সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬১০ ভাদ্র, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আপনার এলাকার খবর

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
https://enews71.com/storage/ads/01KTB48CFAEJRYTN4T9G053ER9.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png

ভিডিও সংবাদ

Card Image

চেয়ারম্যান থেকে রাষ্ট্রপতির চেয়ারে! অবিশ্বাস্য রাজনৈতিক উত্থান

Card Image

রাজশাহীতে চলন্ত ট্রেন থেকে তেল চুরি! এটাকে কি চুরি বলবেন, নাকি লুট?

Card Image

বরিশালে বিদ্যুৎ দুর্যোগ! কবে মিলবে নিরবচ্ছিন্ন সাপ্লাই?

Card Image

নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কেন বাড়ছে বারবার?

Card Image

ইসরায়েলের পরমাণু সুবিধা লক্ষ্য করে ইরানের আঘাত ও প্রতিশোধ

Card Image

প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর

Card Image

কারিগরি শিক্ষা নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা, কী বললেন নুরুল হক?

Card Image

বরিশালে অন্ডকোষ চেপে ধরে স্টাম্পে স্বাক্ষর! মুখ খুললেন ভুক্তভোগী | কী ঘটেছিল সেদিন?

Card Image

হিলিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ৩৮০০ ফলজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ

Card Image

🔴 “একই পরিবারের ৩ জনকে হত্যা!”🔍 “কুমিল্লায় নৃশংস খুন!”

স্থানীয় নির্বাচন কবে, জানালেন সিইসি

স্থানীয় নির্বাচন কবে, জানালেন সিইসি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের নির্দিষ্ট দিনক্ষণ এখনই জানানো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। দুর্গাপূজা, বন্যা ও শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করেই নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সোমবার (২৪ আগস্ট) নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে ‘স্ট্র্যাটেজিক লিডারশিপ ফর বাংলাদেশ লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশন’ শীর্ষক এক্সেল এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ ডায়ালগ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন সিইসি। এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় আইন ও বিধি-বিধানে কিছু সংশোধন করতে হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সংশোধনের কাজ ইতোমধ্যে শেষ করে তা মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। সিইসি জানান, এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে খুব বেশি সময় লাগবে না। একই সঙ্গে নির্বাচন আয়োজনের অন্যান্য প্রস্তুতিও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন নিজেদের দায়িত্ব অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে বলেও জানান তিনি। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি নেই উল্লেখ করে সিইসি বলেন, জাতীয় নির্বাচন যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তার চেয়ে খারাপ হবে না। বরং আগের নির্বাচনে যে মানদণ্ড তৈরি হয়েছে, সেটিকে আরও উন্নত করার চেষ্টা থাকবে। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যে মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে, তার নিচে যাওয়ার সুযোগ নেই। সম্ভব হলে আরও ভালো নির্বাচন উপহার দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য

আরও পড়ুন
১ ঘণ্টা আগে
www.kidora.com.bd
গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ছাড় নয়: গোলাম পরওয়ার

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ছাড় নয়: গোলাম পরওয়ার

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেছেন, জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়নে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় ঐক্য দৃঢ় অবস্থানে থাকবে। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় সংসদের

রংপুরে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার

রংপুরে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষকসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে তালাবদ্ধ বাড়ির তালা ভেঙে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি

