতর্ক তৈরি হলেও, এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল ফুটবল ফেডারেশনগুলো উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফিফার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠন করা হবে। এই প্রতিষ্ঠানের অধীনে বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব, স্পনসরশিপ, টিকিট বিক্রি, লাইসেন্সিংসহ সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন প্রতিষ্ঠানের একটি ক্ষুদ্র অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করা হবে। এর সম্ভাব্য মূল্য ধরা হয়েছে ২০ বিলিয়ন ডলার। এ প্রক্রিয়ায় প্রায় ৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের

চাকুরী

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৫০তম বিসিএসের বহুল প্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বুধবার সন্ধ্যায় পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বিসিএসে মোট ২ হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে ১ হাজার ৭৫৫ জনকে এবং নন-ক্যাডারে ৩৯৫ জনকে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন যুক্ত পদসহ এবার প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের নিয়োগ হচ্ছে। ক্যাডার পদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারে সর্বোচ্চ ৬৫০ জন,

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

আন্তর্জাতিক

তিন বছরে হাজার ত্রাণকর্মী নিহত, উদ্বেগ জাতিসংঘের

তিন বছরে হাজার ত্রাণকর্মী নিহত, উদ্বেগ জাতিসংঘের

বিশ্বজুড়ে সংঘাত ও সহিংসতার মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় কাজ করতে গিয়ে গত বছর অন্তত ৩৫০ জন ত্রাণকর্মী নিহত হয়েছেন। নিহতদের বড় একটি অংশ প্রাণ হারিয়েছেন গাজা ও সুদানে। সোমবার বিশ্ব মানবতা দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় বিষয়ক সংস্থা। মানবিক সহায়তাকর্মীদের ওপর হামলাকে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে উল্লেখ করেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটি হিউম্যানিটেরিয়ান আউটকামসের গবেষণা ও পরামর্শভিত্তিক জরিপের তথ্যের বরাত দিয়ে এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। তবে গত বছরের প্রাণহানি ২০২৪ সালের তুলনায় কিছুটা কম। ২০২৪ সালে বিশ্বজুড়ে ৩৭৭ জন ত্রাণকর্মী নিহত হয়েছিলেন। টানা তৃতীয় বছরের মতো গত বছরও দাতব্যকর্মীদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থান ছিল গাজা। সেখানে প্রায় ১৮৬ জন ত্রাণকর্মী নিহত হয়েছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭১ জন নিহত হয়েছেন আফ্রিকার দেশ সুদানে। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল টম ফ্লেচার বলেছেন, মাত্র তিন বছরে বিশ্বজুড়ে ১ হাজারের বেশি ত্রাণকর্মী নিহত হয়েছেন। তিনি বলেন, শুধু নিন্দা জানিয়ে ত্রাণকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। রাষ্ট্রগুলোকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে চলতে হবে এবং বেসামরিক নাগরিক ও মানবিক সহায়তাকর্মীদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা এসব নিয়ম ভাঙবে, তাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এদিকে ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে আরও ৮২ জন ত্রাণকর্মী নিহত, ৯৭ জন আহত এবং ৩৯ জন অপহৃত হয়েছেন। সংঘাতকবলিত এলাকায় সশস্ত্র ড্রোনের বিস্তার নিয়েও গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ। ওসিএইচএ বলেছে, এসব অস্ত্রসজ্জিত ড্রোন প্রাণঘাতী ক্ষমতা আরও বেশি মানুষের হাতে তুলে দিচ্ছে এবং শহর ও নগরে ধ্বংসাত্মক বিস্ফোরকের ব্যবহার বাড়াচ্ছে। সুদানে ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে ড্রোন হামলায় ৮০ শতাংশ বেসামরিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এসব হামলায় হাট-বাজার ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রও আক্রান্ত হয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধেও ড্রোন হামলায় প্রাণহানির বিষয়টি উল্লেখ করেছে জাতিসংঘ। টম ফ্লেচার বলেন, সশস্ত্র ড্রোন পুরোনো এক বিপদের নতুন রূপ, যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবন ইচ্ছাকৃত বা বেপরোয়াভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে। সূত্র: এএফপি