মেয়েকে হত্যায় ১২ বছর পর বাবার মৃত্যুদণ্ড

মেয়েকে হত্যায় ১২ বছর পর বাবার মৃত্যুদণ্ড

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

মাছুয়াপাড়ায় চার হত্যা, রহস্য উদঘাটনে অগ্রগতি

মাছুয়াপাড়ায় চার হত্যা, রহস্য উদঘাটনে অগ্রগতি

জাতীয় স্বার্থেই হবে ভারত সফর, তাড়াহুড়া নেই

জাতীয় স্বার্থেই হবে ভারত সফর, তাড়াহুড়া নেই

শিল্পে জ্বালানি সংকট কাটাতে বিকল্পের ভাবনা

শিল্পে জ্বালানি সংকট কাটাতে বিকল্পের ভাবনা

ওসমানীনগরে ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত চার

ওসমানীনগরে ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত চার

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয়

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ছাড় নয়: গোলাম পরওয়ার

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ছাড় নয়: গোলাম পরওয়ার

মেয়েকে হত্যায় ১২ বছর পর বাবার মৃত্যুদণ্ড

মেয়েকে হত্যায় ১২ বছর পর বাবার মৃত্যুদণ্ড

স্থানীয় নির্বাচন কবে, জানালেন সিইসি

স্থানীয় নির্বাচন কবে, জানালেন সিইসি

হাকিমপুরে বিএনপির কর্মী সম্মেলন ঘিরে প্রস্তুতি

হাকিমপুরে বিএনপির কর্মী সম্মেলন ঘিরে প্রস্তুতি

পানছড়িতে বিজিবির উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

পানছড়িতে বিজিবির উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

টেকনাফে ৪ লাখ ইয়াবা উদ্ধার

টেকনাফে ৪ লাখ ইয়াবা উদ্ধার

ঘণ্টায় ঘণ্টায় বিদ্যুৎ যায়, ভোগান্তিতে ঝালকাঠি

ঘণ্টায় ঘণ্টায় বিদ্যুৎ যায়, ভোগান্তিতে ঝালকাঠি

ভাইকে হত্যায় ১৭০০ টাকা, আদালতে স্বীকারোক্তি

ভাইকে হত্যায় ১৭০০ টাকা, আদালতে স্বীকারোক্তি

চা শ্রমিকের ঘর থেকে হার্ভার্ডে শান্তা যাদব

চা শ্রমিকের ঘর থেকে হার্ভার্ডে শান্তা যাদব

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস
https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

বিশেষ সংবাদ

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

নানা প্রতিকূলতা ও উৎপাদন ব্যয়ের চাপ কাটিয়ে দেশের চা শিল্পে আবারও সুদিনের আভাস দেখা দিয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত, সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং চায়ের নিলামে ভালো দাম পাওয়ায় চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন হয়েছে। গত তিন বছরের প্রথমার্ধের তুলনায় এ উৎপাদন সর্বোচ্চ। চলতি বছরে দেশে ১০ কোটি ৪০ লাখ কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুন পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২ কোটি ২৪ লাখ কেজি, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ২৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ। বাংলাদেশ চা বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,...

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

খেলাধুলা

স্টার্ককে ফিরিয়ে শরীফুলের ছয় উইকেট

স্টার্ককে ফিরিয়ে শরীফুলের ছয় উইকেট

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম। স্বাগতিক দলের ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মিচেল স্টার্ককে সাজঘরে ফিরিয়ে নিজের ষষ্ঠ উইকেট পূর্ণ করেছেন তিনি। স্টার্কের উইকেটটি শরীফুলের জন্য ছিল বিশেষ তাৎপর্যের। কারণ এর মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার অর্জনের পরপরই এক ইনিংসে ছয় উইকেট নেওয়ার কৃতিত্বও অর্জন করলেন বাংলাদেশের এই পেসার। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিং ধসিয়ে দেন

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো স্বাগতিকদের হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে চার দিন ধরে দাপট দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এই জয় শুধু একটি ম্যাচের সাফল্য নয়, বরং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের দীর্ঘ অপেক্ষারও অবসান। ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পষ্ট। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

ক্যামেরন গ্রিনের লড়াকু সেঞ্চুরি অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস হারের লজ্জা থেকে বাঁচালেও ডারউইন টেস্টে ঐতিহাসিক জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংস ২৮৪ রানে গুটিয়ে যাওয়ায় স্বাগতিকদের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫৭ রান। চতুর্থ দিন ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। শুরু থেকেই স্বাগতিকদের চাপে রাখে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ। প্রথম দেড় ঘণ্টায় স্পিনের ঘূর্ণিতে অ্যালেক্স ক্যারি, বেউ ওয়েবস্টার ও অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে ফিরিয়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ক্যারি করেন ৩০, ওয়েবস্টার ৫ এবং কামিন্স ৮ রান। এতে ২০৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কায় পড়ে অস্ট্রেলিয়া। সেখান থেকে এক প্রান্ত

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। সেই দলেরই এবার যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন চেহারা। ডারউইন টেস্টে পূর্ণশক্তির অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দাপট দেখিয়ে ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনের মধ্যাহ্নভোজের বিরতি পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ২১৯ রানের বিশাল লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের সম্ভাবনা এখন বাস্তব হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে অস্ট্রেলিয়ার অতীত পরিসংখ্যান। ২০০০ সালের পর প্রথম ইনিংসে অন্তত ১৫০ রানে পিছিয়ে থাকার পর অস্ট্রেলিয়া মাত্র তিনবার টেস্ট জিতেছে। এর মধ্যে ২০১০ সালে সিডনিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০৬ রানে পিছিয়ে থেকেও জয় পেয়েছিল তারা।

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর আগে টেস্ট ইতিহাসের শুরুতে যে বাংলাদেশকে ডারউইন ও কেয়ার্নসের মাঠে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল, সেই ডারউইনেই এবার ভিন্ন গল্প লিখছে লাল-সবুজের দল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে বোলিংয়ের পর ব্যাটিংয়েও দাপট দেখিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদের ছয় উইকেটের পর তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরিতে স্বাগতিকদের চাপে ফেলেছে সফরকারীরা। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শক্ত অবস্থান তৈরি করে। তানজিদ হাসান ১৮৮ বলে আটটি চার ও একটি ছক্কায় ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট শতক তুলে নেন। নাথান লায়নের বল লং অফ দিয়ে সিঙ্গেল নিয়ে শতরানের মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। এরপর হেলমেট

বাংলাদেশের পেস আক্রমণে ঘরের মাঠে বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং

বাংলাদেশের পেস আক্রমণে ঘরের মাঠে বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং

২৩ বছর পর ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে নেমে শুরুতেই বড় বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের পেস আক্রমণের তোপে প্রথম ইনিংসে ১৭৬ রানেই ৮ উইকেট হারিয়েছে সফরকারীরা। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৬টায় দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু হয়। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। শুরু থেকেই নতুন বলে হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদের আঁটসাঁট বোলিংয়ে অস্বস্তিতে পড়েন অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার ট্রাভিস হেড ও জেক ওয়েদারাল্ড। ১২তম ওভারের চতুর্থ বলে প্রথম সাফল্য পান হাসান মাহমুদ। অফ স্টাম্পের বাইরে ড্রাইভের প্রলোভনে শট খেলতে গিয়ে ব্যাটের কানা ছোঁয়ান ওয়েদারাল্ড। বল উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে জমা পড়ে। ২৩ রান করে

স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্য খাতে ১৩-১৬ গ্রেডে নিয়োগের উদ্যোগ

স্বাস্থ্য খাতে ১৩-১৬ গ্রেডে নিয়োগের উদ্যোগ

দেশের স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডের শূন্য পদে জরুরি ভিত্তিতে জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে দীর্ঘদিনের জনবল সংকট কমাতেই এ কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে শুক্রবার (২০ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত একটি চিঠি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়। চিঠিটি দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের পরিচালক, সিভিল সার্জন, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য খাতে জনবল

ঢাকায় ডেঙ্গুর ধরন বদল, বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি

ঢাকায় ডেঙ্গুর ধরন বদল, বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি

মানহীন চিকিৎসাকেন্দ্রে ছাড় নেই, বন্ধ হচ্ছে অবৈধ প্রতিষ্ঠান

মানহীন চিকিৎসাকেন্দ্রে ছাড় নেই, বন্ধ হচ্ছে অবৈধ প্রতিষ্ঠান

বাদ পড়া শিশুদের জন্য বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান

বাদ পড়া শিশুদের জন্য বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান

ধর্ম

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

মানুষের জীবনে ভুল, মতবিরোধ ও মনোমালিন্য স্বাভাবিক বিষয়। তবে ইসলাম মানুষকে প্রতিশোধের পরিবর্তে ক্ষমা, ধৈর্য ও উদারতার শিক্ষা দিয়েছে। কোরআন ও হাদিসে অন্যকে ক্ষমা করার মর্যাদা এবং এর মাধ্যমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘যারা রাগ সংবরণ করে এবং মানুষকে ক্ষমা করে, আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন।’ এই আয়াত একজন মুমিনকে রাগের মুহূর্তেও নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার এবং অন্যের ভুল ক্ষমা করে দেওয়ার শিক্ষা দেয়। ক্ষমা করা দুর্বলতার পরিচয় নয়; বরং নিজের ক্রোধকে নিয়ন্ত্রণ করার শক্তিই একজন মানুষের

মহানবী (সা.)-এর সার্বজনীন আদর্শ ও চারিত্রিক গুণাবলি

মহানবী (সা.)-এর সার্বজনীন আদর্শ ও চারিত্রিক গুণাবলি

পিতামাতার অবাধ্যতায় দুনিয়া-আখিরাতে কঠিন পরিণতি

পিতামাতার অবাধ্যতায় দুনিয়া-আখিরাতে কঠিন পরিণতি

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর আদর্শ জীবন

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর আদর্শ জীবন

সম্পাদকীয়

    চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

বিশ্ব রাজনীতিতে বন্ধু কিংবা প্রতিপক্ষ এই পরিচয়গুলো সময়ের সঙ্গে বদলে যায়। কিন্তু একটি বিষয় কখনো বদলায় না, সেটি হলো অর্থনৈতিক স্বার্থ। আধুনিক বিশ্বে যে রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার প্রভাবও তত বেশি। ফলে আদর্শিক মতভেদ থাকলেও বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দেশগুলোকে একে অপরের সঙ্গে কাজ করতেই হয়। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনকে ঘিরে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক করিডোর নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টিকে রাজনৈতিক আবেগ কিংবা পক্ষ-বিপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখে রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের আলোকে মূল্যায়ন করা জরুরি। যেকোনো

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

সারাদেশ

মেয়েকে হত্যায় ১২ বছর পর বাবার মৃত্যুদণ্ড

মেয়েকে হত্যায় ১২ বছর পর বাবার মৃত্যুদণ্ড

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে নিজের সাড়ে তিন বছরের শিশুকন্যাকে গলা কেটে হত্যার মামলায় বাবা শরীফ আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১২ বছরের বিচারিক প্রক্রিয়ার অবসান হলো। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (২য় আদালত) মো. আনোয়ারুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি...