ধৈর্য ধরুন, ভারতের সঙ্গে ফিরবে পাকিস্তান বাংলাদেশ আফগানিস্তান : রামদেব

ধৈর্য ধরুন, ভারতের সঙ্গে ফিরবে পাকিস্তান বাংলাদেশ আফগানিস্তান : রামদেব

পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান ভবিষ্যতে আবার ভারতের অংশ হবে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের যোগগুরু বাবা রামদেব। এ জন্য ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ভারতে কোনো ধর্মের অস্তিত্ব হুমকির মুখে নেই; বরং দেশের সম্মান ও মর্যাদাই মূল বিষয়। সোমবার রায়পুরের স্বামী বিবেকানন্দ বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রামদেব ধর্মান্তর, সনাতন ধর্ম, শাসনব্যবস্থা ও গণতন্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন। এ সময় পাকিস্তান ও বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগের সমালোচনা করে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়েও নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন তিনি। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির হিন্দুদের পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রামদেব দাবি করেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে হিন্দুরা দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন ও অবিচারের শিকার

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের তাণ্ডব, প্রাণহানি ছাড়াল ৬৮

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের তাণ্ডব, প্রাণহানি ছাড়াল ৬৮

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৬৮ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন দুই শতাধিক মানুষ। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেকে আটকে থাকায় উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৬০০টি পরাঘাত অনুভূত হওয়ায় দুর্গত এলাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে। শনিবারের শক্তিশালী ভূমিকম্পের ধ্বংসযজ্ঞ এখনো স্পষ্ট। কোথাও রাস্তাজুড়ে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে, আবার কোথাও ঘরবাড়ি পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে। এসব স্থানে উদ্ধারকারীরা অভিযান চালাচ্ছেন। নতুন করে ভূমিকম্পের আশঙ্কায় অনেক মানুষ ঘরে ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না। ভূমিকম্পের পর ১৩ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ঘরে ফেরার অনিশ্চয়তায় অনেকে তাঁবু, স্কুল ও

ইরানকে আত্মসমর্পণের আহ্বান, ওমানকে ট্রাম্পের হুমকি

ইরানকে আত্মসমর্পণের আহ্বান, ওমানকে ট্রাম্পের হুমকি

যুদ্ধবিরতি অনিশ্চিত, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ল আবার

যুদ্ধবিরতি অনিশ্চিত, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ল আবার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ৬০ দিনের সমঝোতা অকার্যকর: ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ৬০ দিনের সমঝোতা অকার্যকর: ইরান

মার্কিন সেনা ধরলে ৩০ হাজার ডলার পুরস্কার দেবে ইরান

মার্কিন সেনা ধরলে ৩০ হাজার ডলার পুরস্কার দেবে ইরান

ডলার দুর্বলতায় আন্তর্জাতিক বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

ডলার দুর্বলতায় আন্তর্জাতিক বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

৩ লাখ রোহিঙ্গাকে রাখাইনে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

৩ লাখ রোহিঙ্গাকে রাখাইনে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

সারাদেশ

আদিবাসীদের জমি দখলচেষ্টা: নবাবগঞ্জে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৮, জেলহাজতে প্রেরণ

আদিবাসীদের জমি দখলচেষ্টা: নবাবগঞ্জে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৮, জেলহাজতে প্রেরণ

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ভাদুরিয়া মাহালী পাড়ায় আদিবাসী সম্প্রদায়ের জমি জবরদখলচেষ্টা ও হামলার অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তাররা হলেন দেলোয়ার হোসেন (৩৫), মনিরুল ইসলাম (৩০), আবুল কালাম (৫০), মিজানুর রহমান (৭৪), মোস্তাফিজুর রহমান (২৮), নাসির উদ্দিন (৩২), জালাল উদ্দিন (৩৮) ও হারুনর রশিদ (৪২)। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মাহমুদপুর ইউনিয়নের মাহালী পাড়ার বাসিন্দা মঙ্গল সরেন দীর্ঘদিন ধরে তার পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত ৪৬ শতক জমি ভোগদখল করে আসছিলেন। তবে গত দুই বছর...