হাকিমপুরে বিএনপির কর্মী সম্মেলন ঘিরে প্রস্তুতি

হাকিমপুরে বিএনপির কর্মী সম্মেলন ঘিরে প্রস্তুতি

পানছড়িতে বিজিবির উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

পানছড়িতে বিজিবির উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

টেকনাফে ৪ লাখ ইয়াবা উদ্ধার

টেকনাফে ৪ লাখ ইয়াবা উদ্ধার

ঘণ্টায় ঘণ্টায় বিদ্যুৎ যায়, ভোগান্তিতে ঝালকাঠি

ঘণ্টায় ঘণ্টায় বিদ্যুৎ যায়, ভোগান্তিতে ঝালকাঠি

বিনোদন

জন্মের পর অন্য পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন রানি মুখার্জি

জন্মের পর অন্য পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন রানি মুখার্জি

বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জির জীবনের এক অবাক করা ঘটনা দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। জন্মের পর হাসপাতালের এক ভুলে তিনি অন্য এক পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন। পরে তার মা কৃষ্ণা মুখার্জির তৎপরতায় তিনি নিজের প্রকৃত পরিবারের কাছে ফিরে আসেন। ১৯৭৮ সালের ২১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন রানি মুখার্জি। তিনি চলচ্চিত্র নির্মাতা রাম মুখার্জি ও কৃষ্ণা মুখার্জির মেয়ে। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, জন্মের পর হাসপাতালের এক নার্সের ভুলে তাকে একটি পাঞ্জাবি দম্পতির নবজাতকের সঙ্গে অদলবদল করা হয়েছিল। রানির ভাষ্য অনুযায়ী, তার মা শিশুটিকে দেখেই সন্দেহ করেন। কারণ নবজাতকের চোখের রং তার সন্তানের চোখের রঙের সঙ্গে মিলছিল না। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি দ্রুত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান যে শিশুটি তার নয় এবং নিজের সন্তানকে খুঁজে বের করার দাবি জানান। এরপর হাসপাতালজুড়ে অনুসন্ধান চালিয়ে ওই পাঞ্জাবি দম্পতির কাছ থেকে রানিকে উদ্ধার করা হয়। পরে দুই নবজাতককে তাদের প্রকৃত পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। রানি জানান, পরবর্তী সময়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি নিয়ে প্রায়ই হাস্যরস করতেন। অনেকে মজা করে বলতেন, তিনি আসলে পাঞ্জাবি পরিবারের সন্তান, ভুল করে মুখার্জি পরিবারে বড় হয়েছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নবজাতকদের পরিচয়পত্র লাগানোর সময় দায়িত্বে থাকা এক নার্সের ভুলেই এই অদলবদলের ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমানে এই ঘটনাটি রানির জীবনের অন্যতম আলোচিত স্মৃতি হিসেবে পরিচিত।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুললেন সালমান খান

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুললেন সালমান খান

শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুলেছেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে ‘অত্যন্ত গুরুতর বিষয়’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ না দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রশংসা করে আহতদের প্রতি সমবেদনা জানান। সালমান খান লেখেন, আন্দোলনটি শুরু হয়েছিল অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে। তবে শেষ পর্যন্ত তা সহিংসতায় রূপ নেওয়ায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস একটি অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা। দেশের তরুণেরা উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং তাঁদের অভিভাবকেরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন—এটি ইতিবাচক একটি বিষয়। তিনি আরও বলেন, নিষ্ঠা, সততা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে এবং আরও শিক্ষিত ভারত গঠনের যে আগ্রহ শিক্ষার্থীরা দেখিয়েছে, তা প্রশংসার দাবিদার। তাঁর ভাষায়, আন্দোলন বা প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ এবং শিক্ষার্থীরা তা শান্তিপূর্ণভাবেই করেছে। শিক্ষা নিয়ে সচেতন এই প্রজন্ম একদিন ভারতের জন্য গৌরব বয়ে আনবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। পোস্টের শেষাংশে সালমান খান বলেন, এটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষাব্যবস্থার বিষয়। তাই একে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়। তাঁর বিশ্বাস, সরকারও শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তিনি শিক্ষার্থীদের মঙ্গল কামনাও করেন। শিক্ষাব্যবস্থায় সংস্কার এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে, যাতে বহু শিক্ষার্থী আহত ও অসুস্থ হয়েছেন। তবে সহিংসতার জন্য উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছে। এর আগে চলচ্চিত্র অঙ্গনের

রাজনীতি

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ছাড় নয়: গোলাম পরওয়ার

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেছেন, জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়নে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় ঐক্য দৃঢ় অবস্থানে থাকবে। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে জাতীয় দৈনিকগুলোর সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন গোলাম পরওয়ার। তিনি দাবি করেন, গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন। তাঁর মতে, জনগণের এই রায় বাস্তবায়নের চেয়ে এই মুহূর্তে বড় কোনো রাজনৈতিক ইস্যু নেই। এ বিষয়ে সংসদ ব্যর্থ হলে জনগণের কাছে ফিরে যাওয়ার কথাও জানান তিনি। মতবিনিময় সভায় সংসদের ভেতরে ও বাইরে ১১ দলীয় ঐক্যের ভূমিকা, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জাতীয় সংকট এবং ‘জুলাই সনদের’ ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। গোলাম পরওয়ার বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে দীর্ঘদিন ধরে শক্তিশালী ও গঠনমূলক বিরোধী দলের ঘাটতি রয়েছে। এই পরিস্থিতি গণতান্ত্রিক সংকটকে আরও গভীর করেছে। জামায়াতে ইসলামী এ অবস্থার পরিবর্তন করে সংসদীয় রাজনীতিতে নতুন ধারা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, বিরোধী দলের দায়িত্ব শুধু সরকারের বিরোধিতা করা নয়। সরকারের জনকল্যাণমূলক ও ভালো উদ্যোগে সহযোগিতা এবং জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের গঠনমূলক সমালোচনা করাই তাদের রাজনৈতিক অবস্থান। এভাবেই ১১ দলীয় ঐক্য সংসদে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে চায়। সভায় অংশ নেওয়া সম্পাদকদের বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শের কথাও তুলে ধরেন গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল ও গণমাধ্যমের মধ্যে নিয়মিত ও কার্যকর যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ। সম্পাদকরা জামায়াতের সংসদীয় ভূমিকা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে তাদের মূল্যায়ন তুলে ধরেছেন। রাজপথের কর্মসূচি নিয়ে সম্পাদকদের পরামর্শের কথাও জানান তিনি। জনগণের দাবি আদায়ে আন্দোলন প্রয়োজন হলেও তা যেন

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ছাড় নয়: গোলাম পরওয়ার
মন্ত্রিসভায় আসছে নতুন মুখ, পার্থ পাচ্ছেন তথ্য মন্ত্রণালয়

মন্ত্রিসভায় আসছে নতুন মুখ, পার্থ পাচ্ছেন তথ্য মন্ত্রণালয়

রুহুল কবীর রিজভী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

রুহুল কবীর রিজভী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

অঙ্গীকার ও ওয়াদা রক্ষা করাই বিএনপির সংস্কৃতি: রিজভী

অঙ্গীকার ও ওয়াদা রক্ষা করাই বিএনপির সংস্কৃতি: রিজভী

মতামত

Card Image

জিয়াউল হক

একক লড়াইয়ে ইসলামী আন্দোলন !

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো জোটে না থেকে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ দলীয় জোটে তারা আর থাকছে না এবং নিজের শক্তির ওপর ভর করেই নির্বাচনী মাঠে নামবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের ২৬৮টি আসনে প্রার্থী দেবে। দীর্ঘদিন ধরে জোট রাজনীতির বাইরে থেকে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রাখার যে নীতি দলটি অনুসরণ করে আসছে, এই সিদ্ধান্ত তারই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এর আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন একটি জোট সমঝোতার অংশ হিসেবে কিছু আসন খালি রাখার উদ্যোগ নেয়। সেখানে প্রায় ৫০টি আসন ছাড় দেওয়ার আলোচনা থাকলেও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। বরং দলটি শুরু থেকেই এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নেয়। দলীয় নেতারা বলছেন, জনগণের প্রত্যাশা ও ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিস্তারের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জোট রাজনীতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সরাসরি ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একটি গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রাথমিক ধাপ শেষ হয়েছে এবং এখন আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারবেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

শহীদ নূর হোসেন থেকে শহীদ ওসমান হাদি: রাষ্ট্র কি বদলেছে?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মৃত্যু সময়কে ভাগ করে দেয়—আগের বাংলাদেশ আর পরের বাংলাদেশ। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেনের মৃত্যু যেমন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে নতুন গতি দিয়েছিল, তেমনি ২০২৫ সালে শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যু আজকের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে কঠিন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। নূর হোসেন ছিলেন একজন সাধারণ মানুষ। কোনো বড় পদ, ক্ষমতা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা তার ছিল না। তবুও তিনি বুক-পিঠে লেখা দুটি বাক্য—‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ও ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’—নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। রাষ্ট্র তখন প্রকাশ্য স্বৈরশাসনের অধীনে ছিল। গুলির মুখে দাঁড়িয়ে নূর হোসেন দেখিয়ে দিয়েছিলেন, গণতন্ত্র কেবল রাজনৈতিক দল নয়, সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগেই বেঁচে থাকে। তার রক্তের দাগ মুছে যায়নি; বরং তা ইতিহাসে চিহ্ন হয়ে রয়ে গেছে। অন্যদিকে শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন একটি প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। তিনি কোনো সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নয়, বরং তথাকথিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভেতরের ব্যর্থতা, বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছিলেন। দিনের আলোয় রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে রিকশায় বসে থাকা একজন রাজনৈতিক কর্মী গুলিবিদ্ধ হন—এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রকাশ্য ভেঙে পড়ার ঘোষণা। নূর হোসেনের সময় রাষ্ট্র বলত, “আমরা স্বৈরাচার, তাই দমন করব।” হাদির সময় রাষ্ট্র বলে, “আমরা গণতান্ত্রিক, কিন্তু অপরাধ ঠেকাতে পারছি না।” এই দুই বক্তব্যের মাঝখানে পার্থক্য থাকলেও ফলাফল এক—একজন নাগরিক নিহত। সবচেয়ে বেদনাদায়ক প্রশ্ন হলো, নূর হোসেনের আত্মত্যাগের ৩৮ বছর পরও কেন হাদির