কুয়াকাটায় ভূয়া ওয়ারিশ সেজে জমি বিক্রি ও দখলের অভিযোগ

কুয়াকাটায় ভূয়া ওয়ারিশ সেজে জমি বিক্রি ও দখলের অভিযোগ

টেকনাফে ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকাসহ ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ, গ্রেপ্তার- ২

টেকনাফে ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকাসহ ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ, গ্রেপ্তার- ২

ফুলবাড়ীতে বাসচাপায় স্কুলে যাওয়ার পথে শিশু নিহত, সড়ক অবরোধ

ফুলবাড়ীতে বাসচাপায় স্কুলে যাওয়ার পথে শিশু নিহত, সড়ক অবরোধ

রাঙ্গামাটিতে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে হত্যার পর ঘাতকের আত্মসমর্পণ

রাঙ্গামাটিতে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে হত্যার পর ঘাতকের আত্মসমর্পণ

অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বর্তমান সরকার অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয়ের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি সরকারের ব্যয় ব্যবস্থাপনা নিয়ে এ মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে সরকার। তবে প্রয়োজনীয় খাতে অবশ্যই ব্যয় করা হবে। সরকারের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজন ও অগ্রাধিকারের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে বলে তার বক্তব্যে উঠে আসে। তিনি আরও বলেন, যার যে কাজ, সেটি ঠিকভাবে করলেই দেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। সরকারি কার্যক্রমে দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন এবং কাজের ক্ষেত্রে দক্ষতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর আয়োজন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। সম্মেলনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন। সম্মেলনে সরকারের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী অপ্রয়োজনীয় খাতে সরকারি ব্যয় কমানোর পরিকল্পনার কথা জানান। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় অব্যাহত রাখার বিষয়টিও স্পষ্ট করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার এবং দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। তিনি মনে করেন, প্রত্যেকে নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে দেশের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে

আরও পড়ুন
৫ ঘণ্টা আগে
www.kidora.com.bd
দিল্লির জবাবের ওপর নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর

দিল্লির জবাবের ওপর নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে আলোচনা চললেও সফরের সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণসহ সফরের জন্য ‘সহায়ক পরিবেশ’ তৈরির বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থানের পর ভারতের স্পষ্ট উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা। দিল্লির কাছ থেকে উত্তর

ইরানকে আত্মসমর্পণের আহ্বান, ওমানকে ট্রাম্পের হুমকি

ইরানকে আত্মসমর্পণের আহ্বান, ওমানকে ট্রাম্পের হুমকি

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরান ও ওমানের আলোচনার মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আলোচনায় ওমান বাধা দিলে দেশটির বিরুদ্ধে ভয়াবহ হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাশাপাশি ইরানকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সোমবার ফক্স নিউজের সাংবাদিক ট্রে ইংস্টকে

মানহীন চিকিৎসাকেন্দ্রে ছাড় নেই, বন্ধ হচ্ছে অবৈধ প্রতিষ্ঠান

মানহীন চিকিৎসাকেন্দ্রে ছাড় নেই, বন্ধ হচ্ছে অবৈধ প্রতিষ্ঠান

তিন বছরে হাজার ত্রাণকর্মী নিহত, উদ্বেগ জাতিসংঘের

তিন বছরে হাজার ত্রাণকর্মী নিহত, উদ্বেগ জাতিসংঘের

ধৈর্য ধরুন, ভারতের সঙ্গে ফিরবে পাকিস্তান বাংলাদেশ আফগানিস্তান : রামদেব

ধৈর্য ধরুন, ভারতের সঙ্গে ফিরবে পাকিস্তান বাংলাদেশ আফগানিস্তান : রামদেব

লিবিয়ার বন্দিজীবন শেষে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি

লিবিয়ার বন্দিজীবন শেষে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের তাণ্ডব, প্রাণহানি ছাড়াল ৬৮

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের তাণ্ডব, প্রাণহানি ছাড়াল ৬৮

বাদ পড়া শিশুদের জন্য বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান

বাদ পড়া শিশুদের জন্য বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয়

আদিবাসীদের জমি দখলচেষ্টা: নবাবগঞ্জে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৮, জেলহাজতে প্রেরণ

আদিবাসীদের জমি দখলচেষ্টা: নবাবগঞ্জে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৮, জেলহাজতে প্রেরণ

কুয়াকাটায় ভূয়া ওয়ারিশ সেজে জমি বিক্রি ও দখলের অভিযোগ

কুয়াকাটায় ভূয়া ওয়ারিশ সেজে জমি বিক্রি ও দখলের অভিযোগ

টেকনাফে ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকাসহ ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ, গ্রেপ্তার- ২

টেকনাফে ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকাসহ ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ, গ্রেপ্তার- ২