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

৭ই নভেম্বর: স্বাধীনতা-গণতন্ত্র-সংহতি: এক দিনে তিন প্রতীক

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পরিচিত এই দিনটি ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পটভূমিতে সিপাহী-জনতার অভ্যুদয়ের প্রতীক হয়ে উঠে। দিনটি নিয়ে নানা মত ও ব্যাখ্যা থাকলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। কারণ, এই দিনের ঘটনাপ্রবাহ রাষ্ট্রের সামগ্রিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং জাতীয় রাজনীতির গতিপথে এক নতুন ধারা সূচনা করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সামরিক, প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ গড়ে উঠতে থাকে। এরপর ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা এবং ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর এক বিশেষ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সৈনিকদের একটি অংশ এবং জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেদিনের ঘটনাকে কেউ বিপ্লব, কেউ সামরিক অভ্যুত্থান এবং কেউ জাতীয় ঐক্যের স্ফুরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এই দিবসটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কারণে। সেই সময় বন্দী অবস্থায় থাকা তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মুক্তি পান এবং পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব হাতে নেন। জিয়া রাষ্ট্রপরিচালনায় আসার পর বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর নতুন রাজনীতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে মতামত রয়েছে। ৭ নভেম্বরকে একদলীয় শাসনের অবসান ও বহু মত-চিন্তার উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরির সূচনা হিসেবে দেখেন অনেক বিশ্লেষক।

চাকুরী

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৫০তম বিসিএসের বহুল প্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বুধবার সন্ধ্যায় পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বিসিএসে মোট ২ হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে ১ হাজার ৭৫৫ জনকে এবং নন-ক্যাডারে ৩৯৫ জনকে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন যুক্ত পদসহ এবার প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের নিয়োগ হচ্ছে। ক্যাডার পদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারে সর্বোচ্চ ৬৫০ জন,

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

প্রতিবেশী

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ঢাকার ধারাবাহিক দাবির মধ্যে ভারতের অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়েছে। দেশটির শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রত্যর্পণের বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, শেষ পর্যন্ত ভারতের আদালতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। ভারতীয় কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে প্রত্যর্পণের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ এলে সেটি দেশটির বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। অভিযোগগুলো ভারতের আইন অনুযায়ীও অপরাধ হিসেবে বিবেচিত কি না, তা আদালতের সামনে যাচাই করা হবে। এদিকে শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক পর্যায়ে

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

জাতীয়

স্থানীয় নির্বাচন কবে, জানালেন সিইসি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের নির্দিষ্ট দিনক্ষণ এখনই জানানো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। দুর্গাপূজা, বন্যা ও শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করেই নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সোমবার (২৪ আগস্ট) নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে ‘স্ট্র্যাটেজিক লিডারশিপ ফর বাংলাদেশ লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশন’ শীর্ষক এক্সেল এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ ডায়ালগ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন সিইসি। এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় আইন ও বিধি-বিধানে কিছু সংশোধন করতে হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সংশোধনের কাজ ইতোমধ্যে শেষ করে তা মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। সিইসি জানান, এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে খুব বেশি সময় লাগবে না। একই সঙ্গে নির্বাচন আয়োজনের অন্যান্য প্রস্তুতিও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন নিজেদের দায়িত্ব অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে বলেও জানান তিনি। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি নেই উল্লেখ করে সিইসি বলেন, জাতীয় নির্বাচন যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তার চেয়ে খারাপ হবে না। বরং আগের নির্বাচনে যে মানদণ্ড তৈরি হয়েছে, সেটিকে আরও উন্নত করার চেষ্টা থাকবে। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যে মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে, তার নিচে যাওয়ার সুযোগ নেই। সম্ভব হলে আরও ভালো নির্বাচন উপহার দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন। সরকারের পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি স্পষ্ট করেন, নির্বাচনের সিদ্ধান্ত সরকার নেবে না। নির্বাচন কমিশনই প্রয়োজনীয় আলোচনা ও পরামর্শের ভিত্তিতে নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্ধারণ করবে। সিইসি বলেন, সরকারের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শ করে

স্থানীয় নির্বাচন কবে, জানালেন সিইসি
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলছে, কমবে কর্মী পাঠানোর খরচ

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলছে, কমবে কর্মী পাঠানোর খরচ

জাতীয় স্বার্থেই হবে ভারত সফর, তাড়াহুড়া নেই

জাতীয় স্বার্থেই হবে ভারত সফর, তাড়াহুড়া নেই

বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট কাটাতে সময় লাগবে

বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট কাটাতে সময় লাগবে

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

বুধবার পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, অন্ধকারে ঢাকবে পৃথিবীর যেসব অঞ্চল

বুধবার পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, অন্ধকারে ঢাকবে পৃথিবীর যেসব অঞ্চল

মহাজাগতিক বিরল এক ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছে পৃথিবী। বুধবার ১২ আগস্ট পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ হবে। প্রায় দুই বছর পর সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করায় চাঁদের প্রচ্ছায়ায় ঢেকে যাবে সূর্যের পুরো ডিস্ক। ফলে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় দিনের আলো কয়েক মুহূর্তের জন্য বদলে যাবে গাঢ় অন্ধকারে। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় বিকেল ৩টা ৩৪ মিনিটে সূর্যগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩৪ মিনিটে গ্রহণ শুরু হবে। তবে বাংলাদেশ থেকে সরাসরি এ গ্রহণ দেখা যাবে না। এবারের

ফেসবুক বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে বিকাশ যুক্ত করার উদ্যোগ মেটার

ফেসবুক বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে বিকাশ যুক্ত করার উদ্যোগ মেটার

এআই যুগে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বিশ্বের ভবিষ্যৎ

এআই যুগে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বিশ্বের ভবিষ্যৎ

মানুষের মতো কথোপকথনে বড় অগ্রগতি আনছে চ্যাটজিপিটির ভয়েস প্রযুক্তি

মানুষের মতো কথোপকথনে বড় অগ্রগতি আনছে চ্যাটজিপিটির ভয়েস প্রযুক্তি

শিক্ষা

এসএসসি ফল নিয়ে অসন্তুষ্টদের খাতা চ্যালেঞ্জের সুযোগ শুরু আজ

এসএসসি ফল নিয়ে অসন্তুষ্টদের খাতা চ্যালেঞ্জের সুযোগ শুরু আজ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রত্যাশামতো না এলে হতাশ হওয়ার কারণ নেই। ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীদের জন্য শুরু হয়েছে খাতা চ্যালেঞ্জ বা ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন। মঙ্গলবার ১১ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এ আবেদন চলবে আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত। এবার নতুন পদ্ধতিতে প্রতি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা ফি দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক চিঠিতে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য শিক্ষার্থীদের রোল ও নিবন্ধন নম্বর দিয়ে নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালে প্রবেশ

যে কারণে ফেলের হার বেশি, যা বললেন ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান

যে কারণে ফেলের হার বেশি, যা বললেন ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান

এসএসসিতে ৩১২ প্রতিষ্ঠানে এবারও পাস করেনি কেউই

এসএসসিতে ৩১২ প্রতিষ্ঠানে এবারও পাস করেনি কেউই

এসএসসিতে পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ

এসএসসিতে পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ

লাইফস্টাইল

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি। ‘মা’ শব্দটি শুধু একটি সম্বোধন নয়, বরং স্নেহ, মমতা, ত্যাগ ও অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রতীক। জন্মের পর মানুষের মুখে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দও ‘মা’। সেই মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্ব মা দিবস উদযাপন করা হয়। যদিও মাকে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন প্রয়োজন হয় না, তবুও বিশেষভাবে মায়েদের সম্মান জানাতেই দিনটি আলাদাভাবে পালিত হয়। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়,

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

আইন-আদালত

স্বামীর জানাজায় যেতে দীপু মনির প্যারোলের আবেদন

স্বামীর জানাজায় যেতে দীপু মনির প্যারোলের আবেদন

মুন্সীগঞ্জ কারাগারে থাকা সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী, সাবেক সংসদ সদস্য এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ডা. দীপু মনির প্যারোলে মুক্তির পর তাঁর স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের জানাজার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্যারোলে মুক্তির আবেদন নিয়ে তাঁর আইনজীবী ও স্বজনরা বর্তমানে মুন্সীগঞ্জে অবস্থান করছেন। বুধবার সকালে দীপু মনির আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর তৌফিক নেওয়াজের জানাজা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর একটি

জুলাই আন্দোলনে উসকানির অভিযোগে আসামি হচ্ছেন তিন সাংবাদিক

জুলাই আন্দোলনে উসকানির অভিযোগে আসামি হচ্ছেন তিন সাংবাদিক

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

আন্দোলনের খবর ঠেকাতে টিভি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন কাদের

আন্দোলনের খবর ঠেকাতে টিভি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন কাদের

আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালিকে ফের মার্কিন ভূখণ্ড দাবি ট্রাম্পের