মানহীন চিকিৎসাকেন্দ্রে ছাড় নেই, বন্ধ হচ্ছে অবৈধ প্রতিষ্ঠান

মানহীন চিকিৎসাকেন্দ্রে ছাড় নেই, বন্ধ হচ্ছে অবৈধ প্রতিষ্ঠান

ফুলবাড়ীতে বাসচাপায় স্কুলে যাওয়ার পথে শিশু নিহত, সড়ক অবরোধ

ফুলবাড়ীতে বাসচাপায় স্কুলে যাওয়ার পথে শিশু নিহত, সড়ক অবরোধ

রাঙ্গামাটিতে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে হত্যার পর ঘাতকের আত্মসমর্পণ

রাঙ্গামাটিতে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে হত্যার পর ঘাতকের আত্মসমর্পণ

দিল্লির জবাবের ওপর নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর

দিল্লির জবাবের ওপর নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর

তিন বছরে হাজার ত্রাণকর্মী নিহত, উদ্বেগ জাতিসংঘের

তিন বছরে হাজার ত্রাণকর্মী নিহত, উদ্বেগ জাতিসংঘের

অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ধৈর্য ধরুন, ভারতের সঙ্গে ফিরবে পাকিস্তান বাংলাদেশ আফগানিস্তান : রামদেব

ধৈর্য ধরুন, ভারতের সঙ্গে ফিরবে পাকিস্তান বাংলাদেশ আফগানিস্তান : রামদেব
https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

বুধবার পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, অন্ধকারে ঢাকবে পৃথিবীর যেসব অঞ্চল

বুধবার পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, অন্ধকারে ঢাকবে পৃথিবীর যেসব অঞ্চল

মহাজাগতিক বিরল এক ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছে পৃথিবী। বুধবার ১২ আগস্ট পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ হবে। প্রায় দুই বছর পর সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করায় চাঁদের প্রচ্ছায়ায় ঢেকে যাবে সূর্যের পুরো ডিস্ক। ফলে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় দিনের আলো কয়েক মুহূর্তের জন্য বদলে যাবে গাঢ় অন্ধকারে। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় বিকেল ৩টা ৩৪ মিনিটে সূর্যগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩৪ মিনিটে গ্রহণ শুরু হবে। তবে বাংলাদেশ থেকে সরাসরি এ গ্রহণ দেখা যাবে না। এবারের

ফেসবুক বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে বিকাশ যুক্ত করার উদ্যোগ মেটার

ফেসবুক বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে বিকাশ যুক্ত করার উদ্যোগ মেটার

এআই যুগে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বিশ্বের ভবিষ্যৎ

এআই যুগে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বিশ্বের ভবিষ্যৎ

মানুষের মতো কথোপকথনে বড় অগ্রগতি আনছে চ্যাটজিপিটির ভয়েস প্রযুক্তি

মানুষের মতো কথোপকথনে বড় অগ্রগতি আনছে চ্যাটজিপিটির ভয়েস প্রযুক্তি

প্রতিবেশী

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ঢাকার ধারাবাহিক দাবির মধ্যে ভারতের অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়েছে। দেশটির শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রত্যর্পণের বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, শেষ পর্যন্ত ভারতের আদালতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। ভারতীয় কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে প্রত্যর্পণের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ এলে সেটি দেশটির বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। অভিযোগগুলো ভারতের আইন অনুযায়ীও অপরাধ হিসেবে বিবেচিত কি না, তা আদালতের সামনে যাচাই করা হবে। এদিকে শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক পর্যায়ে

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

ধর্ম

জুমার দিনে মুমিনের জন্য বিশেষ রহমত ও বরকত

জুমার দিনে মুমিনের জন্য বিশেষ রহমত ও বরকত

ইসলাম ধর্মে জুমার দিনটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ। প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার মুসলমানদের জন্য বিশেষ ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ নিয়ে আসে। এ দিনকে কেন্দ্র করে মুসলিম সমাজে নামাজ, দোয়া, কোরআন তিলাওয়াত ও নেক আমলের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। জুমার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো জুমার নামাজ আদায় করা। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ মুসলমানদের জন্য জুমার নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এ নামাজের আগে খুতবা দেওয়া হয়। খুতবার সময় মনোযোগ দিয়ে তা শোনা এবং অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে বিরত থাকা

সবর ও তাওয়াক্কুলে মুমিনের শক্তি

সবর ও তাওয়াক্কুলে মুমিনের শক্তি

ঈমানের দৃঢ়তা মুমিনের জীবনে এনে দেয় প্রকৃত শান্তি

ঈমানের দৃঢ়তা মুমিনের জীবনে এনে দেয় প্রকৃত শান্তি

জুমার দিনের বিশেষ আমলে রহমত বরকত ক্ষমার অশেষ সুযোগ

জুমার দিনের বিশেষ আমলে রহমত বরকত ক্ষমার অশেষ সুযোগ

বিনোদন

জন্মের পর অন্য পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন রানি মুখার্জি

জন্মের পর অন্য পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন রানি মুখার্জি

বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জির জীবনের এক অবাক করা ঘটনা দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। জন্মের পর হাসপাতালের এক ভুলে তিনি অন্য এক পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন। পরে তার মা কৃষ্ণা মুখার্জির তৎপরতায় তিনি নিজের প্রকৃত পরিবারের কাছে ফিরে আসেন। ১৯৭৮ সালের ২১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন রানি মুখার্জি। তিনি চলচ্চিত্র নির্মাতা রাম মুখার্জি ও কৃষ্ণা মুখার্জির মেয়ে। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, জন্মের পর হাসপাতালের এক নার্সের ভুলে তাকে একটি পাঞ্জাবি দম্পতির নবজাতকের সঙ্গে অদলবদল করা হয়েছিল। রানির ভাষ্য অনুযায়ী, তার মা শিশুটিকে দেখেই সন্দেহ করেন। কারণ নবজাতকের চোখের রং তার সন্তানের চোখের রঙের সঙ্গে মিলছিল না। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি দ্রুত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান যে শিশুটি তার নয় এবং নিজের সন্তানকে খুঁজে বের করার দাবি জানান। এরপর হাসপাতালজুড়ে অনুসন্ধান চালিয়ে ওই পাঞ্জাবি দম্পতির কাছ থেকে রানিকে উদ্ধার করা হয়। পরে দুই নবজাতককে তাদের প্রকৃত পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। রানি জানান, পরবর্তী সময়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি নিয়ে প্রায়ই হাস্যরস করতেন। অনেকে মজা করে বলতেন, তিনি আসলে পাঞ্জাবি পরিবারের সন্তান, ভুল করে মুখার্জি পরিবারে বড় হয়েছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নবজাতকদের পরিচয়পত্র লাগানোর সময় দায়িত্বে থাকা এক নার্সের ভুলেই এই অদলবদলের ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমানে এই ঘটনাটি রানির জীবনের অন্যতম আলোচিত স্মৃতি হিসেবে পরিচিত।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুললেন সালমান খান

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুললেন সালমান খান

শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুলেছেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে ‘অত্যন্ত গুরুতর বিষয়’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ না দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রশংসা করে আহতদের প্রতি সমবেদনা জানান। সালমান খান লেখেন, আন্দোলনটি শুরু হয়েছিল অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে। তবে শেষ পর্যন্ত তা সহিংসতায় রূপ নেওয়ায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস একটি অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা। দেশের তরুণেরা উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং তাঁদের অভিভাবকেরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন—এটি ইতিবাচক একটি বিষয়। তিনি আরও বলেন, নিষ্ঠা, সততা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে এবং আরও শিক্ষিত ভারত গঠনের যে আগ্রহ শিক্ষার্থীরা দেখিয়েছে, তা প্রশংসার দাবিদার। তাঁর ভাষায়, আন্দোলন বা প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ এবং শিক্ষার্থীরা তা শান্তিপূর্ণভাবেই করেছে। শিক্ষা নিয়ে সচেতন এই প্রজন্ম একদিন ভারতের জন্য গৌরব বয়ে আনবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। পোস্টের শেষাংশে সালমান খান বলেন, এটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষাব্যবস্থার বিষয়। তাই একে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়। তাঁর বিশ্বাস, সরকারও শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তিনি শিক্ষার্থীদের মঙ্গল কামনাও করেন। শিক্ষাব্যবস্থায় সংস্কার এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে, যাতে বহু শিক্ষার্থী আহত ও অসুস্থ হয়েছেন। তবে সহিংসতার জন্য উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছে। এর আগে চলচ্চিত্র অঙ্গনের