হরমুজ প্রণালিকে ফের মার্কিন ভূখণ্ড দাবি ট্রাম্পের

হরমুজ প্রণালিকে আবারও যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি এমন একটি মানচিত্র প্রকাশ করেন, যেখানে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথকে ‘নিউ ইউএস টেরিটরি’ বা ‘যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভূখণ্ড’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রকাশিত ছবিতে মধ্যপ্রাচ্যের একটি মানচিত্রের ওপর হরমুজ প্রণালিকে গোল করে দেখানো হয়েছে। ছবিটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভূখণ্ড বোঝাতে ইংরেজিতে লেখা রয়েছে ‘NEW US Territory’। ট্রাম্প এবার ছবিটির সঙ্গে কোনো আলাদা মন্তব্য বা ক্যাপশন দেননি। এক সপ্তাহের মধ্যে একই ধরনের ছবি দ্বিতীয়বার প্রকাশ করলেন ট্রাম্প। এর আগে ১৮ আগস্ট তিনি একই মানচিত্র শেয়ার করেছিলেন। সে সময়ও হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভূখণ্ড হিসেবে দেখানো হয়েছিল। এর কয়েক দিন পর দক্ষিণ ক্যারোলাইনায় এক সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, তিনি বর্তমানে হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকান ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখছেন। এর আগে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আরও কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী সেখানে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। গত সপ্তাহে তিনি বলেছিলেন, ইরানকে পরাজিত করার পর হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড ঘোষণা করার বিষয়টি বিবেচনা করবেন। ট্রাম্পের এমন বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইরানের কর্মকর্তারা এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই দাবিকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি ইরানের ছিল, আছে এবং থাকবে। তেহরান মার্কিন অবস্থানকে আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হিসেবেও দেখছে। হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য এর গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। যুদ্ধ ও অবরোধের কারণে এই নৌপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও দামের ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। এদিকে হরমুজকে ঘিরে সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানকে আরও চাপে ফেলার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথকে ঘিরে কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। ট্রাম্পের নতুন করে মানচিত্র প্রকাশ এবং হরমুজকে মার্কিন ভূখণ্ড হিসেবে দেখার দাবি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রণালিটির ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণ, নৌ চলাচল ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক কোন দিকে যায়, তা এখন মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের নতুন সম্ভাবনা

সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের নতুন সম্ভাবনা

বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলছে। সৌদি আরবে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসীর বসবাস এবং দেশটির বড় ভোক্তা বাজারকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। বর্তমানে সৌদি আরবে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, নিট ও ওভেন পোশাক, চা, মসলা, খাদ্যপণ্য, চামড়াজাত পণ্য, জুতা, সিরামিক ও প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। এর মধ্যে তৈরি পোশাক এখনো বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি পণ্য হিসেবে অবস্থান করছে। তবে পোশাকের পাশাপাশি খাদ্য ও কৃষিপণ্য রপ্তানিতেও বড় সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। মাছ, চিংড়ি, মসলা, চা, শাকসবজি, ফলমূল, মধু, বিস্কুট, মিষ্টি, হিমায়িত ও প্রস্তুত খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের সৌদি বাজারে চাহিদা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে বিশ্ববাজারে ফের চড়া তেলের দাম

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে বিশ্ববাজারে ফের চড়া তেলের দাম

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ভূরাজনৈতিক সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কায় টানা দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো চড়া পর্যায়ে অবস্থান করছে জ্বালানি তেলের বাজার। শুক্রবার বিশ্ববাজার বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অপরিশোধিত তেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৪ সেন্ট বা শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৩ দশমিক ৮২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম ৬ সেন্ট বা শূন্য দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৬ দশমিক ৭৮ ডলারে নেমেছে। তবে দৈনিক দামের সামান্য ওঠানামার চেয়ে সামগ্রিক বাজারচিত্রে বড় ধরনের ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত পাঁচ কার্যদিবসে ব্রেন্ট

নিউমার্কেটের হোটেলপাড়া এখন বাংলাদেশি পর্যটকদের আতঙ্কের ঠিকানা

নিউমার্কেটের হোটেলপাড়া এখন বাংলাদেশি পর্যটকদের আতঙ্কের ঠিকানা

স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে কারাগারেই ফিরলেন ইমরান খান

স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে কারাগারেই ফিরলেন ইমরান খান

দিল্লিতে পাকিস্তান হাইকমিশনের অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল ভারত

দিল্লিতে পাকিস্তান হাইকমিশনের অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল ভারত

হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের দাবির জবাবে ক্যালিফোর্নিয়াকে ইরানের ভূখণ্ড দাবি

হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের দাবির জবাবে ক্যালিফোর্নিয়াকে ইরানের ভূখণ্ড দাবি

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের নতুন অর্থনৈতিক যুদ্ধের হুঁশিয়ারি

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের নতুন অর্থনৈতিক যুদ্ধের হুঁশিয়ারি

ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আমিরাতের

ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আমিরাতের